সংবাদদাতা, বর্ধমান: তিনজনকে লোহার রড ও বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে খুনের চেষ্টার অভিযোগে রায়না থানার পুলিস দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতদের নাম সমীরণ মেটে ও রাহুল দেব। সমীরণের বাড়ি খণ্ডঘোষ থানার পলেমপুরে। রাহুলের বাড়ি রায়না থানার জামনায়। শুক্রবার রাতে পুলিস দু’জনকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। মারধরে ব্যবহৃত লাঠি ও বাঁশ উদ্ধার করতে এবং ঘটনায় জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে পুলিস ধৃতদের সাতদিন হেফাজতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের তিনদিন পুলিসি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, বুধবার বেলা ১টা নাগাদ রায়না থানার মাছখাণ্ডার বাসিন্দা শেখ ইয়াসিন ও শেখ আসাদ জামনার কাছে আখবাড়িতে বসে গল্প করছিলেন। সেই সময় পলেমপুরের দুই যুবক দু’টি মেয়েকে নিয়ে সেখানে আসে। উদ্দেশ্য খারাপ মনে করে আসাদ ও ইয়াসিন তাদের সেখান থেকে চলে যেতে বলেন। এনিয়ে তাদের সঙ্গে বচসা বাধে। সেই সময় ছেলে দু’টি ফোন করে তার বন্ধুবান্ধবদের সেখানে ডেকে আনে। এরপর তারা ইয়াসিন ও আসাদকে বেধড়ক মারধর করে। খবর পেয়ে এলাকাবাসী দু’জনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন। আসার সময় পলেমপুরের কাছে রাস্তা আটকে কয়েকজনকে বাঁশ ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। স্থানীয় লোকজন এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। মারধরে জখম হাফিজুলকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক কলকাতায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরিবারের লোকজন তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই তিনি আইসিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। মাছখাণ্ডার বাসিন্দা শেখ নূর মহম্মদ এই ঘটনার বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিস মামলা রুজু করে বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে বয়ান রেকর্ড করতে যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসক হাফিজুলের বয়ান নথিভুক্ত করেন।



