নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: ধান ভিজে রয়েছে। এই অজুহাতে চাষিদের থেকে ক্যাম্পের কর্মীরা ওজনে বেশি ধান নিচ্ছে। বুধবার মঙ্গলকোটে ধান কেনার কাজ খতিয়ে দেখতে গিয়ে এমনই অভিযোগ শুনলেন জেলাশাসক আয়েশা রানি এ। অভিযোগের সত্যতাও তিনি পেয়েছেন। সমবায় বা অন্য ক্যাম্পে থাকা কর্মীদের তিনি সতর্ক করেছেন। এভাবে চাষিদের থেকে বেশি ধান নেওয়া যাবে না বলে তিনি জানিয়েছেন। আর্দ্রতার জন্য কত শতাংশ ধান বাদ দেওয়া হচ্ছে তা রেজিস্টার খাতায় নথিভুক্ত করার নির্দেশ তিনি দিয়েছেন। তবে জেলাশাসক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তাঁরা প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে চাষিদের থেকে ধান কিনছেন। তাতে চাষিরা উপকৃত হচ্ছেন।
Advertisement
এদিন জেলাশাসক মঙ্গলকোটের কৈচর, ভাতার এবং কাটোয়ার কয়েকটি ক্যাম্পে যান। তিনি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি চাষিদের কাছে থেকেও সমস্যার কথা জানতে চান। তখনই তাঁরা এই অভিযোগ করেন। জেলাশাসক বলেন, বিভিন্ন ব্লকে ক্যাম্পে পরিদর্শন করা হচ্ছে। চাষিরা যাতে সুষ্ঠভাবে ধান বিক্রি করতে পারেন তার বন্দোবস্ত করা হচ্ছে। এদিন ভাতারের কৃষক বাজারে গিয়েও সেখানকার চাষিদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের কথা শুনেছি। যেসব অভযোগগুলি উঠে এসেছে সেসব খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধানে কতটা আদ্রতা থাকলে ক্রয়কেন্দ্রে নেওয়া যাবে তার স্পষ্ট গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে। বেশি আর্দ্রতা থাকলে চাষিদের ধান আরও একবার শুকিয়ে আনতে বলা হবে।
খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানে এবার আট লক্ষ মেট্রিকটন ধান কেনার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। ৭৯টি ক্রয়কেন্দ্রে সরকার সরাসরি ধান কিনছে। এছাড়া সমবায় সমিতি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিও ধান কিনছে। এক আধিকারিক বলেন, বেশিরভাগ চাষি ক্যাম্পে ভালো ধান আনেন। এক শ্রেণির চাষি ইচ্ছেকৃতভাবে ভেজানো ধান নিয়ে আসেন। বেশি আদ্রতা থাকলে ধানের ওজন বেশি হয়। সেই সুযোগ তারা কাজে লাগাতে চায়। আবার অনেকে ধানের সঙ্গে বালি বা মাটি মিশিয়ে নিয়ে আসেন। তাঁদের জন্য সমস্যা হয়। তবে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকলে চাষিদের ফেরানো যাবে না।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, খোদ জেলাশাসক নিজে বিভিন্ন ক্যাম্পে পরিদর্শন করায় চাষিরা খুশি। তিনি এর আগেও মেমারিতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা সমস্যার কথা জেলাশাসককে জানাতে পারছেন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাওয়ায় চাষিরা স্বস্তি পাচ্ছেন। সুষ্ঠভাবে ধান কেনার জন্য কয়েক দিন আগে খাদ্যদপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলাশাসক বৈঠক করেন। ভাতার এবং মঙ্গলকোটে ব্লকে ধান কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ওই ব্লকগুলির দিকে জেলা প্রশাসন বিশেষ নজর দিয়েছে। রাইসমিলে প্রতিদিন কত ধান যাচ্ছে সেই হিসেব আধিকারিকরা প্রতিদিনই নিচ্ছেন।
খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বর্ধমানে এবার আট লক্ষ মেট্রিকটন ধান কেনার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। ৭৯টি ক্রয়কেন্দ্রে সরকার সরাসরি ধান কিনছে। এছাড়া সমবায় সমিতি এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলিও ধান কিনছে। এক আধিকারিক বলেন, বেশিরভাগ চাষি ক্যাম্পে ভালো ধান আনেন। এক শ্রেণির চাষি ইচ্ছেকৃতভাবে ভেজানো ধান নিয়ে আসেন। বেশি আদ্রতা থাকলে ধানের ওজন বেশি হয়। সেই সুযোগ তারা কাজে লাগাতে চায়। আবার অনেকে ধানের সঙ্গে বালি বা মাটি মিশিয়ে নিয়ে আসেন। তাঁদের জন্য সমস্যা হয়। তবে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকলে চাষিদের ফেরানো যাবে না।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, খোদ জেলাশাসক নিজে বিভিন্ন ক্যাম্পে পরিদর্শন করায় চাষিরা খুশি। তিনি এর আগেও মেমারিতে গিয়ে চাষিদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁরা সমস্যার কথা জেলাশাসককে জানাতে পারছেন। সমস্যার সমাধান হয়ে যাওয়ায় চাষিরা স্বস্তি পাচ্ছেন। সুষ্ঠভাবে ধান কেনার জন্য কয়েক দিন আগে খাদ্যদপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে জেলাশাসক বৈঠক করেন। ভাতার এবং মঙ্গলকোটে ব্লকে ধান কেনার প্রক্রিয়া নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ওই ব্লকগুলির দিকে জেলা প্রশাসন বিশেষ নজর দিয়েছে। রাইসমিলে প্রতিদিন কত ধান যাচ্ছে সেই হিসেব আধিকারিকরা প্রতিদিনই নিচ্ছেন।



