সংবাদদাতা, লালবাগ: রবিবার সকালে নবগ্রাম থানার মেহেদিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে লরির ধাক্কা। ঘটনায় দুইজন শিশুসহ ১৭ জন জখম হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও মেহেদিপুর টোলপ্লাজার কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তড়িঘড়ি জখম বাসযাত্রীদের উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচজনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। লালবাগ মহকুমা পুলিস আধিকারিক আকুলকর রাকেশ মহাদেব বলেন, দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। তবে কেউ মারা যাননি।
Advertisement
জানা গিয়েছে, এদিন সকালে যাত্রীবাহী বেসরকারি বাসটি সাগরদিঘি থেকে বহরমপুরের দিকে যাচ্ছিল। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মেহেদিপুর বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে রাস্তার পাশে থাকা একটি লরিকে পিছনদিক থেকে এসে সজোরে ধাক্কা মারে। গতিবেগ বেশি থাকায় বাসের সামনের অংশ সম্পূর্ণ দুমড়েমুচড়ে যায়। আচমকাই এই ঘটনায় যাত্রীরা আর্তনাদ শুরু করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় বেশ কয়েকজন বাসের মধ্যেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও টোলপ্লাজার কর্মীরা তাদের বাস থেকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এদিকে দুর্ঘটনার জেরে যান চলাচল ব্যাহত হয়। ফলে বেশ কিছুক্ষণের জন্য ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে নবগ্রাম থানার পুলিস ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। পুলিসের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসেই বহরমপুরে যাচ্ছিলেন সাগরদিঘির বাসিন্দা মিনারুল শেখ। তিনি বলেন, বাসে প্রায় ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন।



