নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এপার বাংলার প্রেমিক। প্রতিশ্রুতিতে ভরসা করে বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে আসেন প্রেমিকা। কিন্তু হাবড়ায় পৌঁছনোর পর প্রেমিক বিয়েতে আপত্তি জানান। তা নিয়ে কথা কাটাকাটি আর চিৎকার শুরু হয় দু’জনের মধ্যে। দু’জনের আচরণে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তাঁরা হাবড়া থানায় জানান। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। তবে দু’জনের কারও বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না থাকায় এবং নথিপত্র ঠিকঠাক থাকায় ছেড়ে দেয় পুলিশ। জানা গিয়েছে, দু’জনে হাবড়া ছেড়ে চলে গিয়েছেন। বাংলাদেশের নাটোরের বাসিন্দা নূপুর সরকার। তিনবছর আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাঁর পরিচয় হয়েছিল ছোটো জাগুলিয়ার বিমল মজুমদার নামে এক তরুণের সঙ্গে। সোশ্যাল মিডিয়ার আলাপ জমে ওঠে তাঁদের। তা গড়ায় প্রেমে। এরপর বিমল বিয়ের প্রস্তাব দেন নূপুরকে। তরুণী জানান, প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে ভারতে আসার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। ভারতে আসার জন্য পাসপোর্ট ও ভিসার খরচ দেন বিমল। তারপর বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসেন নূপুর। তবে ভারতে আসার পরই পরিস্থিতি যায় বদলে। বিমল বিয়ে করতে অস্বীকীর করলে হাবড়ার চোংদা মোড়ে দু’জনের কথা কাটাকাটি হয়। তাঁদের আচরণে সন্দেহ হয় স্থানীয়দের। তাঁরা খবর দেন হাবড়া থানায়। পুলিশ দু’জনকে থানায় নিয়ে যায়। জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জানতে পারে, নূপুর বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়েই ভারতে এসেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ কেউ করেননি। বিমলের বিরুদ্ধেও কোনো অভিযোগ দায়ের করেনি কেউ। ফলে আইনগত সমস্যা না থাকায় দু’জনকেই ছেড়ে দেয় পুলিশ। নুপূর বলেন, ‘বিমল বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর ভারতে এসেছি। এখন বিয়ে করতে আপত্তি করছে ও।’ পুলিশও জানায়, নূপুর বৈধ পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়েই ভারতে আসেন। কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি। তাঁরা এলাকা থেকে চলে গিয়েছেন।’



