Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সল্টলেক এ কে ব্লক অ্যাসোসিয়েশন: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে কিংবদন্তি ঋত্বিক ঘটক

বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের রং লেগেছে পাড়ায় পাড়ায়। মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে আপামর বাঙালি। সেই দুর্গাপুজোর থিমেই ফুটে উঠবে বাঙালির আরও এক আবেগ—কিংবদন্তি চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটক।

সল্টলেক এ কে ব্লক অ্যাসোসিয়েশন: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে কিংবদন্তি ঋত্বিক ঘটক
  • ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অলোকাভ নিয়োগী, বিধাননগর: বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবের রং লেগেছে পাড়ায় পাড়ায়। মা দুর্গার আগমনের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে আপামর বাঙালি। সেই দুর্গাপুজোর থিমেই ফুটে উঠবে বাঙালির আরও এক আবেগ—কিংবদন্তি চিত্র পরিচালক ঋত্বিক ঘটক। জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে এবার ঋত্বিক ঘটকের থিমেই সেজে উঠছে সল্টলেক এ কে ব্লক অ্যাসোসিয়েশনের মণ্ডপ। থিমের নাম ‘যুক্তি আর তর্ক’। মণ্ডপের ভিতরে খোদাই কাঠের উপর থাকবে পরিচালকের নানান বিশ্লেষণ, বক্তব্য। হাতে এঁকে তৈরি করা হচ্ছে তাঁর কালজয়ী সিনেমার একাধিক পোস্টারও। দর্শনার্থীদের কাছে যা বাড়তি পাওনা। পুজোর উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

পুজোয় প্রতি বছরই নতুন থিম নিয়ে হাজির হয় এ কে ব্লক। গত বছর এই মণ্ডপে ঢুকেই বৃষ্টির শব্দের সুরে ভিজেছিলেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। শিল্পী ভবতোষ সুতারের ‘বারিবিন্দু’ থিম মন কেড়েছিল সকলের। সেই উচ্চতাকে ধরে রাখাটাও এবার যে বড় চ্যালেঞ্জ, মানছেন উদ্যোক্তারাও। সেই চ্যালেঞ্জ নিয়েই অন্য আঙ্গিকে তুলে ধরা হচ্ছে ঋত্বিক ঘটককে। এবারে পুজো মণ্ডপকে দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। প্রথম মণ্ডপের ভিতর দিয়ে দ্বিতীয় মণ্ডপে প্রবেশ করবেন দর্শকরা। দু’টি মণ্ডপেই থাকবে ঋত্বিক-স্পর্শ। মণ্ডপসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন শিল্পী বিশ্বনাথ দে। মাতৃপ্রতিমা তৈরি করছেন অরিঘ্ন সাহা। থিমের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে তৈরি হচ্ছে প্রতিমা। সল্টলেক এ কে ব্লক অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক রাজা বণিক বলেন, এ কে ব্লক দর্শনার্থীদের কাছে একটি আবেগের নাম। নতুন থিমের টানে প্রতিবারই মানুষ আমাদের মণ্ডপে আসেন। এবারেও তাঁরা ভিন্নস্বাদের ছোঁয়া পাবেন। মহালয়ায় বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে হবে দেবীর চক্ষুদান।
থিম প্রসঙ্গে শিল্পী বিশ্বনাথ দে বলেন, এবার ঋত্বিক ঘটকের জন্মশতবর্ষ। এই থিম তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি। ‘মেঘে ঢাকা তারা’, ‘কোমলগান্ধার’, ‘সুবর্ণরেখা’—তাঁর বেশিরভাগ কালজয়ী সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন একজন নারী। সেই চত্রিগুলি নানা চাপ সামলে আমাদের কাছে দুর্গা হয়ে উঠেছেন। পরিচালকের সেই ভাবনার প্রতিফলন দেখা যাবে মণ্ডপে। অকালমৃত্যুর কারণে বেশ কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থেকে গিয়েছিল ঋত্বিক ঘটকের। তাঁর আজীবনের সমস্ত কাজ নিয়ে মণ্ডপে থাকছে একটি তথ্যপঞ্জি। সেখানে চোখ রাখলেই একনজরে ঋত্বিক ঘটকের জীবন ও তাঁর সৃষ্টির স্মৃতি রোমন্থন করতে পারবেন দর্শকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ