Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গলসিতে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে ঢিলেমি, প্রতিদিনের যানজটে চরম ভোগান্তি

গলসিতে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজে ঢিলেমি, প্রতিদিনের যানজটে চরম ভোগান্তি
  • ৩১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানকর: ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক ছয় লেনে সম্প্রসারণের কাজ দীর্ঘদিন ধরে চলছে গলসি এলাকায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রসারণের কাজে গতি নেই। বর্তমানে অস্থায়ী ডিভাইডার সারিবদ্ধ ভাবে রাস্তার উপর রাখা রয়েছে। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। ফলে গলসির পুরষা সহ এলাকার বাসিন্দাদের সমস্যা হচ্ছে। সন্ধ্যার পর থেকে পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে গাড়ির দীর্ঘ লাইন লেগে জ্যাম হয়ে যাচ্ছে। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাসপাতালে আসা রোগী ও পরিজনদের। স্থানীয়দের দাবি অবিলম্বে রাস্তার কাজ শেষ করা হোক। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রসারণের কাজে বুদবুদের পর থেকে বেশ কয়েকটি ফ্লাইওভারের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। ফ্লাইওভার চালুও হয়েছে। গলসিতে দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের কাজ চলছে। কয়েকটি জায়গায় ফ্লাইওভারের কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে। কয়েক জায়গায় রাস্তার কাজ চলছে। স্থানীয় পথচারীদের অভিযোগ, রাস্তার কাজে দীর্ঘসূত্রিতার জন্য প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। শনিবারই এক বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। রাস্তার পাশে অস্থায়ী ডিভাইডার থাকার জন্য চালকদের সমস্যা হচ্ছে। মৃত ওই বাইক আরোহী ডিভাইডারে ধাক্কা মেরেছিলেন। অস্থায়ী ডিভাইডার কেন রাস্তার ধারে নামানো থাকবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। তাছাড়া আচমকা গাড়ি তিন লেনের ভালো রাস্তা থেকে যখন এই এলাকায় দুই লেন বা এক লেনের রাস্তায় প্রবেশ করছে তখন চালকদের সমস্যা হচ্ছে। রাতের অন্ধকারে সমস্যা বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা মিলন মণ্ডল, সাদ্দাম হোসেন মোল্লা বলেন, কবে রাস্তার কাজ শেষ হবে, আমরা সেদিকে তাকিয়ে আছি। দীর্ঘদিন ধরে কাজ চলছে। তার ফলে এখানে অনেক দুর্ঘটনা ঘটল। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাস্তার কাজ সম্পূর্ণ না করার জন্য পুরষা হাসপাতালে যাওয়ার বর্ধমান মুখী রাস্তায় ব্যাপক জ্যাম হচ্ছে। অনেক সময় জ্যাম মাঝরাত পর্যন্ত থাকছে। ফলে ইমার্জেন্সি রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়ছেন রোগীর আত্মীয়রা। জ্যাম থাকার জন্য রাস্তা পারাপারেও সমস্যা হচ্ছে। তালিতের বাসিন্দা জ্যোতির্ময় ঘোষ বলেন, আমি বাইকে পানাগড় কাজে যাই। রাত্রে ফেরার সময় পুরষা এলাকায় সমস্যা হয়। রাস্তার পাশে অস্থায়ী ডিভাইডার রয়েছে। সবগুলিতে রেডিয়াম লাগালে গাড়ি চালকদের বুঝতে সুবিধা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা নাজমুল জামাদার বলেন, রাস্তার কাজ দ্রুত শেষ হওয়া দরকার। দুর্ঘটনার জন্য অকালে অনেক মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে। ফ্লাইওভারের কাজ শেষ করে তা দ্রুত চালু করা হোক। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এক আধিকারিক বলেন, কাজ শেষ করতে মাস ছয়েক সময় লাগবে। গত শুক্রবার জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকা পরিদর্শন করেছে। কীভাবে ডাইভারসন দেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ