নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: অকাল দুর্যোগে বৃহস্পতিবার রাজ্যের পাঁচ-ছ’টি জেলায় দুর্ভোগে পড়তে হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের। লোডশেডিংয়ের জন্য পরীক্ষা সাময়িক ব্যাহত হওয়ায় কোনও কোনও কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়ের অতিরিক্ত আধঘণ্টা সময় দিয়েছে পর্ষদ। গড়ে ১০-১৫ মিনিট সময় বাড়াতে হয়েছে বহু স্কুলেই। হাওড়া, দুই ২৪ পরগনা, হুগলি, নদীয়া এবং পূর্ব বর্ধমানে পরীক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে বলে জানা গিয়েছে। বেশ কিছু স্কুলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে জেনারেটর না থাকায় সমস্যা বেড়েছে। তবুও বিদ্যুৎ দপ্তরের তৎপরতায় পরীক্ষা নির্বিঘ্নেই মিটেছে।
Advertisement
উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা চৌরাশিয়া স্কুলে পরীক্ষা ব্যাহত হওয়ার কারণে অভিভাবকরা বিক্ষোভ দেখান। সেখানে অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয় পরীক্ষা শেষ করার জন্য। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আবার পরীক্ষা চলাকালীন ঝড়বৃষ্টির জেরে পরীক্ষার্থীরা কাকভেজা হয়ে যান। পাল্লাবিহীন জানালা বা দরজা দিয়ে জল ঢুকে পড়ে পরীক্ষার হলে। লোডশেডিং এবং অন্যান্য সমস্যায় পরীক্ষা বন্ধ থাকে বেশ কিছু কেন্দ্রে। ফলে ৩০ মিনিটেরও বেশি বাড়তি সময় দিতে হয় বেশ কিছু কেন্দ্রে। হাওড়ার জগৎবল্লভপুর হাঁটাল বিশালাক্ষী হাইস্কুল এবং পাঁতিহাল বালিকা বিদ্যালয়ে লোডশেডিং হয়ে যায়। তবে জেনারেটর থাকায় সমস্যা হয়নি। হুগলিতে মাধ্যমিক পরীক্ষার জেলা কমিটির কনভেনর দেবাশিস বসু জানান, আগাম বিকল্প ব্যবস্থা থাকায় কোথাও বড় সমস্যা হয়নি। প্রসঙ্গত, এই জেলার কোথাও কোথাও মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা পরিচালনার খবর মিলেছে। বিভিন্ন জেলায় পরীক্ষার পরে কাকভেজা হয়েই বাড়ি ফিরতে হয়েছে বহু পরীক্ষার্থীকে। তবে, এদিনই মূল লেখা পরীক্ষার শেষদিন হওয়ায় অনেকে এতে বরং মজাই পেয়েছে।



