পুনে: পুনে ধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত দত্তাত্রেয় রামদাস গাদেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিল আদালত। শুক্রবার ভোরে গাদেকে শিরুর এলাকার একটি খামার থেকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। ওইদিনই তাকে আদালতে পেশ করা হয়। ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোরে পুনের স্বরগেট বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা সরকারি বাসে তুলে এক ২৬ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে গাদের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরেই চম্পট দেয় সে। সব্জি বোঝাই একটি ট্রাকে করে শিরুরে চলে আসে। তাকে ধরতে সারা গ্রামে ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি, স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি চলে। তিন দিন লুকিয়ে থাকার পর খাবারের খোঁজে বেরতেই গাদেকে গ্রেপ্তার করে পুলিস।
Advertisement
আদালতে পুলিস দাবি করে, গাদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই ছয়টি ফৌজদারি মামলা চলছে। এর মধ্যে পাঁচটিতেই মহিলা যোগ রয়েছে। ফলে মহিলাদের প্রতি তার মনোভাব কী, তা স্পষ্ট। পুনের মতো আরও ঘটনা সে ঘটিয়েছে কি না, তা জানার জন্য গাদেকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা জরুরি। অন্যদিকে, গাদের হয়ে তিনজন আইনজীবী আদালতে সওয়াল করেন। তাঁরা দাবি করেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি কখনই নির্যাতিতা তরুণীকে সঙ্গে যাওয়ার জন্য জোর করেনি। শারীরিক সম্পর্কে নির্যাতিতারও সম্মতি ছিল। তাই এই ঘটনাকে ধর্ষণ বলা যায় না। যদিও সেই যুক্তি খারিজ করে দেন বিচারক।
পুলিস আদালতে জানিয়েছে, ঘটনার দিন নির্যাতিতাকে বারবার ‘বোন’ বলে সম্বোধন করছিল অভিযুক্ত। নির্যাতিতা তরুণী সাতারা জেলায় বাড়ি যাওয়ার জন্য ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে ‘টার্গেট’ করে গাদে। বারবার ‘বোন’ সম্বোধন করে নির্যাতিতার বিশ্বাস অর্জন করে সে। এরপর স্ট্যান্ডের অন্যদিকে দাঁড়িয়ে থাকা সরকারি বাসে নির্যাতিতাকে তোলে গাদে। ফাঁকা বাস দেখে তরুণী নেমে যেতে চাইলে, অভিযুক্ত দু’বার তাঁকে ধর্ষণ করে। প্রথমে নির্যাতিতা বাড়ির বাসে উঠলেও, এক বন্ধুর পরামর্শে ফিরে এসে স্বরগেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিস আদালতে জানিয়েছে, ঘটনার দিন নির্যাতিতাকে বারবার ‘বোন’ বলে সম্বোধন করছিল অভিযুক্ত। নির্যাতিতা তরুণী সাতারা জেলায় বাড়ি যাওয়ার জন্য ভোর সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় তাঁকে ‘টার্গেট’ করে গাদে। বারবার ‘বোন’ সম্বোধন করে নির্যাতিতার বিশ্বাস অর্জন করে সে। এরপর স্ট্যান্ডের অন্যদিকে দাঁড়িয়ে থাকা সরকারি বাসে নির্যাতিতাকে তোলে গাদে। ফাঁকা বাস দেখে তরুণী নেমে যেতে চাইলে, অভিযুক্ত দু’বার তাঁকে ধর্ষণ করে। প্রথমে নির্যাতিতা বাড়ির বাসে উঠলেও, এক বন্ধুর পরামর্শে ফিরে এসে স্বরগেট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।



