সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকের নাজিরপুরে বাংলার বাড়ির তালিকায় বিজেপি উপ প্রধানের স্বামীর নাম থাকায় শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকার পর বৃহস্পতিবার বিষয়টি সামনে আসতেই শোরগোল মানিকচক জুড়ে। বাম নেতৃত্ব দাবি তুলেছে, প্রভাব খাটিয়ে তালিকায় স্বামীর নাম ঢুকিয়েছেন উপ প্রধান। আবার টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হতেই তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক ব্লক প্রশাসন।
Advertisement
মানিকচক ব্লকের নাজিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বিজেপির উপ প্রধান প্রিয়াঙ্কা মণ্ডলের স্বামী কৃষ্ণ মণ্ডল লক্ষ্মীকোল গ্রামের বাসিন্দা। কৃষ্ণের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢোকার সঙ্গে পেয়েছেন শংসাপত্রও। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, লক্ষ্মীকোল গ্রামে কৃষ্ণ দোতলা বাড়িতে বাস করেন। তারপরেও তালিকায় কীভাবে নাম ঢুকল, তা নিয়ে চর্চার অন্ত নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দার দাবি, বাংলার বাড়ি নিয়ে মুখ খুললে আমাদের উপর আক্রমণ হতে পারে। এখানে পাকা ও দু’তলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও টাকার বিনিময়ে তালিকায় অনেকের নাম ঢোকানো হয়েছে। উপ প্রধান প্রভাব খাটিয়ে সমস্ত সরকারি পরিষেবা নিজের বাড়ির লোকদের জন্য নিচ্ছেন।
বিষয়টি জানা মাত্রই সরব হয়েছেন মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র। তিনি বলেছেন, বিজেপির উপ প্রধানের স্বামীর নাম কীভাবে বাংলার বাড়ির তালিকায় থাকে, সেবিষয়ে বিডিওকে জানিয়েছি। তিনি তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বরাদ্দ টাকা ফেরত দিতে হবে।
মালদহ জেলা বামনেতা দেবজ্যোতি সিনহার কথায়, উপ প্রধানের দোতলা বাড়ি থাকলেও বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছেন। এই দুর্নীতিতে বিজেপি ও তৃণমূলের সদস্যরা যুক্ত। আমরা এবিষয়ে বিডিওকে ডেপুটেশন দেব।
যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কৃষ্ণ। তাঁর মন্তব্য, আমার নিজস্ব কোনও বাড়ি নেই। মায়ের বাড়িতে থাকতাম। তিনি তাড়িয়ে দিয়ে সামান্য জায়গা দিয়েছেন। সেখানেই বাংলার বাড়ির টাকায় বাড়ি তৈরি করছি। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে পাঁচ মাস কোনও সম্পর্ক নেই। সে বাবার বাড়িতে থাকে।
উপ প্রধান বলেন, শুনেছি বাড়ি পেয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল। আমি যুক্ত নই। তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কও নেই।
বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক ব্লক প্রশাসন। এদিন কৃষ্ণের বাড়ি পরিদর্শনে যান দুই আধিকারিক। তাঁরা কৃষ্ণের সঙ্গে কথা বলার পর বাংলার বাড়ির টাকায় কাজ পরিদর্শন করেন। সবশেষে কৃষ্ণকে মানিকচক ব্লকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানামাত্রই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপ প্রধানের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষ্ণ মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলছেন ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক। - নিজস্ব চিত্র।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দার দাবি, বাংলার বাড়ি নিয়ে মুখ খুললে আমাদের উপর আক্রমণ হতে পারে। এখানে পাকা ও দু’তলা বাড়ি থাকা সত্ত্বেও টাকার বিনিময়ে তালিকায় অনেকের নাম ঢোকানো হয়েছে। উপ প্রধান প্রভাব খাটিয়ে সমস্ত সরকারি পরিষেবা নিজের বাড়ির লোকদের জন্য নিচ্ছেন।
বিষয়টি জানা মাত্রই সরব হয়েছেন মানিকচকের তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র। তিনি বলেছেন, বিজেপির উপ প্রধানের স্বামীর নাম কীভাবে বাংলার বাড়ির তালিকায় থাকে, সেবিষয়ে বিডিওকে জানিয়েছি। তিনি তদন্ত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। বরাদ্দ টাকা ফেরত দিতে হবে।
মালদহ জেলা বামনেতা দেবজ্যোতি সিনহার কথায়, উপ প্রধানের দোতলা বাড়ি থাকলেও বাংলার বাড়ির টাকা পেয়েছেন। এই দুর্নীতিতে বিজেপি ও তৃণমূলের সদস্যরা যুক্ত। আমরা এবিষয়ে বিডিওকে ডেপুটেশন দেব।
যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন কৃষ্ণ। তাঁর মন্তব্য, আমার নিজস্ব কোনও বাড়ি নেই। মায়ের বাড়িতে থাকতাম। তিনি তাড়িয়ে দিয়ে সামান্য জায়গা দিয়েছেন। সেখানেই বাংলার বাড়ির টাকায় বাড়ি তৈরি করছি। স্ত্রী প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে পাঁচ মাস কোনও সম্পর্ক নেই। সে বাবার বাড়িতে থাকে।
উপ প্রধান বলেন, শুনেছি বাড়ি পেয়েছে। বিজেপি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে তাঁর নাম দেওয়া হয়েছিল। আমি যুক্ত নই। তার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্কও নেই।
বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে মানিকচক ব্লক প্রশাসন। এদিন কৃষ্ণের বাড়ি পরিদর্শনে যান দুই আধিকারিক। তাঁরা কৃষ্ণের সঙ্গে কথা বলার পর বাংলার বাড়ির টাকায় কাজ পরিদর্শন করেন। সবশেষে কৃষ্ণকে মানিকচক ব্লকে হাজির হতে বলা হয়েছে।
মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, বিষয়টি জানামাত্রই তদন্ত শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপ প্রধানের স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কৃষ্ণ মণ্ডলের সঙ্গে কথা বলছেন ব্লক প্রশাসনের আধিকারিক। - নিজস্ব চিত্র।



