নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: জেলা সংগঠনে রদবদলের বার্তা দিয়েছেন তৃণমূলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পারফরমেন্স বিচার করে জেলা সভাপতি পদেও রদবদল হবে বলে শুনিয়েছেন তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাতেই জোর জল্পনা শুরু হয়েছে পুরুলিয়ায়। লোকসভায় কাঙ্ক্ষিত জয় না আসায় পুরুলিয়ার জেলা সভাপতি বদলের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে দলের অন্দরে। ভাসতে শুরু করেছে কিছু নাম।
Advertisement
প্রসঙ্গত, এবারের লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যজুড়ে সামগ্রিক ফলাফল ভালো হলেও পুরুলিয়া কেন্দ্রে পরাজয় হয়েছে তৃণমূলের। গতবারের তুলনায় এবারে হারের ব্যবধান কিছুটা কমলেও তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, পুরুলিয়া আসনটিতে জেতার সবরকম রসদই ছিল। কিন্তু দলের মধ্যেই ‘অন্তর্ঘাত’ হয়েছে। সেই কারণেই কাঙ্ক্ষিত জয় অধরাই থেকে গিয়েছে। এনিয়ে দলীয়স্তরে পর্যালোচনাও হয়েছে বিস্তর। কাটাছেঁড়া হয়েছে জেলা সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়ার ভূমিকা নিয়েও। নেতৃত্বের একাংশের অনুযোগ, লোকসভা নির্বাচনে দলের ‘সেনাপতি’ হয়ে কাজ করার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু, সেই ভূমিকায় তাঁকে দেখা যায়নি। সবাইকে নিয়ে চলার বদলে বারংবার তিনি ‘একলা চলো’ নীতিকেই পাথেয় করেছেন।
তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যায়, জেলা নেতাদের কারও সঙ্গেই এই মুহূর্তে তেমন সুসম্পর্ক নেই সৌমেনবাবুর। প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু ও তাঁর স্ত্রী তথা মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু, জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বাঘমুণ্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাত- সবার সঙ্গেই ‘শীতল’ সম্পর্ক তাঁর। প্রত্যেকের নিজস্ব গোষ্ঠী তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফলে, ‘শত্রুর’ সংখ্যা নেহাতই কম নয়। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে নানা অভিযোগও জানিয়েছেন। তার উপর সম্প্রতি তাঁর অনুগামীদের কাশীপুর থানায় ঢুকে পুলিসকে মারধরের ঘটনা অন্য মাত্রা যোগ করেছে। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি রাজ্য নেতৃত্ব। সৌমেন বিরোধীরাও বর্তমানে এককাট্টা হয়ে তাঁর বদলের দাবি তুলছেন। যদিও এসব কানাঘুষোয় বিশেষ পাত্তা না দিয়ে সবকিছু দলের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন সৌমেনবাবু। ঘনিষ্ঠমহলে তাঁর দাবি, ‘এখনও পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই রয়েছে। তিনিই জেলা সভাপতি পদে বহাল থাকছেন।’
তবে, সৌমেনবাবুকে সরানো হলে কাকে দল দায়িত্ব দেবে তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বিস্তর। গত বৃহস্পতিবার ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেদিনই কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়ে জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। সেখানে পুরুলিয়া থেকে উপস্থিত ছিলেন একমাত্র বাঘমুণ্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাত। অভিষেককে কেক খাইয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন তিনি। কেক খাওয়ানোর সেই মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তাঁকে নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাহলে কি দলে আরও গুরুত্ব বাড়ছে তাঁর? যদিও সুশান্তবাবু বলেন, এগুলো দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যাপার। দল আমাকে কোনও দায়িত্ব দিলে যথাযথভাগবে পালনের চেষ্টা করব।
যদিও রাজনীতিবিদদের একাংশ মনে করাচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভায় সুশান্তবাবুর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বাঘমুণ্ডি থেকে প্রায় ১১হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। সেক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি ইডির সমনও পেয়েছিলেন। তাঁকে যদি দায়িত্ব দেয়, সেক্ষেত্রে চলমান দ্বন্দ্ব কি আদৌ মিটবে? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আপাতত কী হয়, সেই দিকেই তাকিয়ে নেতা থেকে কর্মীরা।
তৃণমূলের অন্দরে কান পাতলে শোনা যায়, জেলা নেতাদের কারও সঙ্গেই এই মুহূর্তে তেমন সুসম্পর্ক নেই সৌমেনবাবুর। প্রাক্তন জেলা সভাপতি গুরুপদ টুডু ও তাঁর স্ত্রী তথা মন্ত্রী সন্ধ্যারানি টুডু, জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি সুজয় বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে বাঘমুণ্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাত- সবার সঙ্গেই ‘শীতল’ সম্পর্ক তাঁর। প্রত্যেকের নিজস্ব গোষ্ঠী তৈরি হয়ে গিয়েছে। ফলে, ‘শত্রুর’ সংখ্যা নেহাতই কম নয়। তাঁর বিরুদ্ধে অনেকেই দলের রাজ্য নেতৃত্বের কাছে নানা অভিযোগও জানিয়েছেন। তার উপর সম্প্রতি তাঁর অনুগামীদের কাশীপুর থানায় ঢুকে পুলিসকে মারধরের ঘটনা অন্য মাত্রা যোগ করেছে। বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি রাজ্য নেতৃত্ব। সৌমেন বিরোধীরাও বর্তমানে এককাট্টা হয়ে তাঁর বদলের দাবি তুলছেন। যদিও এসব কানাঘুষোয় বিশেষ পাত্তা না দিয়ে সবকিছু দলের উপরেই ছেড়ে দিয়েছেন সৌমেনবাবু। ঘনিষ্ঠমহলে তাঁর দাবি, ‘এখনও পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাকই রয়েছে। তিনিই জেলা সভাপতি পদে বহাল থাকছেন।’
তবে, সৌমেনবাবুকে সরানো হলে কাকে দল দায়িত্ব দেবে তা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে বিস্তর। গত বৃহস্পতিবার ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেদিনই কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়ে জন্মদিন উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। সেখানে পুরুলিয়া থেকে উপস্থিত ছিলেন একমাত্র বাঘমুণ্ডির বিধায়ক সুশান্ত মাহাত। অভিষেককে কেক খাইয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন তিনি। কেক খাওয়ানোর সেই মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই তাঁকে নিয়ে জোর জল্পনা তৈরি হয়েছে। তাহলে কি দলে আরও গুরুত্ব বাড়ছে তাঁর? যদিও সুশান্তবাবু বলেন, এগুলো দলের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যাপার। দল আমাকে কোনও দায়িত্ব দিলে যথাযথভাগবে পালনের চেষ্টা করব।
যদিও রাজনীতিবিদদের একাংশ মনে করাচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভায় সুশান্তবাবুর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র বাঘমুণ্ডি থেকে প্রায় ১১হাজার ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। সেক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্ব প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রয়েছে। তিনি ইডির সমনও পেয়েছিলেন। তাঁকে যদি দায়িত্ব দেয়, সেক্ষেত্রে চলমান দ্বন্দ্ব কি আদৌ মিটবে? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। আপাতত কী হয়, সেই দিকেই তাকিয়ে নেতা থেকে কর্মীরা।



