Bartaman Logo
২৮ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ল্যাংটাং রিরুং’ ফেরাল ১১ বছর আগের হিমবাহ-ধসের বিভীষিকা

যে ‘ল্যাংটাং রিরুং’ পর্বতের হিমবাহধসের জন্য নেপালে যে ভয়াবহ বিপর্যয় হয়েছে, ১১ বছর আগে এটির জন্য বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা হয়। নেপালে রিখটার স্কেলে ৭.৮ তীব্রতার বড়ো ধরনের ভূমিকম্পটি হয় ২০১৫ সালের এপ্রিলে।

‘ল্যাংটাং রিরুং’ ফেরাল ১১ বছর আগের হিমবাহ-ধসের বিভীষিকা
  • ২৮ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যে ‘ল্যাংটাং রিরুং’ পর্বতের হিমবাহধসের জন্য নেপালে যে ভয়াবহ বিপর্যয় হয়েছে, ১১ বছর আগে এটির জন্য বড়ো ধরনের দুর্ঘটনা হয়। নেপালে রিখটার স্কেলে ৭.৮ তীব্রতার বড়ো ধরনের ভূমিকম্পটি হয় ২০১৫ সালের এপ্রিলে। ভূমিকম্পের জেরে ওই পর্বতের দক্ষিণ দিকের একটি হিমবাহ থেকে বড়ো ধরনের তুষার ধস নীচে নেমে আসে। পাহাড়ের নীচে অবস্থিত ‘ল্যাংটাং’ গ্রামটি তাতে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। হিমবাহের সঙ্গে আসা বরফ, জল, কাদা, পাথর প্রভৃতির তলায় চাপা পড়ে যায় গ্রামটি। সাড়ে তিনশোর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল ওই ঘটনায়। তাদের মধ্যে ছিলেন অনেক বিদেশি পর্যটক, ট্রেকার,  পর্বতারোহী। তাঁরা ওই গ্রামে ক্যাম্প করে ছিলেন।

Advertisement

নেপাল-চীন সীমান্তে ২৩ হাজার ৭৩৪ ফুট উচ্চতার এই পর্বতটি নেপালের মধ্যে অবস্থিত। এর পাশেই ৮ হাজার মিটারের বেশি উচ্চতার ‘শিশপানগমা’ নামে একটি পর্বত আছে যেটি চীনের মধ্যে পড়েছে। তথ্য বলছে, ১৯৭৮ সালে এক জাপানি পর্বতারোহী ও নেপালি শেরপা প্রথম ল্যাংটাং পর্বত শৃঙ্গে ওঠেন। তারপর আরও কয়েকজন উঠেছেন। যদিও এই পাহাড়ে ওঠা খুব কঠিন বলে মনে করা হয়। তবে এই পর্বত আরোহণ করতে গিয়ে অনেক পর্বতারোহীর মৃত্যু হয়েছে। তার অনেকগুলির কারণ ছিল হিমবাহের তুষার ধস।
২০১৫ সালের ভূমিকম্পের সময় এই পর্বতের দক্ষিণ দিকের হিমবাহ থেকে তুষারধস নেমেছিল। এবার যে তুষারধস নেমেছে তা পর্বতের উত্তর প্রান্তে হয়েছে। ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় হিমবাহ থেকে তুষার, জল, কাদা, পাথর ধেয়ে নেমে আসে নীচে ৪ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত উপত্যকায়। হিমবাহের সঙ্গে নেমে আসা এইসব জিনিস প্রথমে লেন্ডেখোলা নদীতে এসে পড়ে। তারপর তা ত্রিশূলী ও ভোটকোশী নদী হয়ে নামতে থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উপত্যকায় নামার পর হিমবাহের সঙ্গে থাকা সামগ্রী প্রথমে অস্থায়ী বাঁধ তৈরি করেছিল। কিন্তু হিমবাহের চাপে তা ভেঙে পড়ে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ