সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বর্গা জমি কিনে নিয়েছেন তৃণমূল পরিচালিত লাভপুর ১নং পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সালাম শেখ— বর্গাদাররা এই মর্মে লিখিত অভিযোগ জমা করেছেন লাভপুরের বিডিওর কাছে। যদিও জমির মালিক ও অভিযুক্ত উপপ্রধান বিষয়টি সম্পূর্ণ ভুল বলে দাবি করেছেন। বর্গাদাররা প্ররোচিত হয়েই এমন অভিযোগ তুলেছেন বলে দাবি করেছেন তাঁরা।
Advertisement
লাভপুর ১নং পঞ্চায়েতের মহুগ্রাম ঠাকুরপাড়ায় বারো কাঠা জমি বর্গা হিসেবে চাষ করে আসছেন স্থানীয় কিছু চাষি। যদিও বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে চাষাবাদ করা হয় না সেই জমিতে। এই জমির একাধিক মালিক রয়েছেন। যার মধ্যে একজন লাভপুরে ও বাকিরা কলকাতায় থাকেন। বর্গাদারদের অভিযোগ, লাভপুরের মালিকের জমির অংশ কিনে নিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সালাম শেখ। বাকি অংশ কেনার জন্যও অন্য মালিকদের অগ্রিম দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বর্গাদার সেলিনা বিবি, মেহেরুন্নিসা বিবি, রোমিনি বিবি বলেন, উপপ্রধান নিজের প্রভাব খাটিয়ে জমি কিনে নিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। জমির মালিক আমাদের জানালে আমরাই কেনার চেষ্টা করতাম। এই জমি আমাদের। তাই আমরা বিচারের আশায় বিডিওকে অভিযোগ জানিয়েছি।
জমির মালিক স্বপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বর্গাদারদের ভুল হয়েছে। জমিটি বিক্রি করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন তা চাষ হয় না।
উপপ্রধান সালাম শেখ বলেন, আমি বিষয়টির সম্পর্কে কিছুই জানি না। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম আমি জমি কিনেছি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মনে হচ্ছে কেউ বা কারা বর্গাদারদের ভুল বুঝিয়ে এমন কাজ করিয়েছে। লাভপুরের বিডিও শিশুতোষ প্রামাণিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। স্থানীয়রা বলছেন, যে কোনও বর্গাজমি বিক্রি করা গুরুতর অন্যায়। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত।
বর্গাদার সেলিনা বিবি, মেহেরুন্নিসা বিবি, রোমিনি বিবি বলেন, উপপ্রধান নিজের প্রভাব খাটিয়ে জমি কিনে নিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। জমির মালিক আমাদের জানালে আমরাই কেনার চেষ্টা করতাম। এই জমি আমাদের। তাই আমরা বিচারের আশায় বিডিওকে অভিযোগ জানিয়েছি।
জমির মালিক স্বপন চট্টোপাধ্যায় বলেন, বর্গাদারদের ভুল হয়েছে। জমিটি বিক্রি করা হয়নি। তবে দীর্ঘদিন তা চাষ হয় না।
উপপ্রধান সালাম শেখ বলেন, আমি বিষয়টির সম্পর্কে কিছুই জানি না। হঠাৎ করেই জানতে পারলাম আমি জমি কিনেছি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। মনে হচ্ছে কেউ বা কারা বর্গাদারদের ভুল বুঝিয়ে এমন কাজ করিয়েছে। লাভপুরের বিডিও শিশুতোষ প্রামাণিক বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। স্থানীয়রা বলছেন, যে কোনও বর্গাজমি বিক্রি করা গুরুতর অন্যায়। অভিযোগের সত্যতা মিললে প্রশাসনের পদক্ষেপ করা উচিত।



