নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজের পর এবার জলপাইগুড়ির আনন্দচন্দ্র কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার হল প্রচুর মদের বোতল। সেইসঙ্গে বন্ধ ইউনিয়ন রুমের দরজা খুলে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জামাকাপড় মিলেছে বলে দাবি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের। এ ঘটনায় আলোড়ন ছড়িয়েছে জলপাইগুড়ি শহরে। কলেজের ইউনিয়ন রুমে এত মদের বোতল কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন রুমের ভিতরে কেন ছেলেমেয়েদের পোশাক পড়ে থাকবে, তা নিয়েও চর্চা তুঙ্গে। এ ব্যাপারে অবশ্য কলেজ কর্তৃপক্ষ কোনো মন্তব্য করতে নারাজ। কলেজের অধ্যক্ষ দেবাশিস দাসকে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। উত্তর দেননি মেসেজের।
অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের জলপাইগুড়ি শহর ব্লকের কনভেনর বিনায়ক দাস বলেন, মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি আনন্দ চন্দ্র কলেজের বন্ধ ইউনিয়ন রুমের দরজা খুলে দেখা যায়, ঘরের ভিতরে প্রচুর মদের বোতল ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। মদের পেটি পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। যা থেকে সহজেই বোঝা যায়, কলেজের ইউনিয়ন রুমে পেটি করে মদ ঢুকত। শুধু তাই নয়, ইউনিয়ন রুমের ভিতরে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদের জামাকাপড় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। এর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কলেজের ইউনিয়ন রুমের ভিতরে কী চলত। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের দাবি, গোটা বিষয়টি ভিডিয়ো করে কলজে কর্তৃপক্ষকে দেখানো হয়েছে। কলেজ অধ্যক্ষ সবটা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতারা। একসময় সংগঠনের রাজ্য কমিটিতে থাকা দেবজ্যোতি সরকারের কাছে এনিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে আমি কোনো মন্তব্য করব না। তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রাক্তন জেলা সভাপতি গৌরব সরকারের মোবাইলে ফোন করা হলে তাঁর পরিবারের একজন রিসিভ করে জানান, গৌরব বাড়িতে নেই। ফলে তাঁরও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। • নিজস্ব চিত্র।