চণ্ডীগড়: ক্লাসরুমের মধ্যে সহপাঠীকে গুলি করে খুনের পর আত্মহত্যার চেষ্টা করল এক পড়ুয়া। তরণ তারণ জেলার আইন কলেজের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঞ্জাবে। বন্দুক নিয়ে কীভাবে কলেজে ঢুকল ওই পড়ুয়া, সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃতা সন্দীপ কাউরের মা। ক্লাসরুমের মধ্যে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ৩ সেকেন্ডের ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, তখনও ক্লাস শুরু হয়নি। পিছনের বেঞ্চের দিকে বসে রয়েছেন প্রিন্স রাজ, মৃত সন্দীপ এবং আরও এক ছাত্রী। ক্লাসরুমের অন্যত্র পড়ুয়ারা তখন খোশগল্পে মত্ত। হঠাৎই দাঁড়িয়ে সন্দীপের কপালে গুলি করেন প্রিন্স। এরপরেই নিজেকে গুলি করেন। পাশে বসে থাকা অপর ছাত্রী কিছুটা দূরে চলে যান। মুহূর্তে ফিরে এসে সন্দীপকে সংজ্ঞাহীন দেখে ব্যাগ নিয়ে আতঙ্কে বেরিয়ে যান ওই ছাত্রী। এরই মধ্যে গুলির শব্দ শুনে ক্লাসে চলে আসে অনেক পড়ুয়া। তাঁরাও সন্দীপের এই পরিণতি দেখে ক্লাসরুম থেকে ছুটে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় সন্দীপের। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন প্রিন্স। কী কারণে সন্দীপকে গুলি করল প্রিন্স, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সন্দীপের মা হরজিন্দর কাউর বলেন, ‘মেয়ের গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা আমাকে জানানো হয়নি। কলেজের পক্ষ থেকে কেবল আমাকে দ্রুত আসতে বলা হয়। ক্লাসে গিয়ে দেখি মেয়ের নিথর দেহ। একজন পড়ুয়া কীভাবে বন্দুক নিয়ে কলেজে ঢুকল?’ তরণ তারণের ডেপুটি পুলিশ সুপার জগবীর সিং জানিয়েছেন, সকাল ৯টা ১৫ নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে। প্রিন্স এবং সন্দীপ দু’জনেই প্রথমবর্ষের আইন পড়ুয়া। তরণ তারণের এসএসপি সুরিন্দর লাম্বা বলেন, ঘটনাস্থল থেকে বন্দুকটি উদ্ধার করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চলেছ। ওই পড়ুয়া কোথা থেকে বন্দুক জোগাড় করলেন, কীভাবে নজরদারি এরিয়ে তিনি সেটি নিয়ে ক্লাসে প্রবেশ করলেন, সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



