Bartaman Logo
১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘বিপজ্জনক’ বীণা নদীর উপর সেতু দিয়ে চলছে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত

দীর্ঘবছর ধরে ইটাহার ব্লকের দুর্গাপুর এলাকায় বীণা নদীর উপর সেতুর অবস্থা বেহাল। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষের নিত্য যাতায়াত চলছে ‘বিপজ্জনক’ তকমা পাওয়া সেতুটির উপর দিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, গুলন্দর-১, গুলন্দর-২, সরুন-১, সরুন-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা।

‘বিপজ্জনক’ বীণা নদীর উপর সেতু দিয়ে চলছে হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত
  • ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: দীর্ঘবছর ধরে ইটাহার ব্লকের দুর্গাপুর এলাকায় বীণা নদীর উপর সেতুর অবস্থা বেহাল। তারপরও ঝুঁকি নিয়ে হাজার হাজার মানুষের নিত্য যাতায়াত চলছে ‘বিপজ্জনক’ তকমা পাওয়া সেতুটির উপর দিয়ে। স্বাভাবিকভাবেই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত, গুলন্দর-১, গুলন্দর-২, সরুন-১, সরুন-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। বিপাকে পড়েছেন ওই সব গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন দুর্গাপুর, ভদ্রতা, চান্দল, বগুন, পারা হরিপুর, কুমেদপুর, বোস্টমটোলা গ্রাম সহ দুর্গাপুর হাট চত্বরের ব্যবসায়ীরা। 
Advertisement
দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বীণা নদীর উপর বহু বছর আগে কংক্রিটের সেতুটি তৈরি হয়েছিল। তারপর বহু বছর সেতু ব্যবহার করে মানুষের চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বছর দশেক অতিবাহিত হতে চলেছে, ব্রিজের কোনও সংস্কার হয়নি। ব্রিজটি এখন জরাজীর্ণ। অন্তত ত্রিশ চল্লিশ মিটার দীর্ঘ সেতুটির উপর কংক্রিটের চাদর উঠে গিয়েছে। সেতুর রেলিং ভেঙে গিয়েছে বেশিরভাগ জায়গায়। কোনওরকমের বাঁশের বেড়া দেওয়া ভগ্নপ্রায় রেলিং। 
দুর্গাপুর হাট চত্বরের ব্যবসায়ী পলাশ সাহা, দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা অভিজিৎ ঘোষরা বলেন, যে কোনও সময় সেতুটি ভেঙে পড়তে পারে। দুর্গাপুরে জাতীয় সড়কে আসার এটিই একমাত্র শর্টকার্ট রাস্তা। না হলে মানুষকে প্রায় দেড় কিমি পথ ঘুরে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত চলাচল করতে হয়। সপ্তাহে দু’দিন এই সেতু সংলগ্ন এলাকায় হাট বসে। যেটি দুর্গাপুর হাট নামে পরিচিত। হাটের দিনেও জীর্ণ সেতুটি দিয়েই হাজার হাজার মানুষ পারাপার করেন। 
পোয়ালতোরের বাসিন্দা সৌভাগ্য মহন্ত বলেন, আগে এই সেতুর উপর দিয়েই টোটো যাতায়াত করত। কিন্তু এখন সেসব বন্ধ। সাইকেল, বাইক নিয়ে কোনওমতে মানুষ ব্রিজ পারাপার করেন। অনেকে ব্রিজে ওঠার মুখে সাইকেল বাইক নির্দিষ্ট স্ট্যান্ডে রেখে হেঁটে চলাচল করে। অনেকেই বলছেন, এলাকাটিতে বিজেপির পঞ্চায়েত থাকায়, স্থানীয় তৃনমূল নেতারা সেতু সংস্কারে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। যদিও দুর্গাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সাথী দাস সরকার বলেন, ওই সেতু সংস্কার বা বিকল্প সেতু তৈরির জন্য আমরা স্থানীয় বিধায়ক, জেলাপরিষদের প্রতিনিধিদের জানিয়েছি। আশা করি, দ্রুত সেতুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হবে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ