নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কথায় বলে, ‘নামে কী বা আসে যায়!’ কিন্তু, নামে সত্যিই এসে যায় অনেক কিছুই। শুধুমাত্র নামের মিল থাকায় খেজুরি-২ ব্লকের কশতলা গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডলের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও লোনের টাকা খুইয়ে এখন পথে বসার অবস্থা। নামের মিল থাকা একই ব্যাঙ্ক থেকে দুই গ্রাহককে একই নম্বরের পাসবই দেওয়া হয়েছিল। চার বছর ধরে দু’জনে একই অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করে এসেছেন। কশতলা গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডল অন্য ব্যাঙ্ক থেকে ওই অ্যাকাউন্টে লোনের ৭০ হাজার টাকা রেখেছিলেন। এছাড়াও প্রতি মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা জমা পড়ত। সেই অ্যাকাউন্ট থেকে ৮৪ হাজার টাকা উঠে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে হইচই হয়। ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে এনিয়ে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন কশতলা গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডল।
Advertisement
ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কের খেজুরি-২ ব্লকের বিদ্যাপীঠ শাখায় খেজুরির কশতলা গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডল এবং সাহেবনগর গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। কশতলা গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডলের স্বামীর নাম শঙ্কর মণ্ডল। অন্যদিকে, সাহেবনগর গ্রামের লক্ষ্মী মণ্ডলের স্বামীর নাম মহাদেব মণ্ডল। অদ্ভুতভাবে দুই লক্ষ্মী মণ্ডলের কাছে থাকা পাসবইয়ে অ্যাকাউন্ট নম্বর এক। এটা কীভাবে সম্ভব হল, কার গাফিলতিতে এমনটা হল তা তদন্ত সাপেক্ষ। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ কোনও অবস্থায় এই ঘটনায় দায় স্বীকার করতে নারাজ।
অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায়ই টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় কশতলার লক্ষ্মীদেবী পাসবই নিয়ে ব্যাঙ্কে যান। আপডেট করে জানতে পারেন, আট-দশ দফায় প্রায় ৮৪ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এমনকী, স্বামীর কাঠের ব্যবসা বাড়ানোর জন্য হেঁড়িয়ায় অন্য একটি ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া লোনের ৭০ হাজার টাকাও ওই অ্যাকাউন্টে রাখা ছিল। সেই টাকাও উধাও।
কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে লিখিত অভিযোগ করেন। ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জানা যায়, সাহেবনগরের লক্ষ্মী মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করেছেন কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল ওই অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে রেখেছেন। এমনকী, হেঁড়িয়ায় অন্য একটি ব্যাঙ্ক থেকে লোনের টাকাও ওই অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হয়েছে। কীভাবে এই বিভ্রাট হল সেটা পরিষ্কার নয়। তবে, কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডলের পাসবইয়ে অন্য একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে দেওয়া হয়েছে। সেটিই তাঁর আসল অ্যাকাউন্ট নম্বর বলে ব্যাঙ্ককর্মী জানিয়ে দিয়েছেন। চার বছর পর তিনি জানতে পারেন, এতদিন ব্যবহার করা অ্যাকাউন্ট নম্বর তাঁর নয়। সব শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা।
তাহলে অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেওয়া ৮৪ হাজার টাকার কী হবে? তা নিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ কোনও দায় নিতে নারাজ। সাহেবনগরের লক্ষ্মী মণ্ডল জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট অপরজন ব্যবহার করেছেন।
কশতলার লক্ষ্মীদেবী বলেন, ২০২০ সালে ৫ নভেম্বর আমি ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে বিদ্যাপীঠ শাখায় অ্যাকাউন্ট খুলি। ওইদিন আমাকে পাসবই দেওয়া হয়। তাতে উল্লেখ থাকা অ্যাকাউন্ট নম্বর নিজের বলে জেনে এসেছি। দু’বার দু’হাজার টাকা তুলেছি। সেখানেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা জমা পড়ত। লোন নেওয়া ৭০ হাজার টাকাও জমা রাখা ছিল। লোনের টাকা গায়েব হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ নয়। তারপর জানতে পারি, একই নামে দু’জনের পাসবইয়ের অ্যাকাউন্ট নম্বরও একই। চার বছর ধরে দু’জনে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছি। ব্যাঙ্ক এখন আমার পাসবইয়ে অন্য একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে জানিয়েছে, সেটিই আমার আসল অ্যাকাউন্ট নম্বর। ওই ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলেন, কশতলার লক্ষ্মীদেবী অন্যজনের অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করেছে। তিনি কোথা থেকে ওই পাসবই জোগাড় করেছেন তা জানা নেই।
অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায়ই টাকা তুলে নেওয়ার ঘটনায় কশতলার লক্ষ্মীদেবী পাসবই নিয়ে ব্যাঙ্কে যান। আপডেট করে জানতে পারেন, আট-দশ দফায় প্রায় ৮৪ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। এমনকী, স্বামীর কাঠের ব্যবসা বাড়ানোর জন্য হেঁড়িয়ায় অন্য একটি ব্যাঙ্ক থেকে নেওয়া লোনের ৭০ হাজার টাকাও ওই অ্যাকাউন্টে রাখা ছিল। সেই টাকাও উধাও।
কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল বিষয়টি নিয়ে ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে লিখিত অভিযোগ করেন। ব্যাঙ্কের অভ্যন্তরীণ তদন্তে জানা যায়, সাহেবনগরের লক্ষ্মী মণ্ডলের অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করেছেন কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডল ওই অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে রেখেছেন। এমনকী, হেঁড়িয়ায় অন্য একটি ব্যাঙ্ক থেকে লোনের টাকাও ওই অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হয়েছে। কীভাবে এই বিভ্রাট হল সেটা পরিষ্কার নয়। তবে, কশতলার লক্ষ্মী মণ্ডলের পাসবইয়ে অন্য একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে দেওয়া হয়েছে। সেটিই তাঁর আসল অ্যাকাউন্ট নম্বর বলে ব্যাঙ্ককর্মী জানিয়ে দিয়েছেন। চার বছর পর তিনি জানতে পারেন, এতদিন ব্যবহার করা অ্যাকাউন্ট নম্বর তাঁর নয়। সব শুনে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থা।
তাহলে অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেওয়া ৮৪ হাজার টাকার কী হবে? তা নিয়ে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ কোনও দায় নিতে নারাজ। সাহেবনগরের লক্ষ্মী মণ্ডল জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে তাঁর অ্যাকাউন্ট অপরজন ব্যবহার করেছেন।
কশতলার লক্ষ্মীদেবী বলেন, ২০২০ সালে ৫ নভেম্বর আমি ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে বিদ্যাপীঠ শাখায় অ্যাকাউন্ট খুলি। ওইদিন আমাকে পাসবই দেওয়া হয়। তাতে উল্লেখ থাকা অ্যাকাউন্ট নম্বর নিজের বলে জেনে এসেছি। দু’বার দু’হাজার টাকা তুলেছি। সেখানেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা জমা পড়ত। লোন নেওয়া ৭০ হাজার টাকাও জমা রাখা ছিল। লোনের টাকা গায়েব হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ নয়। তারপর জানতে পারি, একই নামে দু’জনের পাসবইয়ের অ্যাকাউন্ট নম্বরও একই। চার বছর ধরে দু’জনে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছি। ব্যাঙ্ক এখন আমার পাসবইয়ে অন্য একটি অ্যাকাউন্ট নম্বর লিখে জানিয়েছে, সেটিই আমার আসল অ্যাকাউন্ট নম্বর। ওই ব্যাঙ্কের ম্যানেজার বলেন, কশতলার লক্ষ্মীদেবী অন্যজনের অ্যাকাউন্ট নম্বর ব্যবহার করেছে। তিনি কোথা থেকে ওই পাসবই জোগাড় করেছেন তা জানা নেই।



