সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: দীর্ঘ সময় বিদ্যালয়ে ছিল না স্থায়ী শিক্ষক, সেই কারণে স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতি কমতে থাকে। যার জেরে পঠনপাঠন বন্ধই হয়ে যায় লাভপুরের পশ্চিম কাদিপুর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ে। শেষ পর্যন্ত পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ৪০ জনে। তারপরই এই স্কুলে তিনজন স্থায়ী শিক্ষক ও একজন শিক্ষাকর্মী নিযুক্ত করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মাইকিং করে স্থানীয় পড়ুয়াদের স্কুলে ভর্তি করানোর আবেদন জানাচ্ছেন।
Advertisement
লাভপুরের হাঁসুলি বাঁকের কাছে অবস্থিত পশ্চিম কাদিপুর জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়ের হাল ফেরাতে এইভাবেই মাঠে নামলেন সদ্য যোগদানকারী শিক্ষকরা। পশ্চিম কাদিপুর গ্রামে জুনিয়র হাইস্কুলে অতিথি শিক্ষক দিয়ে পড়াশোনা চলছিল। অতিথি শিক্ষকরা অবসর নিলে কার্যত বন্ধ হয়ে যায় পঠনপাঠন। ধীরে ধীরে স্কুল ছাড়তে থাকে পড়ুয়ারা। তবে কিছুদিন আগে তিনজন স্থায়ী শিক্ষক নিযুক্ত হয়েছেন। তারপরই বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সহ অন্য শিক্ষকরা হাতে মাইক নিয়ে অভিভাবকদের কাছে আবেদন রাখেন, অভিভাবকরা যেন তাঁদের ছেলেমেয়েদের এই স্কুলে ভর্তি করেন। জানা গিয়েছে মস্তুলি, কালিকাপুরডাঙা, মস্তল আদিবাসী পাড়া, স্বরপুকুরডাঙা ও কাদিপুরে পড়ুয়াদের সঙ্গে নিয়ে গিয়ে মাইকিং করা হয়। এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন লাভপুর ব্লকের শিক্ষানুরাগীরা। স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক চন্দ্রদেব পাল বলেন, দীর্ঘ সময় এখানে স্থায়ী শিক্ষক ছিল না। এখন সেই অভাব মিটেছে। এবার পড়ুয়ারা ভর্তি হলে হাঁসুলি বাঁকের স্মৃতি বিজড়িত বিদ্যালয়টি স্বাভাবিক ছন্দে এগিয়ে যাবে।



