নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বনদপ্তরের লিখিত প্রতিশ্রুতি না পেয়ে বিক্ষোভ অবস্থানে অনড় ফরেস্ট সার্ভিস এমপ্লয়িজ ফেডারেশন। ১৫ দফা দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু করে সংগঠনটি। কিন্তু বনদপ্তরের রায়গঞ্জ ডিভিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে সমাধান সূত্র না মেলায় রাতভর অবস্থান চলতে থাকে। সংগঠনটি শুক্রবার সন্ধ্যায় জানায়, এদিনও দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়ায় রায়গঞ্জের ডিএফও দপ্তরে বিক্ষোভ অবস্থান অব্যাহত রাখবে তারা। যদিও এ ব্যাপারে ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও বক্তব্য মেলেনি।
Advertisement
সরকারি নিয়ম মেনে ছুটি, ডিউটির সময়, পারিশ্রমিক বৃদ্ধি সহ স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীদের ১৫ দফা দাবি মেটাচ্ছে না বনদপ্তর। তাই জোটবদ্ধ হয়ে বৃহস্পতিবার থেকে রায়গঞ্জের ডিএফওর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ অবস্থান শুরু করেন দপ্তরের স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীরা। ডিএফও ভূপেন বিশ্বকর্মার সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমাধানের আর্জি জানান তাঁরা। কিন্তু সমস্যার কোনও সমাধান হয়নি।
অস্থায়ী কর্মীদের সংগঠন ফরেস্ট সার্ভিস এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের রায়গঞ্জ মালদহ ডিভিশন কমিটির চেয়ারম্যান সুনীল কুমার ঘোষের দাবি, রায়গঞ্জ ডিভিশনের ৮ রেঞ্জের কর্মীরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। আমরা বনদপ্তরের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতি চেয়েছিলাম। কিন্তু বনদপ্তরের রায়গঞ্জ ডিভিশন তা মানতে রাজি নয়। তাই বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার আন্দোলন আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। শুক্রবার আমরা অবস্থানে অনড়। তাঁর দাবি রেঞ্জ অফিসারদের শূন্য পদ সম্পূর্ণ পূরণ হয়নি। দরকার ছিল ৮ জনের। রয়েছেন ৬ জন। বিট অফিসারের ১২ টা পদ রয়েছে। সেখানে রয়েছেন মাত্র ৪ জন।
ফরেস্ট গার্ড থাকার কথা ৩৪ জন, আছে ৪ জন।
সুনীলের কথায়, দপ্তরের পুরো কাজের চাপ সামাল দিচ্ছেন ১৩২ জন অস্থায়ী কর্মী, অরণ্য সাথী, বন শ্রমিকরা। তিন মাস আগেও তাঁরা রায়গঞ্জের ডিএফও দপ্তরে ১৫ দফা দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু সেই দাবি মেটানোর প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি।
অস্থায়ী কর্মীদের সংগঠন ফরেস্ট সার্ভিস এমপ্লয়িজ ফেডারেশনের রায়গঞ্জ মালদহ ডিভিশন কমিটির চেয়ারম্যান সুনীল কুমার ঘোষের দাবি, রায়গঞ্জ ডিভিশনের ৮ রেঞ্জের কর্মীরা কর্মবিরতিতে রয়েছেন। আমরা বনদপ্তরের কাছে লিখিত প্রতিশ্রুতি চেয়েছিলাম। কিন্তু বনদপ্তরের রায়গঞ্জ ডিভিশন তা মানতে রাজি নয়। তাই বৃহস্পতিবার থেকে লাগাতার আন্দোলন আমরা চালিয়ে যাচ্ছি। শুক্রবার আমরা অবস্থানে অনড়। তাঁর দাবি রেঞ্জ অফিসারদের শূন্য পদ সম্পূর্ণ পূরণ হয়নি। দরকার ছিল ৮ জনের। রয়েছেন ৬ জন। বিট অফিসারের ১২ টা পদ রয়েছে। সেখানে রয়েছেন মাত্র ৪ জন।
ফরেস্ট গার্ড থাকার কথা ৩৪ জন, আছে ৪ জন।
সুনীলের কথায়, দপ্তরের পুরো কাজের চাপ সামাল দিচ্ছেন ১৩২ জন অস্থায়ী কর্মী, অরণ্য সাথী, বন শ্রমিকরা। তিন মাস আগেও তাঁরা রায়গঞ্জের ডিএফও দপ্তরে ১৫ দফা দাবি নিয়ে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু সেই দাবি মেটানোর প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি।



