Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

খরিফ মরশুমের শুরুতেই হালকা বৃষ্টি, বীজতলা করে স্বস্তিতে চাষিরা

বৃষ্টি হলেই বন্যার আতঙ্কে ভুগছেন একাধিক গ্রামের মানুষ। কিন্তু সেখানে বৃষ্টিই ধান চাষিদের ক্ষেত্রে যেন আশীর্বাদ! খরিফ মরশুমে ধান চাষ শুরুর আগে অল্প ও মাঝারি বৃষ্টির জেরে জমিতে জলের পরিমাণ বাড়বে বলেই মত কৃষিদপ্তরের আধিকারিকদের।

খরিফ মরশুমের শুরুতেই হালকা বৃষ্টি, বীজতলা করে স্বস্তিতে চাষিরা
  • ১০ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বৃষ্টি হলেই বন্যার আতঙ্কে ভুগছেন একাধিক গ্রামের মানুষ। কিন্তু সেখানে বৃষ্টিই ধান চাষিদের ক্ষেত্রে যেন আশীর্বাদ! খরিফ মরশুমে ধান চাষ শুরুর আগে অল্প ও মাঝারি বৃষ্টির জেরে জমিতে জলের পরিমাণ বাড়বে বলেই মত কৃষিদপ্তরের আধিকারিকদের। ইতিমধ্যেই খরিফ মরশুমে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ৩ লক্ষ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এদিকে মরশুমের শুরুতেইবৃষ্টি হওয়ায় জেলার চাষিরা খুশি। একইসঙ্গে স্বস্তিতে প্রশাসনের আধিকারিকরাও। কৃষি বিভাগের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, এবছর ভালো পরিমাণ বৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি না হলে সমস্যায় পড়তে হতো চাষিদের। বাড়তি টাকা খরচ করে জমিতে জল দিতে হতো। কাজেই ধান চাষ শুরুর মুখে এই হালকা বৃষ্টি স্বস্তি দিয়েছেচাষিদের। অ্যাডিশনাল ডিস্ট্রিক্ট মিশন ডিরেক্টর ওদায়িত্বপ্রাপ্ত অতিরিক্ত জেলাশাসক (কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, খরিফ মরশুমে জেলায় ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে বলে আমরা আশাবাদী। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। উপকৃত হচ্ছেন চাষিরা। কৃষি দপ্তরের আধিকারিকরা চাষের জমিতে নজরদারি চালাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, ধান চাষের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য চাষিদের উৎসাহ দিচ্ছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কৃষি দপ্তর। ইতিমধ্যেই জেলার প্রতি ব্লকে ধান চাষের প্রবণতা বেড়েছে। এছাড়া সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হচ্ছেন চাষিরা।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় খরিফ মরশুমে লক্ষ-লক্ষ মেট্রিকটন ধান উৎপাদন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ধান চাষের ক্ষেত্রে অন্যদের তুলনায় মেদিনীপুর সদর ব্লক অনেকটাই এগিয়ে। তবে খড়গপুর মহকুমার বেশকিছু এলাকায় ধান চাষ দেরিতে শুরু হয়। যা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের আধিকারিকদের কাছে।

Advertisement

কৃষি দপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, ধান চাষের ক্ষেত্রে এবার বৃষ্টি ভালো হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত বৃষ্টি হলেচাষিরা সমস্যায় পড়তে পারেন। জেলা পরিষদের সভাধিপতি প্রতিভা মাইতির কথায়, এবছরও রেকর্ড পরিমাণে ধান চাষ হবে বলে আশাবাদী আমরা। চাষিদের সব রকমের সহযোগিতা করবে কৃষি দপ্তর।মেদিনীপুর সদর ব্লকের কনকাবতী এলাকার চাষি সুবল মাহাত বলেন, বৃষ্টি হওয়ায় উপকার হয়েছে। ধানের বীজতলা করতে সুবিধা হচ্ছে। কিন্তু বৃষ্টির পরিমাণ বাড়লে আবার সমস্যা হতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ