সংবাদদাতা, তপন: গত বছরের তুলনায় এবার তপন ব্লকে কমেছে গমের চাষ। কৃষি দপ্তর সূত্রে খবর, ব্লকে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে গম চাষ হয়েছে। গতবছর পরিমাণ ছিল প্রায় ৯ হাজার হেক্টর। গমের পরিবর্তে সর্ষে, ভুট্টা এবং বোরো ধান চাষ লাভজনক হওয়ায় সেদিকেই ঝুঁকছেন চাষিরা।
Advertisement
চাষিরা জানান, গমে রাসায়নিক সার প্রয়োগ, জমি কর্ষণ, জলসেচ, কীটনাশক, ঝাড়াই সহ যাবতীয় কাজ করতে প্রচুর খরচ হয়ে যায়। সেই তুলনায় ফলন এবং দাম যা পাওয়া যায়, লাভজনক হয় না। পরিবর্তে সর্ষে ও ভুট্টা চাষে ঝামেলা কম। বেশি লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা চাষে ঝোঁক বাড়ছে চাষিদের। মান্দাপাড়ার চাষি উমর ফারুক বলেন, লাভজনক বলেই আমরা সর্ষে এবং বোরো ধান চাষে আগ্রহী। গম চাষ করে তেমন লাভ হচ্ছিল না।
এবছর পর্যাপ্ত কুয়াশা নেই বলে বিভিন্ন জায়গায় গম গাছ লাল হয়ে যাচ্ছে। জেলার কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, শুধু ব্লকেই নয়, জেলাজুড়ে এবছর গমের চাষ কমেছে। লাভজনক হওয়ায় গমের পরিবর্তে সর্ষে, ভুট্টা সহ অন্যান্য ফসল চাষ করছেন চাষিরা। তবে ফসল থাকলে রোগ, পোকার আক্রমণ হওয়াই স্বাভাবিক। শীত বা কুয়াশার কারণে গমের ক্ষতি হচ্ছে এমন খবর আমাদের কাছে নেই। চাষিদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন রবিশস্যের জন্য শস্যবীমা যোজনায় আবেদন করেন।
এবছর পর্যাপ্ত কুয়াশা নেই বলে বিভিন্ন জায়গায় গম গাছ লাল হয়ে যাচ্ছে। জেলার কৃষি অধিকর্তা প্রণব কুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, শুধু ব্লকেই নয়, জেলাজুড়ে এবছর গমের চাষ কমেছে। লাভজনক হওয়ায় গমের পরিবর্তে সর্ষে, ভুট্টা সহ অন্যান্য ফসল চাষ করছেন চাষিরা। তবে ফসল থাকলে রোগ, পোকার আক্রমণ হওয়াই স্বাভাবিক। শীত বা কুয়াশার কারণে গমের ক্ষতি হচ্ছে এমন খবর আমাদের কাছে নেই। চাষিদের কাছে অনুরোধ, তাঁরা যেন রবিশস্যের জন্য শস্যবীমা যোজনায় আবেদন করেন।



