সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: দলের বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও ইন্দাস বিধাসভায় বিজেপির সদস্য সংগ্রহের অভিযান মুখ থুবড়ে পড়েছে। যা নজর এড়ায়নি দলের রাজ্য নেতাদের। কড়া বার্তার জেরে সদস্য সংগ্রহে গিয়েছিলেন বিজেপি বিধায়ক। দিনে গেলে ক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন, এই ভেবে রাতের অন্ধকারকেই বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু, রেহাই পেলেন না। মাঁদরা গ্রামের বাসিন্দারা ইন্দাসের বিজেপি বিধায়ক নির্মল ধাড়াকে ঘিরে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। দিনের পরিবর্তে রাতের অন্ধকারে দলবল এনে গ্রামবাসীদের ভয় দেখানো হচ্ছে বলে তাঁরা অভিযোগ তোলেন। তাঁরা বিধায়কের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। ক্রমশ তা জোরালো হওয়ায় বিধায়ক দলবল নিয়ে এলাকা ছাড়েন। বেশ কয়েকজন গ্রামবাসী বিধায়কের সঙ্গীদের পিছু ধাওয়া করে কার্যত তাঁদের তাড়িয়ে গ্রামছাড়া করেন। যদিও বিধায়ক সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের ঘটনা অস্বীকার করেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা অশান্তি পাকানোর চেষ্টা করে বলে তিনি দাবি করেছেন।
Advertisement
তৃণমূল কংগ্রেসের ইন্দাস ব্লক সভাপতি শেখ হামিদ বলেন, ভোটে জেতার পর বিধায়ককে এলাকায় দেখা যায়নি। জনরোষের ভয়ে তিনি দিনের বেলা এলাকায় আসার সাহস পাননি। রাতের অন্ধকারে গ্রামের মানুষকে প্রলোভন ও ভয় দেখিয়ে বিজেপি দলের সদস্য পদ নিতে বাধ্য করছিলেন। গ্রামের সাধারণ মানুষ তার প্রতিবাদ করেছেন। এর সঙ্গে আমাদের দলের কোনও সম্পর্ক নেই।
ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল ধাড়া বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সারা ভারতজুড়ে আমাদের দলের সদস্যতা অভিযান চলছে। তার জন্য আমরা বিভিন্ন গ্রামে যাচ্ছি। মোদিজির স্বপ্নের ভারত গড়তে সাধারণ মানুষের বিকাশের জন্য আমার বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলছি। একাধিক গ্রাম ঘুরে মাঁদরা গ্রামে পৌঁছতে আমাদের কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছিল।
ওই এলাকার বুথে পরপর ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার পরাজিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানে শামিল হওয়ার জন্য তাঁরা আমাদের আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই জন্য আমরা গ্রামে গিয়েছিলাম। মানুষ সরে যাচ্ছে দেখে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা ভয় পেয়েছে। তাই পরিকল্পিতভাবে তারা ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করেছে। এনিয়ে মাঁদরা গ্রামের একাংশের বক্তব্য, বিধায়ক দিনের বেলা এসে তাঁদের বক্তব্য বলতে পারতেন। সারাবছর তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি। আমাদের বিপদে পাশে পাওয়া যায়নি। এখন রাতের অন্ধকারে দলবল নিয়ে বিকাশের কথা বলতে এসেছেন। সেই জন্য আমরা তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছি।
প্রসঙ্গত, ইন্দাসে বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও ওই বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় সদস্যপদ পূরণে ব্যর্থ বিজেপি। সম্প্রতি এনিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্ব বিষ্ণুপুরের সাংগঠনিক জেলা পার্টি অফিসে বৈঠক করে কড়া বার্তা দেয়। যেনতেন প্রকারে টার্গেট পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর সেটা করতে গিয়েই ইন্দাসের বিধায়ক চাপের মুখে পড়েন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের কাছে নিজের মুখরক্ষার স্বার্থে তিনি টার্গেট পূরণের চেষ্টা করছেন। কিন্তু, দিনের বেলা এলাকায় গেলে তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কাতেই বুধবার রাতে মাঁদরা গ্রামে যান। তাতেই গ্রামবাসীরা আরও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। বাসিন্দাদের অনেকেই বিধায়ককে ‘ডুমুরের ফুল’ বলে কটাক্ষও করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি এলাকা ছাড়েন।
ইন্দাসের বিধায়ক নির্মল ধাড়া বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে সারা ভারতজুড়ে আমাদের দলের সদস্যতা অভিযান চলছে। তার জন্য আমরা বিভিন্ন গ্রামে যাচ্ছি। মোদিজির স্বপ্নের ভারত গড়তে সাধারণ মানুষের বিকাশের জন্য আমার বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে কথা বলছি। একাধিক গ্রাম ঘুরে মাঁদরা গ্রামে পৌঁছতে আমাদের কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছিল।
ওই এলাকার বুথে পরপর ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস বারবার পরাজিত হয়েছে। সাধারণ মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। সদস্যপদ সংগ্রহ অভিযানে শামিল হওয়ার জন্য তাঁরা আমাদের আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই জন্য আমরা গ্রামে গিয়েছিলাম। মানুষ সরে যাচ্ছে দেখে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা ভয় পেয়েছে। তাই পরিকল্পিতভাবে তারা ঝামেলা পাকানোর চেষ্টা করেছে। এনিয়ে মাঁদরা গ্রামের একাংশের বক্তব্য, বিধায়ক দিনের বেলা এসে তাঁদের বক্তব্য বলতে পারতেন। সারাবছর তাঁকে এলাকায় দেখা যায়নি। আমাদের বিপদে পাশে পাওয়া যায়নি। এখন রাতের অন্ধকারে দলবল নিয়ে বিকাশের কথা বলতে এসেছেন। সেই জন্য আমরা তাঁকে ফিরিয়ে দিয়েছি।
প্রসঙ্গত, ইন্দাসে বিধায়ক থাকা সত্ত্বেও ওই বিধানসভা কেন্দ্র এলাকায় সদস্যপদ পূরণে ব্যর্থ বিজেপি। সম্প্রতি এনিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্ব বিষ্ণুপুরের সাংগঠনিক জেলা পার্টি অফিসে বৈঠক করে কড়া বার্তা দেয়। যেনতেন প্রকারে টার্গেট পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। আর সেটা করতে গিয়েই ইন্দাসের বিধায়ক চাপের মুখে পড়েন। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের কাছে নিজের মুখরক্ষার স্বার্থে তিনি টার্গেট পূরণের চেষ্টা করছেন। কিন্তু, দিনের বেলা এলাকায় গেলে তিনি বিক্ষোভের মুখে পড়তে পারেন, এমন আশঙ্কাতেই বুধবার রাতে মাঁদরা গ্রামে যান। তাতেই গ্রামবাসীরা আরও উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁকে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। বাসিন্দাদের অনেকেই বিধায়ককে ‘ডুমুরের ফুল’ বলে কটাক্ষও করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তিনি এলাকা ছাড়েন।



