সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: এক নাবালককে বেধড়ক মারধর করে হাত ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠল লাভপুর থানার পুলিসের বিরুদ্ধে। তার পরিবারের দাবি, ছেলেটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যদিও লাভপুর থানার পুলিসের দাবি, নাবালকের টোটো আটকে রাখা হয়েছে। তাই এমন মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।
Advertisement
লাভপুর চৌহাট্টার বাসিন্দা গোষ্ঠগোপাল বাগদি পেশায় টোটো চালক। রবিবার তিনি বাড়িতে টোটো রেখে বেরিয়ে যান। তাঁর নাবালক ছেলে টোটো নিয়ে বের হয়। সে দু’জন যাত্রীকে টোটোয় তুলে চৌহাট্টা থেকে হাতিয়ার দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। সেসময় লাভপুর থানার পুলিসের টহলদারি ভ্যান তার টোটো আটকায়। ওই নাবালক, দুই যাত্রী সহ টোটো থানায় নিয়ে আসা হয়।
পুলিস সূত্রে খবর, টোটোর যাত্রীরা এলাকায় নকল সোনার কয়েন কেনার উদ্দেশ্যে নাবালকের টোটোয় চেপেছিল। তদন্তের পর পুলিস প্রথমে ওই দু’জনকে মুচলেকা লিখিয়ে ছেড়ে দেয়। পরে নাবালককেও বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তার টোটো আটকে রাখা হয়। বুধবার গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নাবালককে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, তার একটি হাত ভেঙে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। নাবালকের পরিবার পুলিসের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে।
গোষ্ঠগোপালবাবু বলেন, আমি ঘরে না থাকায় ছেলে টোটো নিয়ে বেরিয়েছিল। তার সঙ্গে যাত্রী সেজে কারা চেপেছিল, তা জানি না। ওকে ছাড়ানোর জন্য সমস্ত কিছু করেছিলাম। তারপরও আমার ছেলেকে এভাবে কেন মারধর করা হল জানি না।
পুলিস সূত্রে খবর, টোটোর যাত্রীরা এলাকায় নকল সোনার কয়েন কেনার উদ্দেশ্যে নাবালকের টোটোয় চেপেছিল। তদন্তের পর পুলিস প্রথমে ওই দু’জনকে মুচলেকা লিখিয়ে ছেড়ে দেয়। পরে নাবালককেও বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তার টোটো আটকে রাখা হয়। বুধবার গুরুতর জখম অবস্থায় ওই নাবালককে বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযোগ, তার একটি হাত ভেঙে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। নাবালকের পরিবার পুলিসের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলেছে।
গোষ্ঠগোপালবাবু বলেন, আমি ঘরে না থাকায় ছেলে টোটো নিয়ে বেরিয়েছিল। তার সঙ্গে যাত্রী সেজে কারা চেপেছিল, তা জানি না। ওকে ছাড়ানোর জন্য সমস্ত কিছু করেছিলাম। তারপরও আমার ছেলেকে এভাবে কেন মারধর করা হল জানি না।



