নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: শহরের শিক্ষানবিশ সাঁতারুদের জন্য একসময় শান্তিপুরে তৈরি করা হয়েছিল সুইমিং পুল সমেত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। যার পোশাকি নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ঝিলমিল’। লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তৈরি হওয়ার সেই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আজ বছরের পর বছর ধরে তালা বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে একটু একটু করে যেমন নষ্ট হচ্ছে, তেমনই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আশপাশ ভরে যাচ্ছে আগাছায়। সেই করোনার সময় বন্ধ হয়ে গেলেও আজও এই কেন্দ্রটির দুয়ার আর খুলেই উঠতে পারেনি শান্তিপুর পুরসভা। যদিও বিষয়টির পিছনে টেন্ডার করে আবেদনকারী না পাওয়াকেই কারণ হিসাবে দায়ী করছে পুর কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালের ২৭ মার্চ তৎকালীন বিধায়ক এবং শান্তিপুরের চেয়ারম্যান প্রয়াত অজয় দে উদ্বোধন করেছিলেন ঝিলমিল নামক সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির। সরকারি উদ্যোগে এই সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র শুরু থেকেই বেশ সাড়া ফেলে দেয় শান্তিপুরে। সাঁতার নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়তে ইচ্ছুক বহু শিক্ষানবিশ কিশোর এবং কিশোরী নিয়ে চালু হয় ওই পুল এবং কেন্দ্র। কিন্তু করোনা কালে আর পাঁচটা প্রতিষ্ঠানের মতো তালা ঝোলাতে হয় ঝিলমিলেও। কিন্তু বিধি নিষেধের সময়কাল কাটিয়ে একে একে সমস্ত ক্ষেত্রে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের তালা আর খোলেনি। তারপর প্রায় চার বছর ধরে পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় তৈরি পরিকাঠামো। সুইমিং পুলের ধার ঘেঁষে এখন আগাছা মাথা তুলেছে। জঙ্গল নেমে এসেছে পুলের ভিতরেও। দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত রক্ষণাবেক্ষণ না থাকায় এবং শুকনো অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে পুলের মাঝে বসানো পাথর। এই সবকিছু দেখার পরেও কেন নিরুত্তাপ, নির্বিকার পুরসভা?
বিষয়টি নিয়ে অবশ্য আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরাও। তাদের দাবি, তৃণমূলে এখন পুরসভার চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি চলছে। মানুষের পরিষেবা নিয়ে ওদের ভাবার সময় নেই। শান্তিপুরের বিজেপি নেতা অমিত বৈরাগী বলেন, সুইমিং পুলে জল নেই। মানুষের বাড়িতে পানীয় জলের পরিষেবাও ঠিক নেই। এখন চেয়ারম্যানের কুর্সি নিয়ে টানাটানি চলছে। কে সেই দৌড়ে এগিয়ে যাবেন, তা নিয়ে ভাবার সময় থাকলেও তৃণমূলের নেতাদের মানুষের পরিষেবা নিয়ে ভাবার সময় নেই। যদিও বিষয়টির সঙ্গে রাজনীতিকে জড়াতে চায় না পুরসভা। কারণ ওই সুইমিং পুল এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার জন্য পুরসভা একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনবার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। কিন্তু যোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি। ফের চেষ্টা করা হয়েছে। এবার সমস্যা সমাধানের পথেই রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য শুভজিৎ দে বলেন, আমরা তিনবার টেন্ডার ডেকেছি। পর্যাপ্ত আবেদনকারী পাওয়া যায়নি তখন। সম্প্রতি ফের ডাকা হয়েছিল। তাতে অবশ্য উপযুক্ত বেশ কয়েকটি আবেদন পেয়েছি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে কাজ চলছে। আসন্ন ইংরেজি নতুন বছরে ফের নতুন ভাবে ওই সুইমিং পুল এবং সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু হবে। পুরসভা নিজের কাজ ঠিকই করছে।
বিষয়টি নিয়ে অবশ্য আক্রমণ শানিয়েছে বিরোধীরাও। তাদের দাবি, তৃণমূলে এখন পুরসভার চেয়ারম্যান কে হবেন, তা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি চলছে। মানুষের পরিষেবা নিয়ে ওদের ভাবার সময় নেই। শান্তিপুরের বিজেপি নেতা অমিত বৈরাগী বলেন, সুইমিং পুলে জল নেই। মানুষের বাড়িতে পানীয় জলের পরিষেবাও ঠিক নেই। এখন চেয়ারম্যানের কুর্সি নিয়ে টানাটানি চলছে। কে সেই দৌড়ে এগিয়ে যাবেন, তা নিয়ে ভাবার সময় থাকলেও তৃণমূলের নেতাদের মানুষের পরিষেবা নিয়ে ভাবার সময় নেই। যদিও বিষয়টির সঙ্গে রাজনীতিকে জড়াতে চায় না পুরসভা। কারণ ওই সুইমিং পুল এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার জন্য পুরসভা একাধিকবার উদ্যোগ নিয়েছে। তিনবার টেন্ডার ডাকা হয়েছে। কিন্তু যোগ্য কাউকে পাওয়া যায়নি। ফের চেষ্টা করা হয়েছে। এবার সমস্যা সমাধানের পথেই রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সদস্য শুভজিৎ দে বলেন, আমরা তিনবার টেন্ডার ডেকেছি। পর্যাপ্ত আবেদনকারী পাওয়া যায়নি তখন। সম্প্রতি ফের ডাকা হয়েছিল। তাতে অবশ্য উপযুক্ত বেশ কয়েকটি আবেদন পেয়েছি। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে কাজ চলছে। আসন্ন ইংরেজি নতুন বছরে ফের নতুন ভাবে ওই সুইমিং পুল এবং সাঁতার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু হবে। পুরসভা নিজের কাজ ঠিকই করছে।



