নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: হাতে আর মাত্র ৯ দিন। কিন্তু খরিফ মরশুমে টার্গেটের চেয়ে এখনও ৪০ হাজার কম শস্যবিমা হয়েছে জলপাইগুড়িতে। স্বাভাবিকভাবেই প্রবল চাপে জেলা কৃষিদপ্তর। শেষ এক সপ্তাহে আদৌও কতটা শস্যবিমা করা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে আধিকারিকদের একাংশের মধ্যে।
Advertisement
জলপাইগুড়ি জেলায় এক লক্ষ কৃষকের কিষান ক্রেডিট কার্ড রয়েছে। সেকারণে এবার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়, এক লক্ষ কৃষককে খরিফ মরশুমে বাংলা শস্যবিমার আওতায় নিয়ে আসা হবে। প্রাথমিক অবস্থায় ধানের ক্ষেত্রে ১৫ সেপ্টেম্বর এবং ভুট্টার ক্ষেত্রে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বিমা করার সময়সীমা ধার্য করা হয়। পরে ধাপে ধাপে বিমার সময়সীমা বৃদ্ধি করে রাজ্য। কিন্তু প্রথম থেকেই জলপাইগুড়িতে শস্যবিমার গতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এনিয়ে একাধিকবার কৃষিদপ্তরের আধিকারিকদের বৈঠকে ডেকে শস্যবিমায় গতি আনার নির্দেশ দেন জেলাশাসক শমা পারভীন। কিন্তু তিনবার সময়সীমা বৃদ্ধি ও জেলাশাসকের ধমকের পরও এখনও লক্ষ্যমাত্রার থেকে বেশকিছুটা পিছনে থাকায় কৃষিদপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
বৃহস্পতিবার জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়িতে বাংলা শস্যবিমায় ৬০ হাজারের মতো কৃষকের নাম নথিভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের টার্গেট এক লক্ষ কৃষককে বিমার আওতায় নিয়ে আসা। এখনও কয়েকদিন সময় রয়েছে। দেখা যাক, সংখ্যাটা কতটা বাড়ে।
এদিকে, ধান ও ভুট্টার পাশাপাশি আলুর বিমাও শুরু হয়েছে। গতবছর পর্যন্ত আলুচাষে শস্যবিমার ক্ষেত্রে কৃষককে প্রিমিয়ামের টাকা বহন করতে হতো। ফলে আলুচাষিদের বিমার প্রতি খুব একটা ঝোঁক থাকত না। গত মরশুমে জলপাইগুড়ি জেলায় মাত্র ছ’শোর মতো কৃষককে এই বিমার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছিল। এবার আলুচাষিদের প্রিমিয়াম দিতে হবে না। রাজ্য সরকারই তা দিয়ে দেবে। সেকারণে এবার অন্তত ৩০ হাজার কৃষককে বিমার আওতায় আনার চেষ্টা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা। তিনি বলেন, গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে আলুচাষ হয়েছিল।
এবার আলুচাষের এলাকা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পোখরাজ জাতের আলু যাঁরা চাষ করবেন, তাঁরা আগেই বুনেছেন। এখন জ্যোতি আলুর বীজ বোনা চলছে। সবটা শেষ না হলে জেলায় আলুচাষের এলাকা ঠিক কতটা বাড়ল তা বলা যাবে না।
বৃহস্পতিবার জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা গোপালচন্দ্র সাহা বলেন, এখনও পর্যন্ত জলপাইগুড়িতে বাংলা শস্যবিমায় ৬০ হাজারের মতো কৃষকের নাম নথিভুক্ত করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের টার্গেট এক লক্ষ কৃষককে বিমার আওতায় নিয়ে আসা। এখনও কয়েকদিন সময় রয়েছে। দেখা যাক, সংখ্যাটা কতটা বাড়ে।
এদিকে, ধান ও ভুট্টার পাশাপাশি আলুর বিমাও শুরু হয়েছে। গতবছর পর্যন্ত আলুচাষে শস্যবিমার ক্ষেত্রে কৃষককে প্রিমিয়ামের টাকা বহন করতে হতো। ফলে আলুচাষিদের বিমার প্রতি খুব একটা ঝোঁক থাকত না। গত মরশুমে জলপাইগুড়ি জেলায় মাত্র ছ’শোর মতো কৃষককে এই বিমার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছিল। এবার আলুচাষিদের প্রিমিয়াম দিতে হবে না। রাজ্য সরকারই তা দিয়ে দেবে। সেকারণে এবার অন্তত ৩০ হাজার কৃষককে বিমার আওতায় আনার চেষ্টা চালানো হবে বলে জানিয়েছেন জেলার উপ কৃষি অধিকর্তা। তিনি বলেন, গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ৩৪ হাজার হেক্টর জমিতে আলুচাষ হয়েছিল।
এবার আলুচাষের এলাকা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। পোখরাজ জাতের আলু যাঁরা চাষ করবেন, তাঁরা আগেই বুনেছেন। এখন জ্যোতি আলুর বীজ বোনা চলছে। সবটা শেষ না হলে জেলায় আলুচাষের এলাকা ঠিক কতটা বাড়ল তা বলা যাবে না।



