নিজস্ব প্রতিনিধি কৃষ্ণনগর: কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারপার্সন রিতা দাসের বিরুদ্ধে অনাস্থা নিয়ে বৈঠক করতে এবার ভাইস চেয়ারম্যানকে চিঠি লিখলেন ১৪ জন কাউন্সিলার। তার মধ্যে তৃণমূলের ১২ জন এবং কংগ্রেস ও নির্দলের একজন করে কাউন্সিলার রয়েছেন। সাতদিনের মধ্যে এই অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে বৈঠক ডাকার জন্য জন্য আবেদন জানানো হয়েছে। যা নিয়ে কৃষ্ণনগর পুরসভায় আবার শোরগোল পড়ে গিয়েছে। আগে ওই অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যানও। যেহেতু চেয়ারপার্সন বৈঠক ডাকেননি সেজন্য এদিন কাউন্সিলাররা ভাইস চেয়ারম্যানকেই বৈঠক ডাকার জন্য চিঠি দিয়েছেন।
যদিও এব্যাপারে মুখ খুলতে নারাজ তৃণমূলের কাউন্সিলাররা।
জানা গিয়েছে, পুরসভার চেয়ারপার্সনকে সরানোর জন্য অনাস্থা আনার অনুমতি নেই তৃণমূল কাউন্সিলারদের। কারণ রাজ্য নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছে কাউকে সরানোর প্রয়োজন হলে দল সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু, তারপরও নির্দল ও কংগ্রেস কাউন্সিলারদের সঙ্গে নিয়ে কীভাবে তৃণমূলর কাউন্সিলাররা অনাস্থার নিয়ে ফের বৈঠক করতে চাইছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে শাসক দলের মধ্যে।
জানা গিয়েছে, গত ২৬ জুন ভাইস চেয়ারম্যান সহ তৃণমূলের ১৩জন কাউন্সিলার এবং কংগ্রেস ও নির্দলের একজন করে কাউন্সিলার পুরসভার চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন। তাতে ১৫ দিনের মধ্যে সাধারণ সভা ডাকতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও চেয়ারপার্সন সেই সভা ডাকেননি। ফলে, এদিন অনাস্থার পক্ষে থাকা ভাইস চেয়ারম্যানকেই সভা ডাকার জন্য চিঠি লিখলেন কাউন্সিলররা।
চেয়ারপার্সন বলেন, দল সবটাই জানে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দোপাধ্যায় ও ফিরহাদ হাকিম যা সিদ্ধান্ত নেবেন, তা মাথা পেতে নেব। যদিও এই নিয়ে কিছু বলছেন না চেয়ারপার্সন বিরোধী কাউন্সিলাররা। কংগ্রেস কাউন্সিলার শান্তশ্রী সাহা বলেন, চেয়ারপার্সন ১৫ দিনের নোটিসে বৈঠক ডাকেননি। তাই নিয়ম অনুযায়ী ভাইস চেয়ারম্যান ওই বৈঠক ডাকতে পারেন। তাই তাঁকে ১৪ জন কাউন্সিলারের পক্ষ থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।