নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর ও সংবাদদাতা, ডোমকল: পঁয়তাল্লিশ বছরের এক প্রৌঢ়ের লালসার শিকার হল ছ’বছরের শিশু। লজেন্সের লোভ দেখিয়ে তাকে ঘরে ডেকে যৌন নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ। ডোমকলের ওই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। সালিশি বসিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। অভিযুক্তের হয়ে গ্রামের কয়েকজন প্রভাবশালী নির্যাতিতার পরিবারকে চাপ দিতে থেকে। বলা হয়, এই ঘটনা জানাজানি হলে মেয়ের বিয়ে হবে না। তাই টাকা নিয়ে চুপ হয়ে যাও। কিন্তু, পরিবার থানায় অভিযোগ করে। সেইমতো অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম নুর নবী মণ্ডল। নির্যাতিতার পরিবার অভিযুক্তের ফাঁসির দাবি জানিয়েছে। ডোমকলের এসডিপিও শুভম বাজাজ বলেন, পকসো আইনে মামলা রুজু করে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত চলছে।
Advertisement
স্থানীয় ও পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে বাড়ির সামনে ওই শিশু খেলা করছিল। সেই সময় প্রতিবেশী নুর নবী তাকে লজেন্স দেওয়ার লোভ দেখিয়ে ঘরে ডাকে। তারপরই শুরু হয় তার উপর পৈশাচিক অত্যাচার। অভিযোগ, যৌন নির্যাতন চালানো হয়। কাঁদতে কাঁদতে সে বাড়ি ফেরে। মা-বাবাকে ঘটনার কথা বলে। ক্ষোভে ফেটে পড়েন পরিবারের লোকজন। প্রথম দিকে তাঁদের কথা গায়ে নেয়নি অভিযুক্ত। তার দাবি, সে কিছুই করেনি। পরে ক্ষোভের মুখে সে বিষয়টি স্বীকার করে নেয়। তারপর একাধিকবার সে নাবালিকার পরিবারকে বিষয়টি মীমাংসা করে নেওয়ার জন্য বলে। যদিও নাবালিকার পরিবার তাতে রাজি হয়নি। শুক্রবার রাতে ডোমকল থানায় তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করা হয়। পুলিস পকসো ধারায় মামলা রুজু করে। নির্যাতিতার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়।
মামলা দায়ের হতেই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। তার খোঁজে রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিস। শেষমেশ পুলিস জানতে পারে, অভিযুক্ত হরিহরপাড়ায় গা ঢাকা দিয়েছে। শনিবার হরিহরপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ, রবিবার তাকে বহরমপুরে পকসোর বিশেষ আদালতে পাঠাবে পুলিস।
নির্যাতিতার পরিবারের এক সদস্য বলেন, নুর সম্পর্কে শিশুটির দাদু হয়। সে ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে এমন করবে, তা ভাবতেই পারছি না। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা এর বিচার চাই।
নির্যাতিতার মাসি বলেন, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সালিশি বসানো হয়। আমাদের বলা হয়, ঘটনা জানাজানি হবে, মেয়ে বড় হলে, বিয়ে দিতে পারবে না। কিন্তু, আমরা অভিযুক্তের ফাঁসি চাই। আজ আমাদের মেয়ের সঙ্গে হয়েছে। কাল অন্যের মেয়ের সঙ্গে এমনটা হবে। তাই থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিস বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
অভিযুক্তের চরম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন আশেপাশের বাসিন্দারাও। এক শিক্ষক বলেন, একটা মানুষ এতটা নীচ হয়, তা জানতাম না। ওই ব্যক্তির উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।
মামলা দায়ের হতেই অভিযুক্ত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। তার খোঁজে রাতভর তল্লাশি চালায় পুলিস। শেষমেশ পুলিস জানতে পারে, অভিযুক্ত হরিহরপাড়ায় গা ঢাকা দিয়েছে। শনিবার হরিহরপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ, রবিবার তাকে বহরমপুরে পকসোর বিশেষ আদালতে পাঠাবে পুলিস।
নির্যাতিতার পরিবারের এক সদস্য বলেন, নুর সম্পর্কে শিশুটির দাদু হয়। সে ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে এমন করবে, তা ভাবতেই পারছি না। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি। আমরা এর বিচার চাই।
নির্যাতিতার মাসি বলেন, বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য সালিশি বসানো হয়। আমাদের বলা হয়, ঘটনা জানাজানি হবে, মেয়ে বড় হলে, বিয়ে দিতে পারবে না। কিন্তু, আমরা অভিযুক্তের ফাঁসি চাই। আজ আমাদের মেয়ের সঙ্গে হয়েছে। কাল অন্যের মেয়ের সঙ্গে এমনটা হবে। তাই থানায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। পুলিস বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
অভিযুক্তের চরম শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন আশেপাশের বাসিন্দারাও। এক শিক্ষক বলেন, একটা মানুষ এতটা নীচ হয়, তা জানতাম না। ওই ব্যক্তির উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।



