সংবাদদাতা, মানকর: গলসিতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায় থাকা স্ত্রীর নাম বাদ দেওয়ার আবেদন করলেন পঞ্চায়েত প্রধান। মঙ্গলবার গলসি-১ ব্লক অফিসে লোয়াপুর কৃষ্ণরামপুর পঞ্চায়েতের প্রধান মিরাজ মল্লিক বিডিওর কাছে লিখিতভাবে এই আবেদন করেছেন। বিডিও আবেদনপত্র গ্রহণ করেছেন। নিজেরা কাঁচাবাড়িতে বাস করেও এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় প্রশংসিত প্রধান।
Advertisement
বাংলার বাড়ি প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকায় পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রী সুরিফুন্নেসা বেগমের নাম প্রকাশিত হয়। মঙ্গলবার মিরাজ বিডিওর কাছে লিখিতভাবে জানান, তাঁর স্ত্রী বাড়ি নিতে অনিচ্ছুক। তাই নাম বাতিল করা হোক। তিনি বলেন, আমি একজন জনপ্রতিনিধি। ১৪টি গ্রামের বাসিন্দাদের নিয়ে আমি চলি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে আমাদের পঞ্চায়েতে কেবলমাত্র দু’টি গ্রামের বাসিন্দাদের নাম তালিকায় রয়েছে। বাকি গ্রামগুলির বাসিন্দাদের নাম ওই তালিকায় নেই। ওই গ্রামগুলিতে অনেক অসহায় মানুষ আছে যাদের নাম নেই। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানবিক হতে বলেছেন। সেই ভাবনা থেকেই এই পদক্ষেপ নিয়েছি। স্থানীয়রা জানান, মিরাজ এখনও কাঁচাবাড়িতেই বাস করে পঞ্চায়েতের কার্যভার সামলাচ্ছেন। ‘বর্তমান পত্রিকা’য় সেই খবর প্রকাশিতও হয়েছিল। তবে এই বিষয়ে তিনি বলেন, আমি কাঁচাবাড়িতে বাস করলেও গ্রামে অনেকেই কাঁচাবাড়িতে বাস করেন। স্ত্রীর নামে আসা বাড়ি যদি কোনও দুঃস্থ মানুষকে দেওয়া যায় তাহলে তাঁরা উপকৃত হবেন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রশাসনের বিভিন্নস্তরের কর্মী ও আধিকারিকরা কয়েক দফায় যাচাই করেছেন। তারপরেই তালিকায় নাম উঠেছে।
পঞ্চায়েত প্রধান এদিন জানান, যাঁরা বাড়ি পাননি তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্তির জন্য সমস্ত দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। পঞ্চায়েত মন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা রাখছি আগামী দিনে তাঁরা বাড়ি পাবেন। তবে প্রধানের উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দা থেকে দলের নেতাকর্মীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানবিক হতে বলছেন। সেই নির্দেশ মেনেই মিরাজ এই কাজ করেছেন। গলসি-১ ব্লকের বিডিও জয়প্রকাশ মণ্ডল বলেন, পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রীর নাম তালিকায় রয়েছে। তার মানে তিনি ওই বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। তাঁর বাড়িটি কাঁচাবাড়ি। কিন্তু প্রধান বাড়িটি নেবেন না বলে আবেদনপত্র জমা করেছেন। প্রধানকে আমি সাধুবাদ জানাই।
পঞ্চায়েত প্রধান এদিন জানান, যাঁরা বাড়ি পাননি তালিকায় তাঁদের নাম নথিভুক্তির জন্য সমস্ত দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। পঞ্চায়েত মন্ত্রীকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা রাখছি আগামী দিনে তাঁরা বাড়ি পাবেন। তবে প্রধানের উদ্যোগে খুশি স্থানীয় বাসিন্দা থেকে দলের নেতাকর্মীরা। তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানবিক হতে বলছেন। সেই নির্দেশ মেনেই মিরাজ এই কাজ করেছেন। গলসি-১ ব্লকের বিডিও জয়প্রকাশ মণ্ডল বলেন, পঞ্চায়েত প্রধানের স্ত্রীর নাম তালিকায় রয়েছে। তার মানে তিনি ওই বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। তাঁর বাড়িটি কাঁচাবাড়ি। কিন্তু প্রধান বাড়িটি নেবেন না বলে আবেদনপত্র জমা করেছেন। প্রধানকে আমি সাধুবাদ জানাই।



