নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি এবং সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তা তালিকা তৈরি নিয়ে সমীক্ষা শুরু হতেই আন্দোলনে নামলেন গ্রামবাসীরা। তাঁরা গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের গেটে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখান। বুধবার তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের চিলাখানা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ঘটনাটি ঘটে। এলাকায় এনিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। খবর পেয়ে পুলিস ও ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেন।
Advertisement
এদিকে, শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়িতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ হল। তাতে যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৮২ হাজার ৯৬২ জন। সেই তালিকা বিডিও, এসডিও অফিসের এবং জেলা পরিষদ ও মহকুমা পরিষদের নোটিস বোর্ডে ঝোলানো রয়েছে। এ ব্যাপারে আগামী ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রামবাসীদের অভিযোগ সংগ্রহ করা হবে। এখানেই শেষ নয়, আরও তিনটি পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট তালিকা যাচাই করবে প্রশাসন।
তুফানগঞ্জের বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ছ’বছর আগে তৈরি তালিকায় ৮১ ও ৮২ নম্বর বুথের কোনও বাসিন্দার নাম নেই। তালিকায় যোগ্যদের নাম তোলার দাবিতেই এই আন্দোলন। তৃণমূল শাসিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বুদ্ধদেব দাস বলেন, ২০১৮ সালে ওই তালিকা তৈরি হয়। টেকনিক্যাল কারণে কিছু নাম ওঠেনি। বিষয়টি প্রশাসন দেখবে। তুফানগঞ্জ-১ এর বিডিও সঞ্জয় ঘিসিং বলেন, বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ শুনেছি। বিষয়টি প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হবে।
অন্যদিকে, বাড়ি প্রকল্প ইস্যুতে শিলিগুড়িতে ৪ ও ৫ ডিসেম্বর গ্রামসভা, ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্লক কমিটির বৈঠক এবং ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা কমিটির বৈঠক করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বরাদ্দ হবে প্রথম কিস্তির টাকা। এই অবস্থায় প্রস্তাবিত বা খসড়া উপভোক্তা তালিকা ঘিরে গ্রামসভায় অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলে শঙ্কা।
বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা ও সুপার চেকিংয়ের পর বুধবার বাংলার বাড়ির খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি মহকুমায় মোট আবেদনকারী ছিলেন ২৪ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে যোগ্য ১৬ হাজার ৯৬২ জন। উপভোক্তার সংখ্যা ফাঁসিদেওয়া ব্লকে সর্বাধিক, ৮০০৪। খড়িবাড়িতে ৫০১৮, নকশালবাড়িতে ৩১৩২ এবং মাটিগাড়ায় ৮০৮ জন রয়েছেন। অনুপযুক্ত ৫১৫৩ জন। ১১ দফা যোগ্যতামান অনুসারে তাঁরা তালিকায় ঠাঁই পাননি। আর নিষ্ক্রিয় আবেদনকারীর সংখ্যা ২০৪৩ জন।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নিতে ব্লকে ব্লকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
এদিকে, জলপাইগুড়িতে খসড়া তালিকায় যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৬৬ হাজার। নাম বাদ গিয়েছে ৮ হাজার জনের। চারশোর মতো উপভোক্তা ‘যোগ্য’ কি না সংশয় প্রকাশ করেছে সমীক্ষক দল। সেগুলিকে ‘হোল্ড’ রেখে বিডিওদের সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ২৯ তারিখ ‘ডিজিটাল মুচলেকা’ নেওয়া হবে। প্রকল্পে একশো শতাংশ স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ। জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, আবাসের খসড়া তালিকায় ৬৬ হাজার উপভোক্তার নাম রয়েছে। তালিকায় কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সাতদিনের মধ্যে জানাতে পারবেন।
তালিকায় সদর ব্লকে উপভোক্তার সংখ্যা সর্বাধিক, ১৯ হাজার ৮০০। বানারহাটে ২৫০০, ধূপগুড়িতে ৬৯০০, ক্রান্তিতে ৭ ৮০০, মালে ৬ ৪০০, মেটেলিতে ৩ ৯০০, ময়নাগুড়িতে ৭ ৮১০, নাগরাকাটায় ৩ ৪৯০, রাজগঞ্জে ৭ ২০০ জন।
(তুফানগঞ্জে বিক্ষোভ। - নিজস্ব চিত্র।)
তুফানগঞ্জের বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ছ’বছর আগে তৈরি তালিকায় ৮১ ও ৮২ নম্বর বুথের কোনও বাসিন্দার নাম নেই। তালিকায় যোগ্যদের নাম তোলার দাবিতেই এই আন্দোলন। তৃণমূল শাসিত গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বুদ্ধদেব দাস বলেন, ২০১৮ সালে ওই তালিকা তৈরি হয়। টেকনিক্যাল কারণে কিছু নাম ওঠেনি। বিষয়টি প্রশাসন দেখবে। তুফানগঞ্জ-১ এর বিডিও সঞ্জয় ঘিসিং বলেন, বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ শুনেছি। বিষয়টি প্রধানের কাছে জানতে চাওয়া হবে।
অন্যদিকে, বাড়ি প্রকল্প ইস্যুতে শিলিগুড়িতে ৪ ও ৫ ডিসেম্বর গ্রামসভা, ৯ ডিসেম্বরের মধ্যে ব্লক কমিটির বৈঠক এবং ১১ ডিসেম্বরের মধ্যে জেলা কমিটির বৈঠক করে তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। এরপর বরাদ্দ হবে প্রথম কিস্তির টাকা। এই অবস্থায় প্রস্তাবিত বা খসড়া উপভোক্তা তালিকা ঘিরে গ্রামসভায় অসন্তোষ দেখা দিতে পারে বলে শঙ্কা।
বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা ও সুপার চেকিংয়ের পর বুধবার বাংলার বাড়ির খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, শিলিগুড়ি মহকুমায় মোট আবেদনকারী ছিলেন ২৪ হাজার ১৫৮ জন। এরমধ্যে যোগ্য ১৬ হাজার ৯৬২ জন। উপভোক্তার সংখ্যা ফাঁসিদেওয়া ব্লকে সর্বাধিক, ৮০০৪। খড়িবাড়িতে ৫০১৮, নকশালবাড়িতে ৩১৩২ এবং মাটিগাড়ায় ৮০৮ জন রয়েছেন। অনুপযুক্ত ৫১৫৩ জন। ১১ দফা যোগ্যতামান অনুসারে তাঁরা তালিকায় ঠাঁই পাননি। আর নিষ্ক্রিয় আবেদনকারীর সংখ্যা ২০৪৩ জন।
অতিরিক্ত জেলাশাসক (মহকুমা পরিষদ) নির্মাল্য ঘরামি বলেন, বাংলার বাড়ি প্রকল্পের খসড়া উপভোক্তা তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। গ্রামবাসীদের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ নিতে ব্লকে ব্লকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।
এদিকে, জলপাইগুড়িতে খসড়া তালিকায় যোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা ৬৬ হাজার। নাম বাদ গিয়েছে ৮ হাজার জনের। চারশোর মতো উপভোক্তা ‘যোগ্য’ কি না সংশয় প্রকাশ করেছে সমীক্ষক দল। সেগুলিকে ‘হোল্ড’ রেখে বিডিওদের সরেজমিনে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে, ২৯ তারিখ ‘ডিজিটাল মুচলেকা’ নেওয়া হবে। প্রকল্পে একশো শতাংশ স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই উদ্যোগ। জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, আবাসের খসড়া তালিকায় ৬৬ হাজার উপভোক্তার নাম রয়েছে। তালিকায় কারও কোনও অভিযোগ থাকলে সাতদিনের মধ্যে জানাতে পারবেন।
তালিকায় সদর ব্লকে উপভোক্তার সংখ্যা সর্বাধিক, ১৯ হাজার ৮০০। বানারহাটে ২৫০০, ধূপগুড়িতে ৬৯০০, ক্রান্তিতে ৭ ৮০০, মালে ৬ ৪০০, মেটেলিতে ৩ ৯০০, ময়নাগুড়িতে ৭ ৮১০, নাগরাকাটায় ৩ ৪৯০, রাজগঞ্জে ৭ ২০০ জন।
(তুফানগঞ্জে বিক্ষোভ। - নিজস্ব চিত্র।)



