কেমন চলছে রুবেল ও শ্বেতার সংসার? শ্যুটিং ফ্লোরে আড্ডা দিলেন অভিনেতা জুটি।
কেমন চলছে রুবেল ও শ্বেতার সংসার? শ্যুটিং ফ্লোরে আড্ডা দিলেন অভিনেতা জুটি।
• বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় জুটি রুবেল দাস এবং শ্বেতা ভট্টাচার্য। রিল লাইফ পেরিয়ে রিয়েল লাইফেও জুটি বেঁধেছেন তারা। ধারাবাহিকে অভিনয় করতে গিয়েই দু’জনের প্রেম। যদিও এখন একই ধারাবাহিকে জুটি হিসেবে তাঁরা কাজ করেন না। তবুও শ্বেতা-রুবেলের জুটিকে আবারও পর্দায় দেখতে ইচ্ছুক অনুরাগীরা।
রুবেল এখন ‘তুই আমার হিরো’র সুপারস্টার শাক্যজিৎ এবং ‘কোন গোপনে মন ভেসেছে’র শ্যামলী হলেন শ্বেতা। বিয়ের পর কেমন চলছে তাঁদের সংসার? দু’জনেই সবটা ম্যানেজ করে একে অপরের পাশে থাকছেন। একই স্টুডিওতে দু’জনের ধারাবাহিকের শ্যুটিং হওয়ার কারণে একটু বিরতি পেলেই একে অপরের সঙ্গে দেখা করে নিচ্ছেন। দিনকয়েক আগে রুবেলের ধারাবাহিকের ফ্লোরে দেখা গেল শ্বেতাকে। হাসিমুখে বললেন, ‘একই জায়গায় কাজ করার জন্য ভালো কোয়ালিটি টাইম কাটাতে পারি। সময় পেলেই আমরা একটু দেখা করে নিই। একসঙ্গে বাড়ি ফিরতে পারি।’ রুবেলের কথায়, ‘আমি মনে করি এটা ভগবানের আশীর্বাদ। আমরা একই জায়গায় শ্যুটিং করি। প্রায় ১৪-১৫ ঘণ্টা আমাদের কাজ করতে হয়। তার মধ্যে আমরা অনেকটা সময় একসাথে থাকতে পারি।’
রুবেলের চরিত্র শাক্যজিৎ সুপারস্টার। অভিনয় করতে গিয়ে ‘হিরো’র লাইফস্টাইলের কতটা খুঁটিনাটি আত্মস্থ করতে পেরেছেন? রুবেল বললেন, ‘যেকোনও মানুষই নিজের জীবনে হিরো হতে পারেন। হিরো মানেই যে তাঁকে অ্যাকশন করতে হবে এমন কোনও ব্যাপার নয়। এখন হিরোর সংজ্ঞা বদলে গিয়েছে। আমি এর আগে যেসব চরিত্র করেছি তারা ধীরে ধীরে হিরো হয়ে উঠেছিল। কিন্তু, শাক্যজিৎ প্রথম থেকেই সুপারস্টার। তাই তার ম্যানারিজম, স্টাইল স্টেটমেন্ট এগুলো আমি নিজেই ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। কাউকে অনুসরণ করিনি।’
দাম্পত্যে কতটা বদলেছে সম্পর্কের সমীকরণ? রুবেলের উত্তর, ‘অনেক ক্ষেত্রে শুনি বিয়ের পর দায়িত্বের বোঝার জন্য প্রেম কমে যায়। কিন্তু, আমাদের ব্যাপারটা সেরকম নয়। একে অপরের দায়িত্বটা আমাদের কাছে বোঝা নয়।’ আপনাদের ঝগড়া হয়? ‘ঝগড়া ছাড়া কোনও সম্পর্ক হয় না। ঝগড়া না থাকলে সম্পর্কটা খুব যান্ত্রিক হয়ে যাবে। আমাদের ঝগড়ার পরে ভালোবাসা আরও বেড়ে যায়’, এবার উত্তর দিলেন শ্বেতা।
পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা কি দাম্পত্যে প্রভাব ফেলে? শ্বেতার দিকে একপলক তাকিয়ে রুবেল বললেন, ‘আমার স্বীকার করতে কোনও দ্বিধা নেই, শ্বেতা আমার থেকে অনেক বেশি ট্যালেন্টেড। আমরা একে অপরের কাজের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।’ একই সুর শ্বেতার কথায়। ‘আমাদের মধ্যে কোনও প্রতিযোগিতা নেই। আমার কাজ যদি কাজ বন্ধ হয়, আমি চাইব ওর কাজটা ঠিকভাবে চলুক। যাতে আমাদের সংসারটা ঠিকভাবে চলে। উল্টোটাও সত্যি।’ ---পূর্বাশা দাস