Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দিল্লি পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাঁচেই দাঙ্গা মোকাবিলার পরিকাঠামো গড়বে লালবাজার

দাঙ্গা মোকাবিলায় কলকাতা পুলিশ দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাঁচে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে। যাতে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

দিল্লি পুলিশ-কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাঁচেই দাঙ্গা মোকাবিলার পরিকাঠামো গড়বে লালবাজার
  • ২৯ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: দাঙ্গা মোকাবিলায় কলকাতা পুলিশ দিল্লি পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ধাঁচে পরিকাঠামো গড়ে তুলতে চাইছে। যাতে দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। সেই কারণে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাছে থাকা  সামগ্রীর মধ্যে লালবাজারের কাছে কী কী রয়েছে,কী কী নেই, তা নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করলেন কর্তারা। এরজন্য একটি কমিটি তৈরি করা হয়েছে। সেই কমিটি দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কথা বলবে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement

তৃণমূল জমানায় মুর্শিদাবাদে একের পর দাঙ্গা হয়েছে। এর বাইরে বিভিন্ন জেলাতেও একই ঘটনা ঘটেছে। কলকাতা পুলিশের বন্দর এলাকায় দাঙ্গাজনিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে একাধিকবার। এর মোকাবিলা করতে গিয়ে পুলিশকে হিমশিম খেতে হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন পুলিশ কর্মীরা। কারণ দাঙ্গা মোকাবিলায় ব্যবহৃত বিশেষ গাড়ি নেই পুলিশের কাছে।  এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষভাবে তৈরি হেড গিয়ারও নেই। এমনকি পর্যাপ্ত পরিমাণে রাবার বুলেট নেই। দাঙ্গাকারীদের প্রতিহত করে এলাকার দখল নিতে বেশ কয়েকদিন লেগে যাচ্ছে পুলিশের। অনেক ক্ষেত্রে দাঙ্গাকারীদের সঙ্গে পুলিশকে সমঝোতা করতে হয়েছে।  পুলিশ ডিরেক্টরেট বা লালবাজার থেকে তৃণমূল সরকারের কাছে দাঙ্গা মোকাবিলায় বিভিন্ন সামগ্রী কিনতে চেয়ে প্রস্তাব যায়। টাকা নেই এই অজুহাতে সেগুলি কিনতে দেওয়া হয়নি। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দাঙ্গা মোকাবিলায় বিশেষ বাহিনী তৈরি করতে চাইছে। তার আগে পরিকাঠামো তৈরিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এরজন্য প্রথমে কলকাতা পুলিশকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী দাঙ্গা মোকাবিলায় কী কী সরঞ্জাম ব্যবহার করে, তা  খতিয়ে দেখতে কমিটি তৈরি হয়েছে। দাঙ্গা মোকাবিলায় দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যে জল কামান ও বজ্র গাড়ি ব্যবহার করে সেটি উন্নতমানের। এই সমস্ত সামগ্রী কোথা থেকে তারা কিনছে, দাঙ্গা মোকাবিলায় এই ধরনের সামগ্রী কোন পরিমাণে দরকার, সেটি পর্যালোচনা করে দেখবে পাঁচ সদস্যের কমিটি। সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে কমিটিকে। তার দাঙ্গা প্রতিরোধ সরঞ্জাম কিনবে লালবাজার।

সম্পর্কিত সংবাদ