সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: গভীর রাতে ইনস্টাগ্রামে ‘আলবিদা’ পোস্ট করার পর এক ফার্মাসি ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হল। মৃতের নাম ইনজামামউল হক(২১)। তাঁর বাড়ি সূতি থানার রঘুনাথপুর গ্রামে। পুলিস দেহ ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
Advertisement
ওই যুবক বারাসাতের একটি বেসরকারি ইউনিভার্সিটির ফার্মাসি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তাঁর আকস্মিক মৃত্যুর ঘটনায় হতভম্ব পরিবারের লোকজন। প্রণয়ঘটিত কারণে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে পুলিসের অনুমান।
সূতি থানার এক আধিকারিক বলেন, ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। প্রণয়ঘটিত কারণে অভিমানে সে আত্মঘাতী হয়েছে বলে আমাদের প্রাথমিক অনুমান।
ওই যুবক বারাসাতে থেকেই পড়াশোনা করতেন। তাঁর ফার্মাসি কোর্সের ফাইনাল সিমেস্টার চলছিল। বুধবার এক সপ্তাহের ছুটিতে বাড়ি ফেরেন। পরিবারের লোকজনের দাবি, তাঁর কথাবার্তা ও আচার-আচরণে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নজরে পড়েনি। দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ারও ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। রাতে বাড়ির সবার সঙ্গে খাবার খেয়ে ঘরে শুতে যান। রাত প্রায় ১২টা নাগাদ তিনি ইনস্টাগ্রামে ‘আলবিদা’ বলে স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাস দেখে তাঁর বন্ধুবান্ধবদের অনেকেই ফোন করেন। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। ফোনে না পেয়ে স্থানীয় এক বন্ধু রাতেই তার বাড়িতে পৌঁছন। তিনি ওই ছাত্রের পরিবারের সদস্যদের ডেকে পোস্টের বিষয়টি জানান। তখন পরিবারের সদস্যরা ঘুরে ঢুকে দেখেন, ওই ফার্মাসি পড়ুয়া গলায় গামছার ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। তড়িঘড়ি সূতির মহেশাইল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের দাদা আক্কাস আলি বলেন, ও হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বুঝে উঠতে পারছি না। ভাই বলেছিল ছুটিতে এক সপ্তাহ থাকবে। বাইকে করে দার্জিলিং ঘুরতে যাবে। ওর প্রেমের বিষয়ে আমাদের কিছু জানা নেই।
সূতি থানার এক আধিকারিক বলেন, ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনও কোনও লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। প্রণয়ঘটিত কারণে অভিমানে সে আত্মঘাতী হয়েছে বলে আমাদের প্রাথমিক অনুমান।
ওই যুবক বারাসাতে থেকেই পড়াশোনা করতেন। তাঁর ফার্মাসি কোর্সের ফাইনাল সিমেস্টার চলছিল। বুধবার এক সপ্তাহের ছুটিতে বাড়ি ফেরেন। পরিবারের লোকজনের দাবি, তাঁর কথাবার্তা ও আচার-আচরণে কোনও অস্বাভাবিকত্ব নজরে পড়েনি। দার্জিলিং ঘুরতে যাওয়ারও ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন। রাতে বাড়ির সবার সঙ্গে খাবার খেয়ে ঘরে শুতে যান। রাত প্রায় ১২টা নাগাদ তিনি ইনস্টাগ্রামে ‘আলবিদা’ বলে স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাস দেখে তাঁর বন্ধুবান্ধবদের অনেকেই ফোন করেন। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। ফোনে না পেয়ে স্থানীয় এক বন্ধু রাতেই তার বাড়িতে পৌঁছন। তিনি ওই ছাত্রের পরিবারের সদস্যদের ডেকে পোস্টের বিষয়টি জানান। তখন পরিবারের সদস্যরা ঘুরে ঢুকে দেখেন, ওই ফার্মাসি পড়ুয়া গলায় গামছার ফাঁস লাগিয়ে ঝুলছেন। তড়িঘড়ি সূতির মহেশাইল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
মৃতের দাদা আক্কাস আলি বলেন, ও হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল বুঝে উঠতে পারছি না। ভাই বলেছিল ছুটিতে এক সপ্তাহ থাকবে। বাইকে করে দার্জিলিং ঘুরতে যাবে। ওর প্রেমের বিষয়ে আমাদের কিছু জানা নেই।



