নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: ডালখোলা হোক কিংবা ডানকুনি। শিলিগুড়ি হোক বা কলকাতা। রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণের ট্রাফিক ব্যবস্থার সরাসরি লাইভ ফুটেজ দেখা যাবে এবার। গুরুত্বপূর্ণ শহর, টোল এবং এলাকায় বসানো হয়েছে লাইভ ক্যামেরা। কোথায় যানজট? কেন যানজট? সল্টলেকে আরক্ষা ভবনে রাজ্য ট্রাফিক পুলিশের সদর দপ্তরে বসেই দেখা যাবে তার লাইভ ফুটেজ। শুক্রবার সেখানে এই লাইভ ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমের উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেই সঙ্গে কৃত্রিম যানজট বা ট্রাফিক ভায়োলেশন সংক্রান্ত অভিযোগ জানানোর জন্য চালু করা হয়েছে টোল ফ্রি নম্বরও। নম্বরটি হল ১৮০০ ৩৪৫ ৮৯২২।
এদিনের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ, পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক, কলকাতা, শিলিগুড়ির মতো শহর এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকা যুক্ত থাকছে। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে কি বর্ধমানের পালসিট থেকে ডানকুনি, কালিয়াচক, ডালখোলা, ইসলামপুর এলাকায় কৃত্রিমভাবে যানজট তৈরি করা হচ্ছে? নাকি সত্যিই ট্রাফিক জ্যাম হচ্ছে, তা দেখা যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আগের সরকার পুলিশকে বাধ্য করেছিল টাকা তুলে উপরে পাঠাতে। আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। আর যানজট হবে না।’
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পুজোর আগেই রাজ্যের সব জাতীয় সড়ক এবং রাজ্য সড়কে প্যাচওয়ার্ক হবে। জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদেরও বলা হয়েছে, তাঁরা ঘুরে দেখবেন। ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর দরকার হলে বসানো হবে। জাতীয় সড়কে ব্যারিকেড থাকলে অভিযোগ জানান। আমরা ক্যুইক অ্যাকশন নেব। ৩০০ থানাকে মডেল পুলিশ স্টেশন করা হবে। জিম থাকবে। পুলিশের নিয়োগ আগের সরকারের মতো এসএমএসে হবে না। নিয়ম মেনেই হবে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের রাস্তায় ৬০ শতাংশ পার্কিং। তাই বিকল্প পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করা হবে। ফোন করলে পুলিশ পৌঁছাতে জেলায় ৩০-৬০ মিনিট, কলকাতায় ১৫-২০ সময় লাগে। না আছে গাড়ি, না আছে চালক। তাই ৪৫০ গাড়ি, ৪৫০ বাইক দেওয়া হবে। এমারজেন্সি ১১২ নম্বরও চালু হবে রাজ্যে।’