সংবাদদাতা, লালবাগ: লালবাগ শহরের নাকুড়তলা মাঠে মিলনী সভায় বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ-বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার। এদিন তিনি বলেন, বিধানসভা নির্বাচনের পর সাড়ে তিন বছর কেটে গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মুর্শিদাবাদের বিজেপি বিধায়ককে তাঁর এলাকার কোথাও দেখা যায়নি। বিধানসভার মানুষের সঙ্গে তাঁর কোনও যোগাযোগ নেই। প্রয়োজনে মানুষ তাঁকে পান না। বিধানসভায় গিয়ে ঘুমিয়ে কাটান। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষের জন্য গত সাড়ে তিন বছর একটা কথাও বলেননি।
Advertisement
ওই সভায় দলের জেলা সভাপতির সুরেই বিজেপি বিধায়ককে কটাক্ষ করেন মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান। দু’জনই আগামী বিধানসভা ভোটে মুর্শিদাবাদ আসনে জয়ের জন্য কর্মীদের এখন থেকেই ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আহ্বান জানান। ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে জেলার ২২টি আসনেই তৃণমূল জিতবে বলে অপূর্ববাবু দাবি করেন।
আবু তাহের খান বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে আমরা জিততে পারিনি। এখন থেকেই আমাদের ওই দু’টি আসনে জোর দিতে হবে। এদিন সভায় শাসকদলের কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সভা শেষে বেশ কয়েকজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষকে ট্রাইসাইকেল দেওয়া হয়।
এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্করবাবু বলেন, আবার এলাকার ১১টি সমস্যা নিয়ে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত তার কোনও উত্তর আসেনি। আর আমার বিধানসভা এলাকার মানুষ প্রয়োজনে আমাকে ঠিকই খুঁজে পায়। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত বলেই খুঁজে পান না।
আবু তাহের খান বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে বহরমপুর ও মুর্শিদাবাদ কেন্দ্রে আমরা জিততে পারিনি। এখন থেকেই আমাদের ওই দু’টি আসনে জোর দিতে হবে। এদিন সভায় শাসকদলের কর্মীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। সভা শেষে বেশ কয়েকজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষকে ট্রাইসাইকেল দেওয়া হয়।
এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক গৌরীশঙ্করবাবু বলেন, আবার এলাকার ১১টি সমস্যা নিয়ে বিধানসভার স্পিকারকে চিঠি দিয়েছি। এখনও পর্যন্ত তার কোনও উত্তর আসেনি। আর আমার বিধানসভা এলাকার মানুষ প্রয়োজনে আমাকে ঠিকই খুঁজে পায়। তৃণমূল নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত বলেই খুঁজে পান না।



