সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: লোকসভা ভোটে ছ’টিতে পিছিয়ে থাকলেও উপ নির্বাচনে মাদারিহাটের ১২টি অঞ্চলেই লিড পেল তৃণমূল কংগ্রেস। যা ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের শাসকদলকে বাড়তি অক্সিজেন জোগাবে। লোকসভা ভোটে মাদারিহাট বিধানসভায় তৃণমূল ও বিজেপি ছয়টি করে অঞ্চলে লিড পেয়েছিল। কিন্তু, কয়েকমাসের ব্যবধানে সেই ছয়টি অঞ্চলেও ধুলিস্যাত্ হয়ে গেল পদ্মশিবির।
Advertisement
লোকসভা ভোটে এই বিধানসভার ১২টি অঞ্চলের মধ্যে বিন্নাগুড়ি, সাঁকোয়াঝোরা-১, শিশুঝুমড়া, বীরপাড়া-১, ২ ও মাদারিহাট অঞ্চলে বিজেপি লিড পেয়েছিল। উপ নির্বাচনে ভোট বাড়িয়ে বীরপাড়া-১ এ ১৭৮০, বীরপাড়া-২ এ ১০৭৬, মাদারিহাটে ৩০০, শিশুঝুমড়ায় ১৪৪২, বিন্নাগুড়িতে ১৮০০ ও সাঁকোয়াঝোরা-১ অঞ্চলে ২৪৯৫ ভোটের লিড ছিনিয়ে এনেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই কয়েক মাসের মধ্যে ভোট বাড়িয়ে নেওয়াকে তাত্পর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। পাশাপাশি, চব্বিশের ভোটে লিড পাওয়া রাঙালিবাজনা, টোটোপাড়া-বল্লালগুড়ি, খয়েরবাড়ি, হান্টাপাড়া, লঙ্কাপাড়া ও বান্দাপানি অঞ্চলে উপ নির্বাচনে লিড আরও বাড়িয়ে নিয়েছে জোড়াফুল শিবির। ফলে, এই সাফল্য ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের যে আরও বেশী উজ্জ্বীবিত করবে, তাতে সন্দেহ নেই।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিকবরাইক বলেন, মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে আমরা দলের জয় নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল চব্বিশের ভোটে পিছিয়ে পড়া ছয়টি অঞ্চলে ভোট বাড়িয়ে বিজেপির থেকে লিড নেওয়া। আমরা বিজেপিকে সেই জায়গায় টেক্কা দিতে পেরেছি। দলের কর্মী সমর্থকরা বুথের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে, উপ নির্বাচনে হেরে দিশেহারা বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা বুঝতে পারছে না, চব্বিশের ভোটে পিছিয়ে পড়া ছয়টি অঞ্চলেও কীভাবে লিড নিল তৃণমূল! উপ নির্বাচনের ফলাফলের প্রাথমিক পর্যালোচনার পর বিজেপি নেতৃত্ব স্বীকার করেছে, লোকসভা ভোটের পর বুথ সংগঠনে খামতি থাকার কারণেই উপ নির্বাচনে তাঁদের ভোটব্যাঙ্কে ধস নেমেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, কেন এমন হল বুথভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনার পরেই সেটা বলতে পারব। তবে বুথ সংগঠনে আমাদের খামতির কারণেও এই ফল হতে পারে।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ প্রকাশ চিকবরাইক বলেন, মাদারিহাট বিধানসভার উপ নির্বাচনে আমরা দলের জয় নিয়ে নিশ্চিত ছিলাম। কিন্তু আমাদের লক্ষ্য ছিল চব্বিশের ভোটে পিছিয়ে পড়া ছয়টি অঞ্চলে ভোট বাড়িয়ে বিজেপির থেকে লিড নেওয়া। আমরা বিজেপিকে সেই জায়গায় টেক্কা দিতে পেরেছি। দলের কর্মী সমর্থকরা বুথের মাটি কামড়ে পড়ে থাকার জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে, উপ নির্বাচনে হেরে দিশেহারা বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা বুঝতে পারছে না, চব্বিশের ভোটে পিছিয়ে পড়া ছয়টি অঞ্চলেও কীভাবে লিড নিল তৃণমূল! উপ নির্বাচনের ফলাফলের প্রাথমিক পর্যালোচনার পর বিজেপি নেতৃত্ব স্বীকার করেছে, লোকসভা ভোটের পর বুথ সংগঠনে খামতি থাকার কারণেই উপ নির্বাচনে তাঁদের ভোটব্যাঙ্কে ধস নেমেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি তথা সাংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, কেন এমন হল বুথভিত্তিক ফলাফল পর্যালোচনার পরেই সেটা বলতে পারব। তবে বুথ সংগঠনে আমাদের খামতির কারণেও এই ফল হতে পারে।



