সংবাদদাতা, লালবাগ: পৌষ মাসে গাঁদাফুলের চাহিদা তলানিতে। বাজারে জলের দামে বিকোচ্ছে চাষিদের কষ্টের ফসল। আর্থিক ক্ষতির মুখে লালবাগ মহকুমার ফুলচাষিরা। খুচরো বাজারে গাঁদাফুল ১০-১২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও পাইকারি বাজারে দাম প্রায় অর্ধেক। প্রতি কেজি ৬-৭ টাকা। যদিও প্রতিদিন এই সামান্য দামটুকুও মিলছে না। দিনের শেষে বিক্রি না হলে বাজারের ডাস্টবিনে গাঁদাফুল ফেলে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে চাষিদের। লাভ তো দূরের কথা, জমি থেকে বাজারে নিয়ে আসার খরচ উঠছে না। এই পরিস্থিতিতে অনেক চাষি ফুল তুলছেন না। ফলে গাছেই ফুল শুকোচ্ছে। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম লাফিয়ে বাড়ছে। ফলে সংসার চালাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন তাঁরা।
Advertisement
এক দশকের বেশি সময় ধরে লালবাগ মহকুমার মুর্শিদাবাদ-জিয়াগঞ্জ ব্লকের পণ্ডিতবাগ, কমলবাগ, নশিপুর, বেলেপুকুর, কুঠিয়াপাড়া, আমুইপাড়া প্রভৃতি এলাকায় গাঁদাফুলের চাষ হচ্ছে। কম খরচে লাভজনক গাঁদা চাষে প্রতি বছর বেশি সংখ্যক চাষি ঝুঁকছেন। বর্ষার ক্ষতি সামলে পুজোর মরশুমে লাভের মুখ দেখেছিলেন চাষিরা। কিন্তু পুজোর মরশুম শেষ হতেই ফুলের বাজারে মন্দা শুরু হয়েছে। তবে অগ্রহায়ণে বিয়ের মরশুমে বাজার কিছুটা চাঙ্গা হয়। কিন্তু পৌষ মাস পড়তেই চাহিদা না থাকায় পাইকারি ও খুচরো বাজারে দাম তলানিতে ঠেকেছে।
কুঠিয়াপাড়ার মাধব মণ্ডল গত কয়েক বছর ধরে গাঁদা চাষ করছেন। চলতি বছরে প্রায় এক বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। তিনি বলেন, পৌষ মাসের শুরু থেকেই দাম নেই। কুর্মিটোলার ফুল চাষি বিধান দাস বলেন, জমি থেকে ফুল তোলার জন্য একজনের পারিশ্রমিক ৩৫০-৪০০ টাকা দিতে হয়। এখন এক কুইন্ট্যাল ফুল বিক্রি করে শ্রমিকের মজুরি ও বাজারে নিয়ে যাওয়ার খরচ উঠছে না। স্বাভাবিকভাবেই অনেক চাষি ফুল তুলছেন না।
খুচরো ফুল ব্যবসায়ী মিলন দাস বলেন, ১০ টাকা কেজিতে ফুল নেওয়ার খদ্দের নেই। ২০-২৫ কেজি ফুল নিয়ে সারাদিন বসে থাকতে হচ্ছে। দিনের শেষে অর্ধেক ফেলে দিতে হচ্ছে। অথচ পুজো ও বিয়ের মরশুমে প্রতিদিন ৪০-৫০ কেজি ফুল বিক্রি করেছি। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। তাই বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি থাকায় দাম নেই। তাছাড়া এই মাসে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নেই বললেই চলে। মাঘ ও ফাল্গুনে বিয়ের মরশুমে দাম বাড়বে বলে আশা করা যায়।
কুঠিয়াপাড়ার মাধব মণ্ডল গত কয়েক বছর ধরে গাঁদা চাষ করছেন। চলতি বছরে প্রায় এক বিঘা জমিতে ফুল চাষ করেছেন। তিনি বলেন, পৌষ মাসের শুরু থেকেই দাম নেই। কুর্মিটোলার ফুল চাষি বিধান দাস বলেন, জমি থেকে ফুল তোলার জন্য একজনের পারিশ্রমিক ৩৫০-৪০০ টাকা দিতে হয়। এখন এক কুইন্ট্যাল ফুল বিক্রি করে শ্রমিকের মজুরি ও বাজারে নিয়ে যাওয়ার খরচ উঠছে না। স্বাভাবিকভাবেই অনেক চাষি ফুল তুলছেন না।
খুচরো ফুল ব্যবসায়ী মিলন দাস বলেন, ১০ টাকা কেজিতে ফুল নেওয়ার খদ্দের নেই। ২০-২৫ কেজি ফুল নিয়ে সারাদিন বসে থাকতে হচ্ছে। দিনের শেষে অর্ধেক ফেলে দিতে হচ্ছে। অথচ পুজো ও বিয়ের মরশুমে প্রতিদিন ৪০-৫০ কেজি ফুল বিক্রি করেছি। জেলা উদ্যানপালন দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। তাই বাজারে চাহিদার তুলনায় জোগান বেশি থাকায় দাম নেই। তাছাড়া এই মাসে সামাজিক ও ধর্মীয় অনুষ্ঠান নেই বললেই চলে। মাঘ ও ফাল্গুনে বিয়ের মরশুমে দাম বাড়বে বলে আশা করা যায়।



