সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ পুরসভার লোলাবাগ শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য বন্ধ হওয়ার পর নোটিস দেওয়ার ২১ দিন পার। এখনও পর্যন্ত ওই চুল্লি ঠিক না হওয়ায় একের পর এক শবদেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: পুরাতন মালদহ পুরসভার লোলাবাগ শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য বন্ধ হওয়ার পর নোটিস দেওয়ার ২১ দিন পার। এখনও পর্যন্ত ওই চুল্লি ঠিক না হওয়ায় একের পর এক শবদেহ ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হচ্ছে বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা।
মঙ্গলবার শহরের এক মহিলার দেহ নিয়ে পরিবারের সদস্যরা লোলাবাগ শ্মশানে গিয়েছিলেন। ইলেকট্রিক চুল্লি ঠিক হয়নি দেখে তাঁরা ক্ষুব্ধ। এদিন ওই শ্মশানে বাধ্য হয়ে খড়ি দিয়ে শেষকৃত্য করতে হয় তাঁদের।
অভিযোগ, খড়ি দিয়ে দাহ করতে যাওয়ার রাস্তা জঙ্গলে ঘেরা বলে নদীর ধার দিয়ে শবযাত্রীরা যাচ্ছেন। পুরসভার ঢিলেমি নিয়ে এলাকায় অসন্তোষ ছড়িয়েছে। শবযাত্রী কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, আমার বাড়ি নবাবগঞ্জ এলাকায়। এদিন দেহ নিয়ে গিয়েছিলাম। দেখি প্রায় একমাস ইলেকট্রিক চুল্লি খারাপ হলেও সারানো হয়নি। সুপারভাইজার সহ কেউ সেখানে থাকেন না। শ্মশানের পিছনে খড়ি দিয়ে দাহ করেছি।
পুরসভা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ১১ মার্চ শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের লোলাবাগে ইলেকট্রিক চুল্লি (টাইপ-১) চালু হয়। চলতি মাসের ১৯ মার্চ যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য দাহ বন্ধ বলে পুরসভা নোটিস দিয়েছিল। কাউন্সিলার বাসন্তী রায় বলেন, খুব খারাপ অবস্থা শ্মশানের। একটি মাত্র ইলেকট্রিক চুল্লি, সেটিও মাসখানেক খারাপ হয়ে পড়ে। সেখানে স্নান ঘাট, অস্থি ঘাটের অবস্থা ভালো নয়। মানুষের ভোগান্তির অন্ত নেই। আমরা একাধিকবার পুরসভায় জানালেও কাজ হয়নি।
পুরসভার চেয়ারম্যান কার্তিক ঘোষ বলেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। আমরা দ্রুত ইলেকট্রিক চুল্লি ঠিক করে দেব। সব কাজ হয়ে গেলে কোনও অসুবিধা থাকবে না।