Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে টক্কর দেওয়ার মতো অস্ত্র বিজেপির নেই, স্বীকার গেরুয়া নেতাদের 

লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে টক্কর দেওয়ার মতো অস্ত্র বিজেপির নেই, স্বীকার গেরুয়া নেতাদের 
  • ২ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর বিধানসভা উপ নির্বাচনে বড় মার্জিনে জয় পেয়েছে তৃণমূল। এই জয়ের অন্যতম বড় কারণ লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। তৃণমূল নেতৃত্বের কথায়, শুধু মেদিনীপুর সদর ব্লকে ৮০ হাজারের বেশি মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এরফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে অনেকটাই বদল হয়েছে। তাই মহিলাদের ভোট তৃণমূলের পক্ষেই গিয়েছে। অপরদিকে, বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের মতে, শহর এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি। তবে গ্রামীণ এলাকায় এই প্রকল্পের প্রভাব রয়েছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের সঙ্গে টক্কর নেওয়ার মতো কোনও কেন্দ্রীয় প্রকল্প না থাকায় আমাদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। 
Advertisement
জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক মহম্মদ রফিক বলেন, জেলায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন লক্ষাধিক মহিলা। বিজেপি মহিলাদের জন্য কী করেছে বলুক। বিজেপি নেতারা শুধু ভোট এলেই প্রতিশ্রুতি দিতে জানেন। কিন্তু সারা বছর মহিলাদের পাশে থাকেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ধর্ম নিয়ে রাজনীতি ও বঞ্চনা করলে ভোট পাওয়া যায় না। 
প্রসঙ্গত, বর্তমানে জঙ্গলমহল জুড়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তার অন্যতম কারণ রাজ্য সরকার মহিলাদের জন্য একাধিক প্রকল্প চালু করেছে। তারমধ্যে অন্যতম লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, রূপশ্রী, কন্যাশ্রী। শুধু মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় এক লক্ষের বেশি মহিলা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার সহ বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। তৃণমূলের দাবি, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ায় মহিলারা তাঁদের পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর বিধানসভা এলাকায় মহিলা ভোট সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতেও মহিলা ভোট অন্যতম সূচক হিসেবে কাজ করেছে। অর্থাৎ মহিলা ভোট যাঁদের পক্ষে গিয়েছে, তাঁদের জয় নিশ্চিত। মেদিনীপুর বিধানসভা উপ নির্বাচনে মহিলা ভোটারের সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৪৮ হাজার। তার মধ্যে ৭২ শতাংশ মহিলা ভোট দিয়েছিলেন। 
এক বিজেপি নেতা বলেন, গ্রামীণ এলাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বড় ফ্যাক্টর করে দিচ্ছে। পুরসভা এলাকায় একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনার প্রভাবও কম পড়েছে। মহিলা ভোট প্রতিটা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। উচ্চ নেতৃত্বকে ভেবে দেখার পরামর্শ দেব। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, মানুষ চাকরি চায়। রাজ্যের বেকার যুবকযুবতীদের জন্য কী করা হয়েছে, তার কোনও উত্তর নেই। মানুষ সবটা বুঝতে পারছেন। মহিলাদের উপর নির্যাতনের পরিমাণ কমেনি। একদিন মহিলারাই যোগ্য জবাব দেবেন। 
সম্পর্কিত সংবাদ