Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে’ নাম উঠল ঝাড়গ্রামের খুদে আয়ান্সের!

‘ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে’ নাম উঠল ঝাড়গ্রামের খুদে আয়ান্সের!
  • ৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ছোট্ট আয়ান্স সাহুর বাড়ি ঝাড়গ্রাম শহরের ঘোড়াধরা এলাকায়। মাত্র দেড় বছর বয়েসেই ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস তাঁর নাম উঠেছে। বাড়িতে এসে পৌঁছেছে শংসাপত্র, পেন, আইকার্ড , মেডেল বই। বাংলা মাসের নাম, ঋতুর নাম, নামতা, ইংরেজি ছড়া অনর্গল বলতে পারে। খুদে প্রতিভার কান্ডকারখানায় স্তম্ভিত শহরবাসী। প্রতিভার স্ফুরণ ঘটা শুরু হয় ১৪ মাস বয়স থেকেই। একবার শুনেই আধো আধো গলায় সবকিছু বলে দিতে শুরু করে। গান তাঁর বেজায় পছন্দ। মোবাইলে গান চালালে চুপ করে শোনে। তারপর আপন খেয়ালে গেয়ে ওঠে গান। ঘরের ভিতর টেবিলে বইপত্র ছড়ানো দেখলে ছুটে যায়। বাড়ির চারপাশে থাকা পোকামাকড়, কীটপতঙ্গের নাম এই বয়সেই  জানা হয়ে গিয়েছে। খুদের এমন কান্ডকারখানায় এলাকার মানুষও স্তম্ভিত ।বাবা নীলমাধব সাহু ঝাড়গ্রাম শহরের কুমুদকুমারী ইনস্টিটিউশনের বাংলা বিষয়ের অতিথি শিক্ষক। মা মন্দিরা সাহু গৃহবধূ। মা মন্দিরা সাহু বললেন, ওর যখন চোদ্দ মাস বয়স, দেখতাম আমাদের কথাবার্তা অনুকরণ করছে। ছড়া, বাংলা মাসের নাম, ঋতুর নাম, অক্ষর, সংখ্যা, নামতা বললে পাল্টা বলছে। আয়ান্সের বাবা নীলমাধব সাহু বলেন, গত ১১ এপ্রিল ছেলের বিভিন্ন বিষয়ে বলা ১০টি ভিডিও ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডস ই-মেল করে পাঠিয়েছিলাম। আইবিআর অ্যাচিভার হিসেবে ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডসে সিলেক্টেড হয়েছে বলে গত ১৫ এপ্রিল আমাদের জানানো হয়। ক্যুরিয়ার মারফত মেডেল, শংসাপত্র, পেন, কার্ড, পেন বাড়িতে আসে। এত কম বয়সে অনেক কিছু বলতে পারছে। আমাদের কাছে বিষয়টি আনন্দের ।  বাবা-মায়ের সঙ্গে আয়ান্স সাহু।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ