সংবাদদাতা, পতিরাম: লোনের প্রলোভন দেখিয়ে ডকুমেন্টস জোগার করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট তৈরি। সেই অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রাহকের অজান্তেই লেনদেন হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা।
Advertisement
বালুরঘাট পুরসভার চেক জালিয়াতি কাণ্ডে আরও দু’জনকে গ্রেপ্তার করে এমনই তথ্য পেল বালুরঘাট থানার পুলিস। পুলিস সূত্রে খবর, ধৃতদের নাম রৌনক জাহানাত ওরফে পিঙ্কি এবং সঞ্জিত কুণ্ডু। বাড়ি হাওড়ায়। তারা দর্জির কাজ করত। দোকানের আড়ালেই চলত এই প্রতারণা চক্র। এই চক্রের সঙ্গে অনেকে জড়িত বলে খবর। শনিবার বালুরঘাট থানার পুলিস ধৃতদের জেলা আদালতে তুললে পাঁচদিনের পুলিস হেফাজত হয়েছে।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে বালুরঘাট সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, বালুরঘাট পুরসভার চেক জালিয়াতি কাণ্ডে আরও দু’জনকে হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছি।
ওই প্রচারণা চক্র ঘরে বসে জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। মূলত ব্যাঙ্কে আসা ব্যক্তিদের লোন করে দেওয়ার নাম করে অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে লেনদেন করা হতো। গত নভেম্বরে বালুরঘাট পুরসভার দু’টি চেক জালিয়াতি করে সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা গায়েব করা হয়।
সেই ঘটনায় কলকাতার পাঁচজন যুক্ত ছিল। পুরসভা টাকা ফেরত পেলেও আরও দু’জন গ্রেপ্তার হওয়ার পর শোরগোল বালুরঘাট শহরে। প্রথমে ইশাক খান, ওয়াসিম আক্রাম, ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হাওড়ায় দর্জির দোকান করে লুকিয়ে থাকা রৌনক এবং সঞ্জিতকে পুলিস ধরেছে।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠক করে বালুরঘাট সদর ডিএসপি বিক্রম প্রসাদ বলেন, বালুরঘাট পুরসভার চেক জালিয়াতি কাণ্ডে আরও দু’জনকে হাওড়া থেকে গ্রেপ্তার করেছি।
ওই প্রচারণা চক্র ঘরে বসে জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। মূলত ব্যাঙ্কে আসা ব্যক্তিদের লোন করে দেওয়ার নাম করে অ্যাকাউন্টের তথ্য নিয়ে লেনদেন করা হতো। গত নভেম্বরে বালুরঘাট পুরসভার দু’টি চেক জালিয়াতি করে সাড়ে ১৪ লক্ষ টাকা গায়েব করা হয়।
সেই ঘটনায় কলকাতার পাঁচজন যুক্ত ছিল। পুরসভা টাকা ফেরত পেলেও আরও দু’জন গ্রেপ্তার হওয়ার পর শোরগোল বালুরঘাট শহরে। প্রথমে ইশাক খান, ওয়াসিম আক্রাম, ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হাওড়ায় দর্জির দোকান করে লুকিয়ে থাকা রৌনক এবং সঞ্জিতকে পুলিস ধরেছে।



