


নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ডিভিসির ছাড়া জলে টানা কয়েকদিন ধরে প্লাবিত খানাকুলের নিচু এলাকাগুলি। তার জেরে দুর্ভোগে পড়েছেন বাসিন্দারা। রাস্তায় জল জমে থাকায় একাধিক স্কুল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্থগিত হয়ে গিয়েছে প্রাথমিকের দ্বিতীয় পর্যায় ক্রমিক মূল্যায়ন। তবে বুধবার ডিভিসি গত কয়েকদিনের তুলনায় জল ছাড়ার পরিমাণ কিছুটা কমিয়েছে। সেচদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ডিভিসি ৫৯ হাজার কিউসেক জল ছেড়েছে। এছাড়া রূপনারায়ণ নদের জলস্তরও কিছুটা কমেছে। এদিন সেখানে জলস্তর ছিল ৬.৩৯ মিটার। এছাড়া আরামবাগ মহকুমার দ্বারকেশ্বর, দামোদর ও মুন্ডেশ্বরী নদীতে জলস্তর কিছুটা কমেছে। খানাকুল ২-এর বিডিও মহম্মদ জাকারিয়া বলেন, ডিভিসি জল ছাড়ার পরিমাণ কিছুটা কমিয়েছে। কিন্তু নিচু এলাকাগুলিতে যে জল রয়েছে তা নামতে আরেকটু সময় লাগতে পারে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি। খানাকুল ২ ব্লকের মারোখানা উত্তর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৯ জন পড়ুয়া রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকা মিলিয়ে রয়েছেন তিনজন। গত সোমবার থেকে সেখানে প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির দ্বিতীয় পর্যায় ক্রমিক মূল্যায়ন শুরু হয়। কিন্তু স্কুলের সামনে গত কয়েকদিন ধরে জল জমে রয়েছে। তাই সেখানে স্কুল বন্ধ রেখে পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষক বিধানচন্দ্র পাত্র বলেন, স্কুলের রাস্তায় প্রায় কোমর সমান জল। পড়ুয়াদের নিরাপত্তার কথা ভেবে স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। মারোখানায় রয়েছে শ্যাম মাজি বন্দর পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানেও প্রায় ৫০ জন পড়ুয়া রয়েছে।