নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বন্যার দগদগে ঘা এখনও শুকোয়নি আরামবাগবাসীর। সেই পরিস্থিতির মধ্যে এবার আরামবাগ মহকুমার বাসিন্দাদের কষ্ট বুঝে, তা নিয়ে সংসদে সরব হলেন এমপি মিতালি বাগ। তাতেই খুশি মহকুমার বাসিন্দারা। বাসিন্দারা বলছেন, বন্যা রুখতে বারবার সরব হতে হবে জন প্রতিনিধিদের।
Advertisement
আরামবাগ মহকুমায় বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসিকে দায়ী করেছেন সাংসদ। সোমবার লোকসভার শীতকালীন অধিবেশনে মিতালিদেবী বলেন, আরামবাগ লোকসভার দুঃখ ডিভিসি। কেন্দ্রীয় সরকার বাঁধ তৈরি করতে পুরোপুরি ব্যর্থ। তাই আমরা ডিভিসির পুরো কথা বলি ডি মানে ডোবানো, ভি মানে ভাসানো এবং সি মানে চোবানো। তিনি আরও বলেন, এক রাতে ডিভিসির কয়েক লক্ষ কিউসেক জল ছাড়ার ফলে আরামবাগ মহকুমা বিপর্যস্ত হয়। অবিলম্বে নদীগুলিতে ড্রেজিং ও পাড় বাঁধানোর ব্যবস্থা করতে হবে।
ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগ লোকসভা এলাকার মানুষকে ফি বছর বানভাসি হতে হয়। সাংসদ নিজেই এবার দুর্গত এলাকায় গিয়ে মানুষের পাশে ছিলেন। অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী নিজের হাতে তুলে দিয়েছেন। নিজে দেখেছেন দুর্গত মানুষগুলির দুর্দশা। ফি বছর এই দুর্দশার হাত থেকে মুক্তি চান আরামবাগের বাসিন্দারা। সেই দাবিই এদিন সাংসদ অধিবেশনে তুলে ধরায় বাসিন্দারা মনে করছেন এবার কিছু কাজ হলেও হতে পারে।
খানাকুলের বাসিন্দা প্রকাশ রায় বলেন, বর্ষাকাল এলেই আমাদের চিন্তা বাড়ে। ফি বছর বানভাসি হতে হয়। ফসল তোলা যায় না ঘরে। দীর্ঘদিন বহু মানুষকে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়ে থাকতে হয়। সাংসদ এই সমস্যার কথা দেশের সবাইকে জানিয়েছেন। আমরা আশাবাদী এবার সরকার কিছু করবে।
বন্যার সময় খানাকুলের রাজহাটি বাজার বেশ কয়েকদিন ডুবে ছিল। সেখানকার বাসিন্দা অমিত আঢ্য বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণে ডিভিসির প্রকল্প অসম্পূর্ণ। তার ফল ভুগতে হচ্ছে খানাকুলের বাসিন্দাদের। এদিন সাংসদের মাধ্যমে খানাকুলের কথা গোটা দেশ জেনেছে। আশা করছি বন্যা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ হবে।
বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ডিভিসিতে রাজ্যের প্রতিনিধিও রয়েছেন। ফলে কী পরিস্থিতিতে জল ছাড়তে হয়, তা তাঁরা জানেন। নদীর ড্রেজিং বা বাঁধ সংস্কার রাজ্যের কাজ। সেগুলি রাজ্য সেচদপ্তর ভালোভাবে করে না। আমরাও এব্যাপারে বিধানসভায় বলেছি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ আরামবাগ মহকুমায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অতি বৃষ্টির সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত হয় মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রাণহানির পাশাপাশি রাস্তা, ঘর বাড়ি, বিদ্যুৎ সব ক্ষেত্রেই বিপুল ক্ষতি হয়েছে মহকুমায়। বন্যা কবলিত এলালার বাসিন্দারা বলেন, এখনও বিভিন্ন জায়গায় নদীবাঁধ দুর্বল হয়ে রয়েছে। বাঁধ ভেঙে আগামী বছর প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। তাই বর্ষার আগে সেইসব অংশের মেরামতি প্রয়োজন।
এদিন সংসদে মিতালিদেবী অঙ্গনওয়াড়ি প্রজেক্ট নিয়েও সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, আগামীদিনের শিশুদের পুষ্টির কথা ভেবে অবিলম্বে আইসিডিএস-এর বরাদ্দ বাড়ানো হোক। তারসঙ্গে কর্মী ও সহায়িকাদের সাম্মানিকও বাড়ানো হোক। সাংসদের এই ভাষণেও খুশি আইসিডিএসএর কর্মীরা। আরামবাগের এক কর্মী মধুমিতা ভট্টাচার্য বলেন, সংসদে আমাদের প্রকল্প নিয়ে বলায় সাংসদ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
দিল্লি থেকে ফোনে মিতালিদেবী বলেন, বন্যা আমাদের এলাকার অন্যতম সমস্যা। তাই তার সমাধান চেয়ে সংসদে বলেছি। দল বলতে দেওয়ার এই সুযোগ দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।
ডিভিসির ছাড়া জলে আরামবাগ লোকসভা এলাকার মানুষকে ফি বছর বানভাসি হতে হয়। সাংসদ নিজেই এবার দুর্গত এলাকায় গিয়ে মানুষের পাশে ছিলেন। অসহায় মানুষের হাতে ত্রাণসামগ্রী নিজের হাতে তুলে দিয়েছেন। নিজে দেখেছেন দুর্গত মানুষগুলির দুর্দশা। ফি বছর এই দুর্দশার হাত থেকে মুক্তি চান আরামবাগের বাসিন্দারা। সেই দাবিই এদিন সাংসদ অধিবেশনে তুলে ধরায় বাসিন্দারা মনে করছেন এবার কিছু কাজ হলেও হতে পারে।
খানাকুলের বাসিন্দা প্রকাশ রায় বলেন, বর্ষাকাল এলেই আমাদের চিন্তা বাড়ে। ফি বছর বানভাসি হতে হয়। ফসল তোলা যায় না ঘরে। দীর্ঘদিন বহু মানুষকে ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়ে থাকতে হয়। সাংসদ এই সমস্যার কথা দেশের সবাইকে জানিয়েছেন। আমরা আশাবাদী এবার সরকার কিছু করবে।
বন্যার সময় খানাকুলের রাজহাটি বাজার বেশ কয়েকদিন ডুবে ছিল। সেখানকার বাসিন্দা অমিত আঢ্য বলেন, বন্যা নিয়ন্ত্রণে ডিভিসির প্রকল্প অসম্পূর্ণ। তার ফল ভুগতে হচ্ছে খানাকুলের বাসিন্দাদের। এদিন সাংসদের মাধ্যমে খানাকুলের কথা গোটা দেশ জেনেছে। আশা করছি বন্যা নিয়ে কোনও পদক্ষেপ হবে।
বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, ডিভিসিতে রাজ্যের প্রতিনিধিও রয়েছেন। ফলে কী পরিস্থিতিতে জল ছাড়তে হয়, তা তাঁরা জানেন। নদীর ড্রেজিং বা বাঁধ সংস্কার রাজ্যের কাজ। সেগুলি রাজ্য সেচদপ্তর ভালোভাবে করে না। আমরাও এব্যাপারে বিধানসভায় বলেছি।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাস নাগাদ আরামবাগ মহকুমায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। অতি বৃষ্টির সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে প্লাবিত হয় মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রাণহানির পাশাপাশি রাস্তা, ঘর বাড়ি, বিদ্যুৎ সব ক্ষেত্রেই বিপুল ক্ষতি হয়েছে মহকুমায়। বন্যা কবলিত এলালার বাসিন্দারা বলেন, এখনও বিভিন্ন জায়গায় নদীবাঁধ দুর্বল হয়ে রয়েছে। বাঁধ ভেঙে আগামী বছর প্লাবনের আশঙ্কা রয়েছে। তাই বর্ষার আগে সেইসব অংশের মেরামতি প্রয়োজন।
এদিন সংসদে মিতালিদেবী অঙ্গনওয়াড়ি প্রজেক্ট নিয়েও সরব হয়েছেন। তিনি বলেন, আগামীদিনের শিশুদের পুষ্টির কথা ভেবে অবিলম্বে আইসিডিএস-এর বরাদ্দ বাড়ানো হোক। তারসঙ্গে কর্মী ও সহায়িকাদের সাম্মানিকও বাড়ানো হোক। সাংসদের এই ভাষণেও খুশি আইসিডিএসএর কর্মীরা। আরামবাগের এক কর্মী মধুমিতা ভট্টাচার্য বলেন, সংসদে আমাদের প্রকল্প নিয়ে বলায় সাংসদ ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমরা কৃতজ্ঞ।
দিল্লি থেকে ফোনে মিতালিদেবী বলেন, বন্যা আমাদের এলাকার অন্যতম সমস্যা। তাই তার সমাধান চেয়ে সংসদে বলেছি। দল বলতে দেওয়ার এই সুযোগ দেওয়ায় আমি কৃতজ্ঞ।



