ওয়াশিংটন ও নয়াদিল্লি: ‘ইউএস ডিপ স্টেট’। কর্পোরেট-পলিটিক্যাল আঁতাতে ‘সমান্তরাল মার্কিন সরকার’! আর তাদের স্বার্থরক্ষায় গোপনে অন্যদেশে পালাবদলের ষড়যন্ত্র? বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে মার্কিন ‘ডিপ স্টেটে’র হস্তক্ষেপ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছিল। ভারতেও কি একই চেষ্টা চলেছে? আর কেউ নন, স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক বিস্ফোরক মন্তব্য উস্কে দিল সেই বিতর্ক। ভারতে ‘ভোটের হার’ বাড়াতে ইউএস-এইডের বিশাল অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বিতীয় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। এবিষয়ে বৃহস্পতিবার মায়ামির একটি সম্মেলনে ফের সরব হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পূর্বতন জো বাইডেন প্রশাসনকে সেই ইস্যুতে বিঁধতে গিয়েই রীতিমতো বোমা ফাটান— ‘ভারতে ভোটের হার বাড়াতে ২ কোটি ১০ লক্ষ ডলারের অনুদান! আমাদের এই অর্থ খরচের প্রয়োজন কী? আমার মনে হয় ওরা (বাইডেন প্রশাসন) ভারতে অন্য কাউকে নির্বাচিত করার চেষ্টায় ছিল। এই বিষয়টি ভারত সরকারকে জানাতে হবে।’ স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই আশঙ্কা প্রকাশ করায় ভারতে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।
Advertisement
বিজেপির অভিযোগ, ভারতের স্বার্থ বিপন্ন করতে বিদেশি এজেন্সিগুলির হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন রাহুল গান্ধী। এক্ষেত্রে নাম না করে ফের মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোসের সঙ্গে গান্ধী পরিবারের আঁতাতের কথা তুলে ধরেছে তারা। পাল্টা মাঠে নেমেছে কংগ্রেসও। তাদের দাবি, ট্রাম্প ‘ভুলভাল বকছেন’। দশকের পর দশক ধরে সরকার ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে আসা ইউএস-এইডের অনুদান সম্পর্কে শ্বেতপত্র প্রকাশ করুক মোদি সরকার। ‘ইন্ডিয়া’ জোটের শরিক তথা জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা আবার এব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে জবাবদিহি করার দাবি তুলেছেন।
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই মার্কিন সরকারের ব্যয় সংকোচের পথে হেঁটেছেন ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইউএস-এইডের কোটি কোটি ডলার অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত। পরপর দু’দিন এই পদক্ষেপের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন ট্রাম্প। মায়ামিতে এদিন এআইআই প্রায়োরিটি সামিটে তিনি কাঠগড়ায় তোলেন পূর্বসূরি জো বাইডেনকে। তারপরই ভারতের নির্বাচনে গোপন হস্তক্ষেপের আশঙ্কা উঠে আসে তাঁর গলায়। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের পোস্ট, ‘২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারে বিদেশি হস্তক্ষেপের আশঙ্কা নিয়ে বারবার সতর্ক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিশ্চিত করছেন, ভারতের নির্বাচনকে বাইরে থেকে প্রভাবিত করে অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর চেষ্টা চলেছিল। সেজন্য ভারতে বিদেশ থেকে টাকা ঢালা হয়েছিল।’ বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ, ‘২০২৩ সালে মার্চে লন্ডনে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। আমেরিকা থেকে ইউরোপ— সব বিদেশি শক্তির কাছে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি।’ মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোস ও তাঁর ফাউন্ডেশনের নাম অবশ্য নেননি তিনি। তবে সাফ বলেছেন, ‘ভারতের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে বিপন্ন করতে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন রাহুল গান্ধী।’ পাল্টা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশের পোস্ট, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি সম্পূর্ণ ভুলভাল। তা সত্ত্বেও দশকের পর দশক ধরে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে আসা ইউএস-এইডের অনুদান নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিস্তারিত তথ্য সহ শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত ভারত সরকারের।’
দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই মার্কিন সরকারের ব্যয় সংকোচের পথে হেঁটেছেন ট্রাম্প। সেই কারণেই ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইউএস-এইডের কোটি কোটি ডলার অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্ত। পরপর দু’দিন এই পদক্ষেপের পক্ষে জোরালো সওয়াল করেন ট্রাম্প। মায়ামিতে এদিন এআইআই প্রায়োরিটি সামিটে তিনি কাঠগড়ায় তোলেন পূর্বসূরি জো বাইডেনকে। তারপরই ভারতের নির্বাচনে গোপন হস্তক্ষেপের আশঙ্কা উঠে আসে তাঁর গলায়। সেই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্যের পোস্ট, ‘২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের প্রচারে বিদেশি হস্তক্ষেপের আশঙ্কা নিয়ে বারবার সতর্ক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এখন ডোনাল্ড ট্রাম্পও নিশ্চিত করছেন, ভারতের নির্বাচনকে বাইরে থেকে প্রভাবিত করে অন্য কাউকে প্রধানমন্ত্রী পদে বসানোর চেষ্টা চলেছিল। সেজন্য ভারতে বিদেশ থেকে টাকা ঢালা হয়েছিল।’ বিজেপি নেতার আরও অভিযোগ, ‘২০২৩ সালে মার্চে লন্ডনে গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। আমেরিকা থেকে ইউরোপ— সব বিদেশি শক্তির কাছে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি।’ মার্কিন ধনকুবের জর্জ সোরোস ও তাঁর ফাউন্ডেশনের নাম অবশ্য নেননি তিনি। তবে সাফ বলেছেন, ‘ভারতের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থকে বিপন্ন করতে আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন রাহুল গান্ধী।’ পাল্টা কংগ্রেসের মুখপাত্র জয়রাম রমেশের পোস্ট, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি সম্পূর্ণ ভুলভাল। তা সত্ত্বেও দশকের পর দশক ধরে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলির কাছে আসা ইউএস-এইডের অনুদান নিয়ে যত দ্রুত সম্ভব বিস্তারিত তথ্য সহ শ্বেতপত্র প্রকাশ করা উচিত ভারত সরকারের।’



