Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাউড়িয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ডে অতিরিক্ত বর্জ্য ফেলা নিয়ে অসন্তোষ স্থানীয় বাসিন্দাদের

উলুবেড়িয়া পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীতলার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পের কাজ চলছে।

বাউড়িয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ডে অতিরিক্ত বর্জ্য ফেলা নিয়ে অসন্তোষ স্থানীয় বাসিন্দাদের
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: উলুবেড়িয়া পুরসভার ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের বাণীতলার ডাম্পিং গ্রাউন্ডে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্পের কাজ চলছে। এই প্রকল্প শেষ হতে আরও কিছটা সময় লাগবে। এই অবস্থায় অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা হিসাবে উলুবেড়িয়া পুরসভার বর্জ্য (জৈব ও চিকিৎসা বর্জ্য ছাড়া) অস্থায়ীভাবে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাউড়িয়ার ইস্ট বুড়িখালি ডাম্পিং গ্রাউন্ডে ফেলার সিদ্ধান্ত নিল উলুবেড়িয়া পুরসভা। এই ব্যাপারে পুরসভার পক্ষ থেকে একটি নোটিশও দেওয়া হয়েছে। যদিও পুরসভার এই সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এই এলাকার বাসিন্দারা। তাঁরা এই ব্যাপারে জেলাশাসক, উলুবেড়িয়া মহকুমা শাসক, পুরসভার চেয়ারম্যান ও দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে চিঠি দিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন।

Advertisement

৩২ ওয়ার্ডে উলুবেড়িয়া পুরসভার দু’টি ডাম্পিং গ্রাউন্ড আছে। একটি উলুবেড়িয়ায় ও অপরটি বাউড়িয়ায়। তবে বাউড়িয়ার থেকে উলুবেড়িয়ার ডাম্পিং গ্রাউন্ড তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বড়। প্রতিদিন গড়ে ৬০/৭০ টন বর্জ্য এখানে জমা হয়। বর্তমানে এই ডাম্পিং গ্রাউন্ডে কঠিন বর্জ্য নিষ্কাশন প্রকল্প নির্মাণের কাজ চলছে। ফলে বর্জ্য ফেলার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে। সেই কারণে বিকল্প হিসাবে বাউড়িয়া ডাম্পিং গ্রাউন্ডে অস্থায়ীভাবে বর্জ্য ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরসভা। আর সেটা নিয়েই আপত্তি জানিয়েছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা।
তাঁদের বক্তব্য, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত বর্জ্য ফেলার ফলে দুর্গন্ধে ভরে উঠছে গোটা এলাকা। মশা-মাছির উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে। জল ও বায়ুদূষণ এবং বিভিন্ন সংক্রামক রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিকল্প ও পরিবেশসম্মত স্থানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্প করার দাবি জানান তাঁরা। এক এলাকাবাসী রাকেশ চক্রবর্তী বলেন, ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য ওই এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আমাদের একটাই দাবি, স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। তাতে সমস্যা মিটবে।
আর বিষয়টি নিয়ে উলুবেড়িয়া পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ইনামুর রহমান বলেন, এটা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প। এর রূপায়ণ না হলে একদিকে যেমন পুর নাগরিকরা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হবেন, অন্যদিকে সেইরকম পুরসভাও কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়ন তহবিল থেকে বঞ্চিত হবে।     

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ