নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পকে একসময় ‘ভিক্ষা’ বলে তোপ দেগেছিলেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। এখন প্রাক্তন সাংসদের মুখে কার্যত উল্টো সুর। এই প্রকল্পে টাকা বাড়ানোর দাবি জানালেন তিনি। মঙ্গলবার বহরমপুর জেলা কংগ্রেস কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দয়ার কিছু নয়, এটা সরকারি টাকা। আমরা যে কর দিচ্ছি, সেই টাকা বাংলার মা-বোনদের দিচ্ছে। এতে আমাদের আপত্তির কিছু নেই। ঝাড়খণ্ড, তেলেঙ্গানা সহ ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্যে নানা নামে এরকম প্রকল্প চালু আছে। আমাদের দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা আড়াই হাজার করা হোক। যেভাবে বাজারে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে তাতে টাকা বাড়ানো উচিত। মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে তিনি বলেন, আপনার দলের নেতামন্ত্রী, তাঁদের দরদাম বাড়ানো হচ্ছে। তাঁদের বেতন বাড়ানো হচ্ছে। ডাক্তারদেরও বেতন বাড়িয়ে দিলেন আপনি। তাহলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে গরিব মা-বোনদের কেন আড়াই হাজার টাকা অনুদান দেবেন না?
Advertisement
গত সপ্তাহে কংগ্রেসের জেলা মহিলা সম্মেলনেও হাজির হয়ে অধীরবাবু হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, যে সমস্ত মহিলার এই প্রকল্পের টাকা বন্ধ হয়েছে, তাঁদের টাকা উদ্ধার না করতে পারলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। তিনি বলেছিলেন, যদি কোনও মহিলার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থাকলেও তৃণমূল না করার কারণে সরকার টাকা দেওয়া বন্ধ করে, তাহলে আপনারা আমার কাছে আসবেন। যদি আমি সেই টাকা উদ্ধার করে দিতে না পারি, তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেব।
অধীরবাবুর এই অনুদান বাড়ানোর আবেদনকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরী যাকে ভিক্ষা বলেছিলেন, সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন বিশ্বের তাবড় অর্থনীতিবিদরা। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন মানুষের হাতে টাকা দিতে বলেছেন। এখন উদ্যোগপতি হিসেবে মহিলারা এগিয়ে আসছেন। সারা ভারতের ১০০জন মহিলা উদ্যোগপতির মধ্যে ২৩ জনের বেশি এই বাংলার। স্বনির্ভরতার পাশাপশি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে এখন বাংলার মহিলারা এগিয়ে যাচ্ছেন। মহিলাদের অগ্রগতিতে এবার বাংলার বাজেটে অন্তত ৫০ শতাংশ খরচ হচ্ছে। অধীর চৌধুরীরা এসব চান না। ওঁরা শুধু সংকীর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন।
অধীরবাবুর এই অনুদান বাড়ানোর আবেদনকে কটাক্ষ করেছেন তৃণমূলের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার। তিনি বলেন, অধীর চৌধুরী যাকে ভিক্ষা বলেছিলেন, সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ব্যাপক প্রশংসা করেছেন বিশ্বের তাবড় অর্থনীতিবিদরা। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন মানুষের হাতে টাকা দিতে বলেছেন। এখন উদ্যোগপতি হিসেবে মহিলারা এগিয়ে আসছেন। সারা ভারতের ১০০জন মহিলা উদ্যোগপতির মধ্যে ২৩ জনের বেশি এই বাংলার। স্বনির্ভরতার পাশাপশি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে এখন বাংলার মহিলারা এগিয়ে যাচ্ছেন। মহিলাদের অগ্রগতিতে এবার বাংলার বাজেটে অন্তত ৫০ শতাংশ খরচ হচ্ছে। অধীর চৌধুরীরা এসব চান না। ওঁরা শুধু সংকীর্ণ রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন।



