সংবাদদাতা, বেলদা: ট্রাই থেকে ফোন করছি। আপনার নম্বর ব্যবহার করে জালিয়াতি হচ্ছে। আপনার নামের আধার কার্ড ব্যবহার করে সিম তুলে নানা রকম অসামাজিক কাজ হচ্ছে। অবিলম্বে সেগুলি বন্ধ করতে হবে। এভাবে সাধারণ মানুষকে ভয় পাইয়ে সাইবার অপরাধীদের টাকা হাতানোর ঘটনা শোনা যায়। তা বলে একেবারে বিডিও’র অ্যাকাউন্ট সাফ! যিনি কি না নিজেই সাধারণ মানুষকে সচেতন করেন। তাঁরই অ্যাকাউন্ট থেকে এক লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিল সাইবার প্রতারকরা। দাঁতন-১ বিডিও প্রতারণার শিকার হয়েছেন।
Advertisement
ফোন পেয়ে চমকে গিয়েছিলেন বিডিও। তৎক্ষণাৎ জানতে চান কীভাবে তা বন্ধ করা যাবে? ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলা হয়, মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। তারা যা বলবে সেই মতো কাজ করতে হবে। তবেই সিমটি নিজের নামে হবে। এরপর মুম্বইয়ের ক্রাইম ব্রাঞ্চের নামে প্রতারকের ভিডিও কল আসে। তাদের পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতেই তিন দফায় বিডিওর অ্যাকাউন্ট থেকে এক লক্ষ টাকা কেটে নেওয়া হয়। সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ দায়ের করেছেন দাঁতন-১ বিডিও চিরঞ্জিৎ রায়। সাইবার প্রতারণা নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতনতার বার্তা দেওয়া খোদ বিডিওর সঙ্গেই এই ধরনের প্রতারণার ঘটনায় তাজ্জব সকলে।
সম্প্রতি সাইবার ক্রাইমের নতুন কৌশল ‘ডিজিটাল অ্যারেস্টের কথা’ জানিয়ে ছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। গত ১০মাসে এভাবে সাইবার প্রতারকরা ২ হাজার ১৪০কোটি টাকা হাতিয়েছে। এমনই তথ্য দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রতারকরা ইডি, সিবিআই সহ নানা ধরনের এজেন্সির নাম করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার খপ্পরে ফেলছে। আর এমনই সাইবার প্রতারণার খপ্পরে পড়লেন দাঁতন-১ বিডিও।
চিরঞ্জিৎবাবু জানান, দুর্গাপুজোর সময় হঠাৎ করে তাঁর ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ কল আসে। নিজেকে ট্রাইয়ের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারক বলে, তাঁর মোবাইল নম্বরটি বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর আধার কার্ড ক্লোন করে একাধিক সিম মুম্বইয়ে তোলা হয়েছে। তা দিয়ে চলছে অপরাধমূলক কাজ। এরকম ফোন কল পেয়ে তিনি ভড়কে যান। একবারের জন্যও বুঝতে পারেননি তিনি প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন। এরপর ওই প্রতারক বলে, এই কলটি মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চে ট্রান্সফার করা হচ্ছে। সেখানে যা যা বলা হবে সেই মতো কাজ করবেন।
এরপর তাঁর কাছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কল আসে। সেখানে তিনি দেখতে পান, একটি অফিসে বেশ কয়েকজন পুলিস আধিকারিক বসে রয়েছেন। তখনও তাঁর সন্দেহ হয়নি। বিভিন্ন কথায় তাঁকে ভোলানো হয়। রীতিমতো ভয় দেখানো হয়। এরপর তাঁকে বেশ কয়েকটি লিঙ্ক পাঠানো হয়। প্রতারকদের কথায় ভুলে সেই লিঙ্কে ক্লিক করতেই তিন দফায় এক লক্ষ টাকা ডেবিট হয়ে যায়। তখন তিনি বুঝতে পারেন, প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছেন। এরপর ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টালে তিনি অনলাইনে রিপোর্ট করেন। চটজলদি রিপোর্ট করায় অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যায়, টাকাটি প্রতারকরা আর হাতাতে পারেনি। তবে এখনও নিজের অ্যাকাউন্টে তিনি সেই টাকা ফেরত পাননি।
বিডিও বলেন, আমি নিজে সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন করি। কিন্তু, এভাবে সাইবার জালিয়াতির খপ্পরে পড়ে যাব ভাবতে পারিনি। পুজোর সময় এমনভাবে ফোনটি এসেছিল আমি কোনভাবেই বুঝতে পারিনি। যেভাবে ভিডিও কলে অফিসারদের দেখানো হয়েছিল আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। পরে যখন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে যায়, তখন বুঝতে পারি। আমার ইউপিআই লিমিট এক লক্ষ টাকা করা ছিল বলে এর বেশি টাকা কাটতে পারেনি প্রতারকরা।
সম্প্রতি সাইবার ক্রাইমের নতুন কৌশল ‘ডিজিটাল অ্যারেস্টের কথা’ জানিয়ে ছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। গত ১০মাসে এভাবে সাইবার প্রতারকরা ২ হাজার ১৪০কোটি টাকা হাতিয়েছে। এমনই তথ্য দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। প্রতারকরা ইডি, সিবিআই সহ নানা ধরনের এজেন্সির নাম করে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার খপ্পরে ফেলছে। আর এমনই সাইবার প্রতারণার খপ্পরে পড়লেন দাঁতন-১ বিডিও।
চিরঞ্জিৎবাবু জানান, দুর্গাপুজোর সময় হঠাৎ করে তাঁর ফোনে একটি হোয়াটসঅ্যাপ কল আসে। নিজেকে ট্রাইয়ের আধিকারিক পরিচয় দিয়ে প্রতারক বলে, তাঁর মোবাইল নম্বরটি বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁর আধার কার্ড ক্লোন করে একাধিক সিম মুম্বইয়ে তোলা হয়েছে। তা দিয়ে চলছে অপরাধমূলক কাজ। এরকম ফোন কল পেয়ে তিনি ভড়কে যান। একবারের জন্যও বুঝতে পারেননি তিনি প্রতারকের খপ্পরে পড়েছেন। এরপর ওই প্রতারক বলে, এই কলটি মুম্বই ক্রাইম ব্রাঞ্চে ট্রান্সফার করা হচ্ছে। সেখানে যা যা বলা হবে সেই মতো কাজ করবেন।
এরপর তাঁর কাছে একটি হোয়াটসঅ্যাপ ভিডিও কল আসে। সেখানে তিনি দেখতে পান, একটি অফিসে বেশ কয়েকজন পুলিস আধিকারিক বসে রয়েছেন। তখনও তাঁর সন্দেহ হয়নি। বিভিন্ন কথায় তাঁকে ভোলানো হয়। রীতিমতো ভয় দেখানো হয়। এরপর তাঁকে বেশ কয়েকটি লিঙ্ক পাঠানো হয়। প্রতারকদের কথায় ভুলে সেই লিঙ্কে ক্লিক করতেই তিন দফায় এক লক্ষ টাকা ডেবিট হয়ে যায়। তখন তিনি বুঝতে পারেন, প্রতারকদের খপ্পরে পড়েছেন। এরপর ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম পোর্টালে তিনি অনলাইনে রিপোর্ট করেন। চটজলদি রিপোর্ট করায় অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ হয়ে যায়, টাকাটি প্রতারকরা আর হাতাতে পারেনি। তবে এখনও নিজের অ্যাকাউন্টে তিনি সেই টাকা ফেরত পাননি।
বিডিও বলেন, আমি নিজে সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন করি। কিন্তু, এভাবে সাইবার জালিয়াতির খপ্পরে পড়ে যাব ভাবতে পারিনি। পুজোর সময় এমনভাবে ফোনটি এসেছিল আমি কোনভাবেই বুঝতে পারিনি। যেভাবে ভিডিও কলে অফিসারদের দেখানো হয়েছিল আমি ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। পরে যখন অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে যায়, তখন বুঝতে পারি। আমার ইউপিআই লিমিট এক লক্ষ টাকা করা ছিল বলে এর বেশি টাকা কাটতে পারেনি প্রতারকরা।



