সংবাদদাতা, লালবাগ: লালগোলার সাগিয়া জগন্নাথপুরে বালক খুনের ঘটনার দুদিন পরেও অভিযুক্তরা অধরা। যদিও মৃত বালকের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিস নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্তদের খোঁজ চালাচ্ছে। লালগোলা থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলেও নির্দিষ্টভাবে কারও নাম উল্লেখ নেই। পাশাপাশি কারও সঙ্গে কোনও পুরোনো বিবাদ রয়েছে কিনা সেই বিষয়েও মৃত বালকের পরিবার থেকে কিছু জানানো হয়নি। ভগবানগোলার এসডিপিও উত্তম গড়াই বলেন, অভিযোগে কোনও নাম উল্লেখ নেই। কাজেই তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি অভিযুক্তদের নাগাল পেতে সমস্যা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও তদন্ত প্রক্রিয়া জোর কদমে চলেছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই অভিযুক্তদের নাগাল পাওয়া যাবে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ১৫ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর বুধবার সকালে সাগিয়া জগন্নাথপুরের বাঁশবাগান থেকে ১১ বছরের সুরজিৎ দাসের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। মৃতদেহে একাধিক জায়গায় বিড়ি বা সিগারেটের ছ্যাঁকার দাগ স্পষ্ট ছিল। জগন্নাথপুর হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র সুরজিৎ ওইদিন দুপুরে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর আর বাড়ি ফেরেনি। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, খেলার মাঠে যাওয়া বা আসার সময় দুষ্কৃতীরা সুরজিৎকে অপহরণ করে। প্রথমে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে শ্বাসরোধ করে মেরে রাতের অন্ধকারে বাঁশবাগানে ফেলে দেয়। বালকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনার পর থেকে জগন্নাথপুর গ্রামজুড়ে শোকের পরিবেশ রয়েছে। কী কারণে একটা বাচ্চা ছেলেকে খুন হতে হল সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন গ্রামবাসীরা।
পুলিসের অনুমান, খুনের ঘটনার নেপথ্যে আত্মীয় পরিজন বা গ্রামের কারও সঙ্গে পুরোনো বিবাদ থাকতে পারে। লালবাগ মহকুমা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, মৃত বালকের পরিবারের লোকজনের পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বুধবার লালবাগ মহকুমা হাসপাতালের মর্গে দেহের ময়নাতদন্ত হলেও এদিন আবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত হয়।
পুলিসের অনুমান, খুনের ঘটনার নেপথ্যে আত্মীয় পরিজন বা গ্রামের কারও সঙ্গে পুরোনো বিবাদ থাকতে পারে। লালবাগ মহকুমা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, মৃত বালকের পরিবারের লোকজনের পাশাপাশি গ্রামবাসীদের সঙ্গেও কথা বলা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বুধবার লালবাগ মহকুমা হাসপাতালের মর্গে দেহের ময়নাতদন্ত হলেও এদিন আবার মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত হয়।



