Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লোহার পরিকাঠামোয় বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে ছয়লাপ চাঁচল সদর, দুর্ঘটনার আশঙ্কা

লোহার পরিকাঠামোয় বিজ্ঞাপনের হোর্ডিংয়ে ছয়লাপ চাঁচল সদর, দুর্ঘটনার আশঙ্কা
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, চাঁচল: কোথাও ঝুলছে ছেঁড়া ব্যানার, আবার কোথাও দীর্ঘদিন ধরে মেরামত ছাড়াই লোহার পরিকাঠামোয় বিজ্ঞাপনের বড় বড় হোর্ডিং দেওয়া হচ্ছে। মালদহের চাঁচল মহকুমা সদরের আনাচে কানাচে এভাবেই বিভিন্ন বহুতলের ছাদে বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং লাগানো রয়েছে। জনবহুল এলাকায় এভাবে মাথার উপর হোর্ডিং থাকায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। তবে চাঁচল পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, সিংহভাগ হোর্ডিং অবৈধভাবে লাগানো হয়েছে। দ্রুত অভিযানে নেমে পদক্ষেপ করা হবে। 
Advertisement
অন্যদিকে, রাজ্য সড়কের ধারে থাকা গাছগুলিতেও বিভিন্ন সংস্থা লোহার পেরেক গেঁথে বিজ্ঞাপনের ব্যানার দিচ্ছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ এলাকার পরিবেশপ্রেমীরা। চাঁচল সদর এলাকা এমন বিজ্ঞাপনের ব্যানারে ছেয়ে গিয়েছে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হরেকরকমের বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। কোথাও বড় মাপের হোর্ডিং আবার কোথাও ব্যানার বা ফ্লেক্স ঝুলছে। অভিযোগ, বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য সঠিক নিয়ম পালন করছে না সংস্থাগুলি। জনবহুল এলাকায় বড় মাপের হোর্ডিং থেকে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। বাসিন্দাদের আশঙ্কা, হোর্ডিংয়ের পরিকাঠামো মজবুত না হলে ঝড় বৃষ্টির সময় তা ভেঙে রাস্তায় পড়তে পারে। এর আগেও এমন ঘটনা সামনে এসেছে। কয়েক বছর আগে কালবৈশাখী ঝড়ে চাঁচলের একাধিক জায়গায় হোর্ডিং ভেঙে রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল।
স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ মোদক, মোকাদ্দেম সরকাররা বলেন, চাঁচলের নেতাজি মোড় সহ সদরজুড়ে প্রতিনিয়ত মানুষের ভিড় থাকে। অনেক বিল্ডিংয়ের ছাদের উপর যেভাবে হোর্ডিং লাগানো রয়েছে, সেগুলি নিয়মিত মেরামতি না হলে যে কোনও সময় ভেঙে পড়ে বিপত্তি ঘটতে পারে। চাঁচল গ্রাম পঞ্চায়েতের শিল্প ও পরিকাঠামো সঞ্চালক অমিতেষ পান্ডে বলেন, এলাকায় বিজ্ঞাপনের প্রচুর হোর্ডিংয়ের কোনও বৈধতা নেই। পঞ্চায়েতকে না জানিয়েই হোর্ডিং লাগানো হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে অভিযানে নেমে দ্রুত পদক্ষেপ করা হবে। এদিকে চাঁচল-আশাপুর রাজ্য সড়কের দু’ধারে থাকা গাছগুলিতে বিজ্ঞাপনের ব্যানার লাগানো রয়েছে লোহার পেরেক গেঁথে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ পরিবেশপ্রেমীরা। এক পরিবেশপ্রেমী মাহমিদুল হাসান বলেন, গাছগুলি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি সড়কপথের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। গাছে লোহার পেরেক গেঁথে নির্বিচারে বিজ্ঞাপনের ব্যানার লাগানো হচ্ছে। দোসরকি এলাকায় পাঁচটি গাছ শুকিয়ে গিয়েছে। গাছে ব্যানার লাগানো বন্ধ হোক। চাঁচল-১ পঞ্চায়েত সমিতির বন কর্মাধ্যক্ষ আফসানা পারভীন বলেন, গাছগুলি থেকে ব্যানার খোলা হবে। গাছে ব্যানার লাগানো রুখতে বনদপ্তরের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।
(এভাবেই বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে হোর্ডিং।-নিজস্ব চিত্র )
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ