Bartaman Logo
২৯ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাজস্থান থেকে চামড়া এনে ঢাক সারাই

সামনেই বাঙালির মেগা উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই পুজো ঘিরে ব্যস্ততা তুঙ্গে ময়নাগুড়ির ঢাকিপাড়ায়। এখন জোর কদমে চলছে ঢাকঢোল সারাইয়ের কাজ।

রাজস্থান থেকে চামড়া এনে ঢাক সারাই
  • ২১ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০

সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: সামনেই বাঙালির মেগা উৎসব দুর্গাপুজো। আর এই পুজো ঘিরে ব্যস্ততা তুঙ্গে ময়নাগুড়ির ঢাকিপাড়ায়। এখন জোর কদমে চলছে ঢাকঢোল সারাইয়ের কাজ। চলছে ঢাক, কাঁসর বাজিয়ে নিজেদের মধ্যে মহড়া। রাজস্থান থেকে ময়নাগুড়িতে নিয়ে আসা হচ্ছে ঢাকঢোলের চামড়া। কয়েকজন ঢাকি জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই অসম থেকে দুর্গাপুজো উদ্যোক্তারা এসে বায়না করে গিয়েছেন। অসম ছাড়াও ত্রিপুরা থেকে ঢাক বাজানোর অর্ডার আসছে। চতুর্থীতেই অসমের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন কেউ কেউ। 

Advertisement

ঢাক মেরামতের কারিগর ময়নাগুড়ির নিটুল দাস বলেন, মালবাজার, গাজলডোবা, মেটলি, ওদলাবাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে ঢাকিরা এসে ঢাক সরাই করে নিয়ে যাচ্ছেন। প্রচুর অর্ডার আসছে। কাজ করতে করতে সকাল থেকে সন্ধ্যা গড়িয়ে যাচ্ছে। বাধ্য হয়ে কয়েকজন কর্মী এবার দোকানে রেখেছি। বিশ্বকর্মা পুজোর আগেই সকলের ঢাক সারাই করে দেব। আরএক কারিগর সম্রাট দাস। তিনি বলেন, নতুন ঢাকও বিক্রি হচ্ছে। ঢাক সারাইয়ের জন্য চামড়া রাজস্থান থেকে নিয়ে আসছি। এখান থেকেই অর্ডার দিয়ে টাকা অনলাইনে দিয়ে দিচ্ছে। এক সপ্তাহের মধ্যে ওদিক থেকে চামড়া চলে আসছে। আরএক ঢাক সারাইয়ের কারিগর দীপক দাস বলেন, স্থানীয় হাট থেকে ঢাকের চামড়া কিনছি। এ বছর এখনও বাজার ভালো। 
ঢাকি মণিরাম ব্যাধ বলেন, গতবছর আমি ময়নাগুড়ি শহরের একটি দুর্গাপুজো মণ্ডপে ঢাক বাজিয়েছি। এবার অসম থেকে ডাক এসেছে। অসমে যাব। আমার সঙ্গে আরও কয়েকজন অসমে যাবেন।

সম্পর্কিত সংবাদ