নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘আপনার হ্যান্ড ব্যাগে কি পাওয়ার ব্যাঙ্ক আছে?’ প্রশ্ন শুনে বিমানযাত্রীর উত্তর মুহূর্তের মধ্যে তোলপাড় ফেলে দিল। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল কলকাতা বিমানবন্দরজুড়ে। যাত্রীটির বক্তব্য, ‘আমার ব্যাগে বোমা আছে।’ প্রবল হইচইয়ের মধ্যে তাঁর ব্যাগের মধ্যে থাকা বোমা খোঁজা শুরু হল। প্রায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ শুরু করলেন সিআইএসএফ জওয়ানরা। আনা হল স্নিফার ডগ।
Advertisement
ঘটনাটি মঙ্গলবারের। বিমানবন্দরে ভোর থেকে ঠিকঠাক চলছে বিমানের ওঠানামা। স্বাভাবিক ছন্দেই সবকিছু। কিন্তু আচমকা আলোড়ন ফেলে দিল সকাল সাড়ে ১০টার ঘটনা। তখন যাত্রীদের ঠাসা ভিড়। একের পর এক বিমান আসা যাওয়া করছে। আন্তর্জাতিক, অন্তর্দেশীয় বিমানের লম্বা সারি। সে তালিকায় আছে স্পাইসজেটের ‘এসজি৪৫৪’ বিমানটিও। সেটি ১১টা ২৫ মিনিটে কলকাতা থেকে মুম্বই রওনা দেবে।
সাড়ে দশটা নাগাদ ‘পোর্টাল ডি’ চেক ইন এরিয়াতে লাগেজ সম্পর্কে এয়ারলাইন স্টাফের সঙ্গে কথা চলছে বিমানযাত্রী অভিজিৎ কুমার সিংয়ের। তিনি বছর আঠাশের যুবক। ‘ব্যাগে কি পাওয়ার ব্যাঙ্ক আছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎবাবুর হিন্দিতে জবাব, ‘মেরে ব্যাগ মে বম্ব হ্যায়।’ এমন অপ্রত্যাশিত ও ভয়ানক উত্তর আসার পর স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল। মুহূর্তে অ্যালার্ট জারি কলকাতা বিমানবন্দরের টার্মিনাল এরিয়ায়। সিআইএসএফ জওয়ানরা ছুটে এলেন। অভিজিৎকে ঘিরে আলাদা জায়গায় নিয়ে গিয়ে শুরু হল ব্যাগ পরীক্ষা। এল বম্ব স্কোয়াড। এল স্নিফার ডগ। তখন বিমানবন্দর ভিড়ে ঠাসা। কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে অতিরিক্ত সুরক্ষায় কার্যত মুড়ে ফেলা হল চত্বর। অভিজিতের ব্যাগ খুঁটিয়ে পরীক্ষার কাজ চলল ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত টানা। তারপর সবাই নিশ্চিন্ত। ব্যাগে বোমা নেই। কোনওরকম বিস্ফোরক পদার্থ নেই। হাঁফ ছাড়লেন নিরাপত্তারক্ষীরা। স্বস্তি ফিরল বিমানবন্দরে। অভিজিৎবাবু ‘বোমা আছে’ বলে কেন হঠাৎ গুজব ছড়ালেন? শুরু হল এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা।
এরপর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানার হাতে অভিজিৎকে তুলে দেওয়া হয়। গুজব ছড়ানোর কারণ জানার চেষ্টা চলছে। শুরু হয়েছে অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়াও।
সাড়ে দশটা নাগাদ ‘পোর্টাল ডি’ চেক ইন এরিয়াতে লাগেজ সম্পর্কে এয়ারলাইন স্টাফের সঙ্গে কথা চলছে বিমানযাত্রী অভিজিৎ কুমার সিংয়ের। তিনি বছর আঠাশের যুবক। ‘ব্যাগে কি পাওয়ার ব্যাঙ্ক আছে? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিজিৎবাবুর হিন্দিতে জবাব, ‘মেরে ব্যাগ মে বম্ব হ্যায়।’ এমন অপ্রত্যাশিত ও ভয়ানক উত্তর আসার পর স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল। মুহূর্তে অ্যালার্ট জারি কলকাতা বিমানবন্দরের টার্মিনাল এরিয়ায়। সিআইএসএফ জওয়ানরা ছুটে এলেন। অভিজিৎকে ঘিরে আলাদা জায়গায় নিয়ে গিয়ে শুরু হল ব্যাগ পরীক্ষা। এল বম্ব স্কোয়াড। এল স্নিফার ডগ। তখন বিমানবন্দর ভিড়ে ঠাসা। কোনওরকম ঝুঁকি না নিয়ে অতিরিক্ত সুরক্ষায় কার্যত মুড়ে ফেলা হল চত্বর। অভিজিতের ব্যাগ খুঁটিয়ে পরীক্ষার কাজ চলল ১১টা ১০ মিনিট পর্যন্ত টানা। তারপর সবাই নিশ্চিন্ত। ব্যাগে বোমা নেই। কোনওরকম বিস্ফোরক পদার্থ নেই। হাঁফ ছাড়লেন নিরাপত্তারক্ষীরা। স্বস্তি ফিরল বিমানবন্দরে। অভিজিৎবাবু ‘বোমা আছে’ বলে কেন হঠাৎ গুজব ছড়ালেন? শুরু হল এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা।
এরপর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থানার হাতে অভিজিৎকে তুলে দেওয়া হয়। গুজব ছড়ানোর কারণ জানার চেষ্টা চলছে। শুরু হয়েছে অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়াও।



