সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: পরিবেশরক্ষার উদ্দেশ্যে চারাগাছ রোপণে উদ্যোগী হয়েছেন হাইস্কুলের এক অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। দুর্গাপুর-ফরিদপুর ব্লকের ইচ্ছাপুরে পরপর বৃক্ষরোপণ করে চলেছেন তিনি। প্রভাকর মণ্ডল নামে ওই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে সহযোগিতা করছেন বেশ কয়েকজন স্কুলশিক্ষক, পুলিস ও পরিবেশপ্রেমীরা। শুধু বৃক্ষরোপণই নয়, প্রভাকরবাবু এলাকার পড়ুয়াদের বিনামূল্যে পড়াশোনা শেখানো, দুঃস্থ পড়ুয়াদের সবরকম সহযোগিতা করে চলেছেন।
Advertisement
তিনি বলেন, জীবজগৎ সহ প্রকৃতি রক্ষা করতে হলে শ্রেষ্ঠ পন্থা বৃক্ষরোপণ। তাই লক্ষাধিক চারাগাছ রোপণ করাই আমার লক্ষ্য। সেইসঙ্গে নবীন প্রজন্মকে শিক্ষাদান করলে সুষ্ঠু সমাজ গড়ে উঠবে।
ইচ্ছাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রভাকরবাবু দুর্গাপুর ভিড়িঙ্গী টিএন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০২২সালে তিনি অবসর নেন। ছাত্রজীবন থেকেই বৃক্ষরোপণে ঝোঁক ছিল। বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রচারও করেছেন। অবসরগ্রহণের পর তিনি পুরোপুরি বৃক্ষরোপণ ও বিনামূল্যে শিক্ষাদানে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
প্রভাকরবাবু ইচ্ছাপুরে রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণ করেন। সারা বছর ওই সমস্ত গাছের পরিচর্যা করেন। এলাকার তিন শিক্ষক, এক পুলিসকর্মী সহ ২০জন বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যা করে চলেছেন। এবছর কাঁঠাল, বেল, কদম, মেহগনি, তেঁতুল, আমলকী সহ প্রায় ১২০টি গাছ রোপণ করেছেন। এর আগেও এলাকার হাসপাতাল সহ নানা জায়গায় বহু বৃক্ষরোপণ করেছেন তাঁরা।
এই কাজে যুক্ত ভবানীপ্রসাদ গড়াই, রামদাস মোদক ও শঙ্কর চৌধুরী জানালেন, তাঁদের এলাকায় রাস্তার দু’পাশে কোনও গাছ নেই। সেজন্য তাঁরা ভীমেশ্বর মন্দির থেকে ইচ্ছাপুর হয়ে বাঙ্গুরি গ্রামে যাওয়ার পথের ধারে গাছ লাগিয়েছেন। গবাদি পশু যাতে সেসব চারাগাছ না খেয়ে ফেলে, সেজন্য বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। পুকুর থেকে জল সংগ্রহ করে ওই গাছে জল দিই। যত গাছ লাগিয়েছিল, সবই পরিচর্যা করে বড় করে তুলতে চাইছি।
প্রভাকরবাবু বলেন, আমরা প্রচারের আলোয় কখনও আসতে চাইনি। এলাকায় গাছ কম রয়েছে। তাই চারাগাছ রোপণ ও বিতরণ করি। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে ও জীবজগৎ রক্ষা করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। বনদপ্তর ও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ একাজে আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে। এলাকার দুঃস্থ পড়ুয়াদেরও আমরা সহযোগিতা করি।
ইচ্ছাপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রভাকরবাবু দুর্গাপুর ভিড়িঙ্গী টিএন স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। ২০২২সালে তিনি অবসর নেন। ছাত্রজীবন থেকেই বৃক্ষরোপণে ঝোঁক ছিল। বৃক্ষের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে তিনি প্রচারও করেছেন। অবসরগ্রহণের পর তিনি পুরোপুরি বৃক্ষরোপণ ও বিনামূল্যে শিক্ষাদানে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন।
প্রভাকরবাবু ইচ্ছাপুরে রাস্তার পাশে বৃক্ষরোপণ করেন। সারা বছর ওই সমস্ত গাছের পরিচর্যা করেন। এলাকার তিন শিক্ষক, এক পুলিসকর্মী সহ ২০জন বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যা করে চলেছেন। এবছর কাঁঠাল, বেল, কদম, মেহগনি, তেঁতুল, আমলকী সহ প্রায় ১২০টি গাছ রোপণ করেছেন। এর আগেও এলাকার হাসপাতাল সহ নানা জায়গায় বহু বৃক্ষরোপণ করেছেন তাঁরা।
এই কাজে যুক্ত ভবানীপ্রসাদ গড়াই, রামদাস মোদক ও শঙ্কর চৌধুরী জানালেন, তাঁদের এলাকায় রাস্তার দু’পাশে কোনও গাছ নেই। সেজন্য তাঁরা ভীমেশ্বর মন্দির থেকে ইচ্ছাপুর হয়ে বাঙ্গুরি গ্রামে যাওয়ার পথের ধারে গাছ লাগিয়েছেন। গবাদি পশু যাতে সেসব চারাগাছ না খেয়ে ফেলে, সেজন্য বাঁশের বেড়া ও জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। পুকুর থেকে জল সংগ্রহ করে ওই গাছে জল দিই। যত গাছ লাগিয়েছিল, সবই পরিচর্যা করে বড় করে তুলতে চাইছি।
প্রভাকরবাবু বলেন, আমরা প্রচারের আলোয় কখনও আসতে চাইনি। এলাকায় গাছ কম রয়েছে। তাই চারাগাছ রোপণ ও বিতরণ করি। দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়তে ও জীবজগৎ রক্ষা করতে আমরা এই উদ্যোগ নিয়েছি। বনদপ্তর ও পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ একাজে আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে। এলাকার দুঃস্থ পড়ুয়াদেরও আমরা সহযোগিতা করি।



